এমপি ফারুকের রাজনৈতিক সহাবস্থান জনমনে স্বস্তি ফিরেছে

70

আলিফ হোসেন, তানোর,রাজশাহী:
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় স্থানীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী রাজনৈতিক সহবস্থান সৃস্টি করে বিরল দৃস্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতে নির্বাচনী এলাকার জনমনে পরম স্বত্তি বিরাজ করছে সাধারণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে তাঁর গণজোয়ার। রাজশাহী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ তাকে কর্মী-জনবান্ধব এবং গণমানুষের নেতা আখ্যায়িত করেছে ও সাধারণের মধ্যে তাঁর আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, বিগত বিএনপি-জামায়াত চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে এই অঞ্চলের রাজনীতির ইতিহাস ছিল একেবারেই ভিন্ন সব সময় সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এলাকাকে অশান্ত করে রাখতেন। কিšত্ত আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরে স্থানীয় সাংসদের প্রচেস্টায় রাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টির ফলে একেবারে ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিগত দিনে বিএনপি-জামায়াত সহিংস রাজনীতির পথে হেঁটে এখানকার শান্তিময় পরিবেশ এক সময় অশান্ত করে তুলেছিল। কিšত্ত এমপি ফারুক চৌধূরী রাজনৈতিক সহবস্থান সৃষ্টি করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা সমস্যা রাজনৈতিক ভাবেই মোকাবেলা করেছেন কখানো সাধারণ মানুষকে নিয়ে কুটিল রাজনীতি করেননি। ফলে তিনি হয়তো সব মানুষের সব চাহিদা পূরুণ করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি তার দ্বারা নির্বাচনী এলাকার কোনো সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটাও তেমনি সত্য। এসব কারণে রাজশাহী অঞ্চলে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে এমপি ফারুক চৌধূরীর চেয়েও ব্যক্তি ফারুক চৌধূরী আরো বেশী জনপ্রিয়।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে রাজনৈতিক প্রতিযোগীতা বা বিভাজন নেই তা নয়, তবে বিভাজন থাকলেও তাতে সহিংস রুপ নেই। পক্ষান্তরে বিরোধী দলের ওপর সরকার দলের অত্যাচার ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোর সেই করুণ ইতিহাস এখন কেবলই দুঃসহ স্মৃতি। এলাকায় এখন বিরোধী দল বিনা বাধায় নির্বিঘেœ তাদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারছে। অথচ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে (তৎকালীন) বিরোধীদল আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের মূখে বছরের পর বছর পালিয়ে বেড়িয়েছে। মিথ্যা মামলায় বহু নেতাকর্মী মাসের পর মাস কারাবরণ করেছে। তাদের অনেকেরই নিকট আতœীয়-স্বজনের মূত্যুর পর জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আন্দোলন কর্মসূচি তো দুরের কথা বাঙালী জাতির জনক ও মহান স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও রমজানে ইফতারের অনুষ্ঠান করতে দেয়া হয়নি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের। অথচ বর্তমানে রাজপথের বিরোধী দলের কোনো নেতাকর্মী মিথ্যা মামলা কিংবা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। এরকম একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে অভ্যস্ত না হওয়ায় বিএনপি ক্ষমতায় না থেকেও দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দ্বল ও অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজমান রয়েছে। এই অঞ্চলে সুস্থধারা ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বত্বি বিরাজ করছে এবং এমপি ফারুকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধূরী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নিকট দিনবদলের যে প্রতিশ্র“তি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই প্রতিশ্র“তির বাস্তবায়ন করতেই তিনি রাজনীতিতে সুস্থধারা, সহবস্থান ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু করেছেন। এসব কারণে নিজ দলের জনবিচ্ছিন্ন ও সুবিধাবাদী একশ্রেণীর নেতাকর্মী ক্ষুব্ধ হলেও দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরম স্বস্তি বিরাজ করছে। তবে রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট ও অপব্যবহার করতে না পারায় আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর এসব নেতাকর্মী তুষ্ঠ হতে পারছে না। কিšত্ত দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুক চৌধূরীর পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিগত দিনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা টিআর, কাবিখা, কাবিটা, টেন্ডারবাজী, গভীর নলকুপ অপাটের ও অনিয়ম-দূর্নীতির করে রাতারাতি অগাধ ধনসম্পত্তি অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কিšত্ত এবার সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় দলের নেতাকর্মীরা এসব অনৈতিক কর্মকান্ড করতে পারছে না। এসব নেতাকর্মী সাংসদের কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট হতে না পারলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল, শুশিল সমাজ, সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ সাংসদের এই ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করছে এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে নির্বাচনী এলাকায় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। এলাকায় দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ ওমর ফারুক চৌধূরীকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। রাজশাহী অঞ্চলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব আবারো তার ওপর দিয়ে তাকে মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন করেছেন। #
তাকে মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন করেছেন।