তানোরে স্লীপ বরাদ্দের টাকা তছরুপ

54 views

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লীপ বরাদ্দের টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ শিক্ষাবান্ধব সরকার তাই শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মাণ বাড়াতে শ্রেণি কক্ষ থেকে শুরু করে টয়লেট, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও বিদ্যালয় মেরামত বাবদ স্লীপ প্রকল্পে বিদ্যালয় প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে এসব অর্থ ব্যয় করার বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। জানা গেছে, তানোরে চলতি অর্থবছরে ১২৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে স্লীপ প্রকল্পের বিদ্যালয় প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে এসব অর্থ ব্যয়ে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা বলা হয়েছে। কিšত্ত জুন মাস পেরিয়ে গেলেও সিংহভাগ বিদ্যালয় এখানো কোনো কাজই করেনি তবে বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করে নিয়েছে। এতে বরাদ্দের পুরো টাকা তছরুপের আশঙ্কা করছে স্খানীয় অভিভাবক মহল।

স¤প্রতি সরেজমিন উপজেলার কাঁমারগা ইউপির ছাঐড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাংহাটি, কচুয়া, শ্রীখন্ডা ও বাতাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাঁচন্দর ইউপির যশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চকপাড়া, গুড়ইল, যোগীশো ও কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাধাইড় ইউপির গোয়ালপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হাপানিয়া, বহরইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে স্লীপের ৫০ হাজার টাকার দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন কাজ চোথে পড়েনি। স্থানীয় অভিভাবক মহলের অভিযোগ,সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশ করে স্লীপ বরাদ্দের টাকা তছরুপ করেছেন।

সরেজমিন অনুসন্ধান করলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তারা দাবি করেন। তানোরের গাংহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন,স্লীপ বরাদ্দের টাকা প্রধান শিক্ষকের কাছে আছে, তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে কাজ করার কথা থাকলেও এখানো কোনো কাজ করা হয়নি টাকা প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি পিযূষ কান্তি চৌধূরী বলেন, সবেমাত্র টাকা উত্তোলন হয়েছে এখন ধীরে ধীরে দেখেশুনে কাজ করা হবে। তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে কাজ করার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই, আর অর্থ তছরুপের তো কোনো প্রশ্নই উঠে না। এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জোবাইদা খানম বলেন, কারো বিরুদ্ধে সুনিদ্রিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।