এক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, পাঁচ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

83 views

বার্তাবিডিডেস্ক নিউজ:

ময়মনসিংহ এক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে গৌরীপুর থানার চার এএসআই ও এক পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহারের পর ওইদিন রাতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তারা হলেন- গৌরীপুর থানার এএসআই আব্দুল আউয়াল, রুহুল আমিন, আনোয়ার হোসেন, কামরুল ও কনস্টেবল আল আমিন।

স্থানীয়রা জানান, বলুহা গ্রামের আব্দুল কদ্দুছের ছেলে বর্ষা টেলিকমের মালিক খোকন মিয়া ইয়াবা বিক্রি করেন, এ তথ্যের অভিযোগে রোববার রাতে রামগোপালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তার দোকানে গৌরীপুর থানার এএসআই আব্দুল আউয়াল, রুহুল আমিন, আনোয়ার হোসেন, কামরুল ও কনস্টেবল আল আমিন সিভিল ড্রেসে তল্লাশি শুরু করে ইয়াবার একটি পোটলা খুঁজে পান। এর  প্রতিবাদ জানালে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাকে মারধর করেন পুলিশ সদস্যরা।

তারা আরো জানান, একজন ভালো মানুষকে মাদকদ্রব্য দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও মারধরের ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনগণ পুলিশদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় এসআই রহুল আমিন ও কামরুল পালিয়ে গেলেও বাকি তিন পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় অটোটেম্পু মালিক সমিতির ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ওইদিন রাত সাড়ে ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ হয়। পরে রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে জনতার হাতে অবরুদ্ধ হওয়া তিন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করেন এএসপি (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকীসহ অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা।

বর্ষা টেলিকমের মালিক খোকন মিয়া বলেন, ঘটনার দিন রাতে পাঁচজন পুলিশ আসেন দোকানে মোবাইলে টাকা লোড করতে। এসময় একজন তাকে বলেন সাইড দাও আমরা তোমার দোকান তল্লাশি করব।

তল্লাশির নামে দোকানের সিসি ক্যামেরার চার্জার খুলে ফেলে। তখন সিসি ক্যামেরা ওপেন করে তল্লাশির জন্য পুলিশদের অনুরোধ জানাই। পুলিশ দোকানে তল্লাশি শুরু করে।এর প্রতিবাদ করায় পুলিশ আমাকে মারধর করে।

এক পুলিশ দোকানের সামনে কাউন্টারে রাখা ইলেকট্রনিক তারের কয়েলের ভেতর থেকে প্লাস্টিকে মুড়ানো ইয়াবা বের করে এনে আমার হাতে হাতকড়া পড়ান।