শ্যামের লাগিয়া !

184

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের (নারী) পরোকিয়া নিয়ে জনমনে মূখরুচোক নানা গুঞ্জন বইছে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। এদিকে শ্যামের লাগিয়ে ওই শিক্ষক তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে প্রধান রাস্তার ধারে এক ব্যবসায়ীর বাসায় ভাড়া উঠেছে, যার ভাড়া দিচ্ছেন ও দেখভাল করছেন প্রেমিক (শ্যাম) প্রধান শিক্ষক।

অন্যদিকে (আ) আদ্যাক্ষরের দুই শিক্ষকের পরোকিয়া নিয়ে অভিভাবক-শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকায় জনমনে আলোচনার ঝড় তুলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের সহকারী এক শিক্ষক বলেন, এই দুই শিক্ষকের পরোকিয়া শিক্ষক সমাজের সুনামক্ষুন্ন করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, নারী লোভী ওই শিক্ষক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তারই প্রতিষ্ঠানের সহকারী (নারী) শিক্ষকের সঙ্গে পরোকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দৈহিক সম্পর্কও স্থাপন করে। যদি হয় সূজন তেঁতুল পাতায় নয়, নইলে মান পাতাতে জায়গা হয় না সেই প্রবাদ বচনকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। এদিকে দুই শিক্ষকের পরোকিয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় সৃষ্টি ব্যাপক চাঞ্চল্য উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

স্থানীয়রা এই দুই শিক্ষকের পরোকিয়ার নাম দিয়েছে নয়া লাইলি নয়া মজনুর প্রেমকাহিনী কেউ কেউ বলছে পিরিতে মজিলে মন কিবা হাঁড়ি কিবা ডোম নইলে কি কেউ ঘরে বউ ও বিয়ের বয়সী অনার্স পড়–য়া মেয়ে রেখে অন্যর স্ত্রীর সঙ্গে পরোকিয়ায় লিপ্ত হয় এলাকার প্রায় প্রতিটি মানুষের মূখে মূখে এমন মূখরুচোক গুঞ্জন বইছে প্রতিনিয়ত মেলছে গুঞ্জনের ডালপালা।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের পাশে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ওই সহকারী শিক্ষক ভাড়া থাকতেন আর সেখানেই প্রধান শিক্ষকের ছিল অবাধ যাতায়াত প্রায় নিয়মিত ছিল প্রেমলীলা। এদিকে বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে প্রধান শিক্ষক ওই সহকারী শিক্ষকে বিয়ের প্রলোভন নিয়ে রঙ্গীন স্বপ্ন দেখায়। আর প্রধান শিক্ষকের রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর হয়ে সহকারী শিক্ষক তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে প্রধান রাস্তার ধারে ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানে বসবাস করছে। এবার কোনো বাধা ছাড়াই প্রধান শিক্ষক সেখানে অবাধ যাতায়াত শুরু করেন।

ওই সহকারী শিক্ষক তাকে বিয়ের জন্য প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপ দেয়। আর প্রধান শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে তার সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এদিকে প্রধান শিক্ষকের দেখানো রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওই সহকারী শিক্ষক তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে এইকুল-ওইকুল দুই কুল হারিয়েছে। কিšত্ত লোক সমাজ ও আত্মসম্মানের কথা বিবেচনা করে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে তবে হৃদয়ে রক্তরক্ষণ হচ্ছে বলে মানুষের মূখে মূখে আলোচনা রয়েছে।

শেয়ার