সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের অবস্থান কর্মসূচি পালন

37 views

মুহা: জিললুর রহমান,সাতক্ষীরা :
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ২১ জন সিনিয়র সাংবাদিকের নামে সদর থানায় মিথ্যে মামলা হওয়ায় মামলার আসামি সাংবাদিকরা স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তারের দাবি নিয়ে সদর থানা চত্বরে অবস্থান ধর্মঘট করছেন। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদের নেতৃত্বে সাংবাদিকরা এই অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণকারি অন্যান্যরা হলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সুভাষ চৌধূরী, আনিসুর রহিম, সহ-সভাপতি আশেক ই এলাহী, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কারুজ্জামান,মুহা: জিললুর রহমান, ইয়ারব হোসেন, আব্দুস সামাদ, আব্দুল জলিল, আমিরুজ্জামান বাবু, এম জিললুর রহমান, আব্দুল গফুর, আসাদুজ্জামান সরদারসহ ২১ জন। এসময় সাংবাদিকরা দীর্ঘ নাটকীয়তা শেষে তাদের নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাজানো মামলা হওয়ায় স্বেচ্ছায় গ্রেপ্তার হওয়ার দাবি নিয়ে থানা চত্বরে অবস্থান ধর্মঘট করছেন। তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি জিএম নূর ইসলাম, রুহুল কুদ্দুস, দৈনিক সাতনদী পত্রিকার সম্পাদক হাবিবুর রহমান, প্রথম আলো সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিকগণ।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু আহমেদ বলেন, গত ৩০ মে দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সশস্ত্র হামালা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপি বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৯নং মামলা করেন। মনিরুজ্জামান তুহিন নামের এক সন্ত্রাসী এবং মামলার আসামি গতকাল সোমবার সাতক্ষীরা সদর থানায় ৫ নং একটি মিথ্যে মামলা করে। এ মামলায় আমাকে সহ আসামি করা হয় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সুভাষ চৌধূরী, আনিসুর রহিম, সহ-সভাপতি আশেক ই এলাহী, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কারুজ্জামান, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন, আব্দুস সামাদ, আব্দুল জলিল, আমিরুজ্জামান বাবু, এম জিললুর রহমান, আব্দুল গফুর, আসাদুজ্জামান ও আসাদুজ্জামান সরদারসহ ২১ জন সাংবাদিককে। মামলাটি রেকর্ড হওয়ার পর আমাদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর থানা চত্তরে অবস্থান ধর্মঘট করা হবে বলে তিনি জানান।
একই কথা বলেন, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সুভাষ চৌধুরী, আনিসুর রহিম, এম কামরুজজ্জামান, আশেক ই এলাহী, কল্যাণ ব্যানার্জী, জিএম নূর ইসলাম, হাবিবুর রহমান সহ প্রমুখ। বক্তারা এসময় স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধির নাম উচ্চারণ করে বলেন, তিনি সাতক্ষীরায় নব্য জয়নাল হাজারী সেজে সাংবাকিদের লেখনি বন্ধ করতে চান। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব দখল করতে তিনি নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছেন। সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা আজ নিরাপত্তাহীনতায়। সাংবাদিকরা তাদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নেই। পুলিশ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নাটক করছে। বক্তারা বিষয়টি সরকারের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।