ধর্মঘটে পুরো ফ্রান্স স্থবির হয়ে যেতে পারে

35

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:দেশটির শ্রমিক ইউনিয়ন সমূহ অবসর গ্রহণ ব্যবস্থা সংস্কারের পরিকল্পনার প্রতিবাদে ফ্রান্স জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ।ধারনা করা হচ্ছে এ ধর্মঘটের ফলে পুরো ফ্রান্স স্থবির হয়ে যেতে পারে ।
আজ বৃহস্পতিবার থেকেই ধর্মঘটের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ অবসর গ্রহণের ব্যবস্থা সংস্কারে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। এর প্রতিবাদে ফরাসি শ্রমিক ইউনিয়নগুলো দেশজুড়ে ধর্মঘট করার আহ্বান জানায়।
বৃহস্পতিবার প্যারিসে পদযাত্রা করার পরিকল্পনা করছে ইউনিয়নগুলো। এছাড়া রাস্তার সব দোকান, ক্যাফে ও রেস্তোরাগুলো সেদিন বন্ধের নির্দেশ দিতে পুলিশকে আহ্বান জানিয়েছে তারা।

প্যারিসের হোটেলগুলো অসংখ্য বাতিলকরণের খবর পায় কারণ ভ্রমণকারীরা তাদের ভ্রমণের বিষয়ে পুনঃবিবেচনা করছিল। প্যারিসের বেশিরভাগ মেট্রো সিস্টেম বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি সব ধরণের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।

বেশিরভাগ ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হবে কারণ বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রকরা শনিবার থেকে এ বিক্ষোভে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া শিক্ষক সমিতি, ডাকবিভাগের কর্মীরা ও বেসামরিক কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা করছে।

প্যারিস পুলিশ প্রধান দিদিয়ের ল্যালেমেন্ত বলেন, সহিংসতা ও সম্পদ ধ্বংসের আশঙ্কায় ছয় হাজার পুলিশ কর্মকর্তা বিক্ষোভ চলাকালীন সময় দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া চ্যাম্পস এলিসিতে প্রেসিডেন্ট বাসভবন, সংসদ ও নটর ডেম ক্যাথড্রেলের আশেপাশে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর ‘ইয়েলো ভেস্ট’ বিক্ষোভ সহ অন্যান্য বিক্ষোভের তুলনায় এ ধর্মঘটটি আরো অস্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

ফ্রান্সের অবসরগ্রহণ ব্যবস্থাটি অনেক আগে থেকেই অলঙ্ঘনীয় হিসেবে বিবেচিত। ১৯৯৫ সর্বশেষ যখন সরকার এটিকে পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল তখন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক পরাজয় স্বীকার না করা পর্যন্ত তিন সপ্তাহের বিক্ষোভে দেশ স্থবির হয়ে গিয়েছিলো।খবর – ভয়েস অব আমেরিকা

শেয়ার