উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ময়না-জাহাঙ্গীর এগিয়ে চলেছে

18

আলিফ হোসেন,তানোর:
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি সংসদীয় আসনের নিবাচনী এলাকায় উপজেলা নির্বাচনে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এমপি ফারুক চৌধূরীর রাজনৈতিক দূরদর্শীতায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আদর্শিক ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এদিকে নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের মহপরিকল্পনা ঘোষণা দিয়ে উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে চলেছে এই দুই তরুণ নেতৃত্ব। আগামী দিনে তাদের হাতেই নেতৃত্ব নিরাপদ থাকবে তাই তারাই আগামী দিনে নেতৃত্ব আসছেন বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে তাদের বিজয় ঠেকাতে ব্যর্থ ও তাদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে এমপি ফারুকবিরোধী শিবিরের কেচ্ছা খতম বা অশুর বধ হয়েছে বলে মনে করছে তৃষমূল। এদিকে এমপি বিরোধীদের কেউ কেউ আবার বিভ্নি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিশেষের কাছে থেকে ধার-দেনা, বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেয়ার নামে, চাকরি ও গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের প্রতিশ্র“তি দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেও এমপি তথা আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীর বিজয় ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের মাথায় বাজ পড়েছে, দেখা দিয়েছে হতাশা অনেকে মনোবল ও অর্থ হারিয়ে রীতিমত দিশেহারা হয়ে রাজনীতিতে রণেভঙ্গ দিয়েছে, কেউ আবার পাওনাদারের ভয়ে আতœগোপণ করেছে। তৃণমূলের ভাষ্য, উপজেলা নির্বাচনের পর এমপি ফারুকবিরোধীরা দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণের তোপের মূখে পড়ে গণ-দুশমনে পরিণত হয়ে নিজ ঘরে পরবাসী বা বাঁবুইভেঁজা হয়ে পড়েছে। কারণ এমপির কাছে গেলে ট্যাকাম আর মাঠে নামলে তৃণমূলের গণধাওয়া তাদের নিয়তির লেখায় পরিণত হয়েছে বলে তৃলমূল মনে করছে।
জানা গেছে, রাজশাহী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমপি ফারুকের কোনো বিকল্প নাই এখানো তাঁর বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি সেই সম্ভবনাও নাই। মূলত তাকে ঘিরেই তানোর-গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে। অথচ একাদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শুরু থেকে মনোনয়ন পাবেন না এটা নিশ্চিত হয়েও জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় একটি কুচক্রী স্বার্থান্বেষী মহল এমপি ফারুক চৌধূরীর বিরোধীতা করে এমপি বিরোধী বলয় সৃষ্টির নামে দলীয়কোন্দল সৃষ্টি করেছে। আবার এমপি ফারুকের মনোনয়ন ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে মনোনয়ন ঠেকাতে পারেনি, বিজয় ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে বিজয় ঠেকাতে পারেনি, এমপির পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ নস্ট করতে তার বিরুদ্ধে মাদক পৃষ্ঠপোষক, রাজাকার পুত্র, জামায়াত-বিএনপিপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য ইত্যাদি মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগ উঙ্খাপন করেও এমপি ফারুকের জনপ্রিয়তার কাছে তাদের সব কৌশল পরাজিত হয়েছে। এদিকে এতো কিছুর পরেও ওই কুচক্র মহল এমপি ফারুকের পিছু ছাড়েনি সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে তারা এমপি তথা দলের মনোনিত প্রার্থীর বিজয় ঠেকাতে জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতা ও অর্থিক শুবিধার বিনিময়ে বিজয়ী হতে পারবেন না এটা নিশ্চিত হয়েও উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাদেরই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী করে এবারো পরাজিত হয়েছে। আর উপজেলা নির্বাচনে এমপি ফারুকের মনোনীত প্রার্থীদের নিরুঙ্কুশ বিজয়ের পর কুচক্রী মহলের হুশ ফিরেছে, তারা এখন বলছে, আসলে রাজনীতিতে নেতা, নেতৃত্ব ও মূলধারার বাইরে গিয়ে সফল হওয়া যায় না। লাইনচ্যুত ট্রেন যেমন বেশিদুর যেতে পারে না তেমনি রাজনীতিতে মুল ধারার বাইরে গিয়ে বা কর্মী-জনবান্ধব আদর্শিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রগান্ডা ছড়িয়ে বেশি দুর যাওয়া যায় না। অপরদিকে তাদের হুশ ফেরার অগেই অনেকে সর্বস্ব খুঁইয়ে পথে বসেছে, কেউ আবার জাতীয় বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক উপাধী নিয়ে গণ-দুশমনে পরিণত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে, আবার কারো পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে। ফলে এরা এখন এমপি ফারুকের কাছে ফিরতে ব্যাকুল হলেও এমপি তাদের ডাকছে না তবে তারা নিজেরাই অনেক আগেই তাদের সেই পথ তারা নিজেরাই রোহিত করেছেন বলে তৃণমূলের অভিমত। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, উপজেলা নির্বাচনে এমপি তথা আওয়ামী লীগের বিশস্ত এবং আদর্শিক দুই সৈনিক ময়না ও জাহাঙ্গীর আলমের বিজয়ের মধ্যে দিয়ে এমপিবিরোধী শিবিরের পতন ঘটেছে তাদের রাজনীতির আকাশে কালো মেঘে ছেয়ে গেছে রাজনীতিতে তাদের আর ভাল কিছু করার কোনো সুযোগ নাই তারা এখন নিজ ঘরে পরবাসী।

শেয়ার