খড়িবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত

84

আলিফ হোসেন,তানোর (রাজশাহী):
রাজশাহীর তানোর ও নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন থড়িবাড়ী হাট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাদাপুর খড়িবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় গ্রামীণ জনপদের অধিবাসিদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের (ছেলে-মেয়ে) মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। কিšত্ত দুঃখজনক হলেও সত্য বিদ্যালয়টি এখানো নানা সমস্যায় জর্জরিত। এখানো বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার, সীমানা প্রাচীর, শহীদ মিনার, মুক্তমঞ্চ ও টয়লেটসহ অনেক সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান করা গেলে এই বিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে আরো বেশি অবদান রাখতে পারবে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন।
জানা গেছে ,বিগত ১৮৬১ সালে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার নাচোল-চৌবাড়িয়া রাস্তার পার্শ্বে খড়িবাড়ী হাট সংলগ্ন সাদাপুর খড়িবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারি রয়েছে, প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির নিরলস পরিশ্রমের ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৩৫০ জন এসব শিক্ষার্থীর উপস্থিতি শতভাগ ও পাঁচ বছর ধরে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রায় শতভাগ অর্জন করে আসছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে বছর ৩৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই উত্তীর্ন হয় পাশের হার শতভাগ। শহর বা গ্রাম বলে কোনো কথা নয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সদিচ্ছা থাকলে যে কোনো স্থানে সুন্দর পরিবেশে সৃষ্টি ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা যায় সাদাপুর খড়িবাড়ী উচ্চ কিদ্যালয় তার দৃষ্টান্ত উদাহারণ। এই বিদ্যালয়ের সব চেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির নিবিড় পর্যবেক্ষন। গ্রামীণ জনপদের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য ইতমধ্যে বিদ্যালয়টি নিয়ামতপুর উপজেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করে অন্যদের কাছে মডেল হয়ে উঠেছে। প্রধান শিক্ষক প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্র্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করণের পাশপাশি শিক্ষকগণা ঠিকমত পাঠদান করাচ্ছেন কি না ? এবং শিক্ষার্থীরা নিয়মিত উপস্থিত থেকে মনোযোগ সহকারে শিক্ষা গ্রহণ করছেন কি না ? ইত্যাদি বিষয়ে গর্যবেক্ষন করেন, ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদানে ফাঁকি দেয়ার কোনো সুযোগ নাই। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়গামি করতে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জানা গেছে, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগীতা, চিত্রাঙ্কন, খেলা-ধূলার ও বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন করাঢ একদিকে শিক্ষার্থীরা যেমন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ অন্যদিকে সৃজনশীল ও মননশীল হিসেবে গড়ে উঠছে। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি শ্রী নারায়ন চন্দ্র প্রামানিক বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব, সীমানা প্রাচীরসহ কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে তিনি এই বিদ্যালয়কে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চান, আর এজন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।