জয় দিয়ে প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশের

40 views

বার্তাবিডিডেস্ক নিউজ:

দীর্ঘদিন নির্বাসনের পর আবারো জাতীয় দলের ব্যাস্ততা শুরু হলো। গত বছর ১০ অক্টোবর কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল টিম বাংলাদেশ।

ঠিক ৫ মাস পর আবারো আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় দিয়ে সম্ভাবনার কথা জানান দিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ১-০ গোলে হারায় স্বাগতিকদের।

কম্বোডিয়া যাওয়ার আগেই কোচ বলেছিলেন, ম্যাচটা জিততে চাই। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছিলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে খেলছি। একটা জয় আশা করতেই পারি।

কথা রাখলেন কোচ, অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা। নমপেনের পনম পেন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে স্বাগতিক কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন রবিউল হাসান।

ম্যাচের প্রথম থেকেই ফুটবলারদের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে জমে উঠে খেলা। বার বার আক্রমণ করেও অবশ্য গোল পাচ্ছিল না কেউই। কিন্তু ৮৩ মিনিটে আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি স্বাগতিকদের গোলরক্ষক।

পাল্টা আক্রমণে মাঝ মাঠ থেকে লেফট উইংয়ে বল পান ১৬ নম্বর জার্সিধারী মাহবুবুর রহমান সুফিল। নাবীব নেওয়াজ জীবনের পরিবর্তে তাকে মাঠে নামান কোচ জেমি ডে। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসেন সুফিল। কম্বোডিয়ান এক ডিফেন্ডার তাকে থামানোর জন্য শরীরের সাথে লেগে থাকলেও সুফিল দারুণ দক্ষতায় বক্সের বাম পাশে এগিয়ে আসা মাহবুবুর রহমানকে পাস দেন।

চলমান বলে বাম পায়ের টোকা দেন মাহবুবুর রহমান আর তাতেই কাজ সারা। কম্বোডিয়ার গোলরক্ষকের মাথা এবং কাঁধের ফাঁক দিয়ে বল গিয়ে প্রবেশ করল কম্বোডিয়ার জালে।

ইতিহাসের হিসেবে কম্বোডিয়ার সঙ্গে আগের তিন সাক্ষাতে দুবারই জয় পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ জেতে ২-১ গোলে।

পরের বছর দিল্লিতে নেহরু কাপে ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচ। আর ২০০৯ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ জয় পায় ১-০ গোলে। আর আজকের জয় নিয়ে চার সাক্ষাতে মোট ৩বার জিতল বাংলাদেশ।