গলায় সাংবাদিকের কার্ড ঝুঁলিয়ে ডাকাতি!

145

 

ডেস্ক নিউজ:নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার একটি ডাকাতির ঘটনায় সাতজন ডাকাত দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের মুখেই সর্দারের নাম পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের নয়জন ডাকাতের সর্দার রূপগঞ্জ উপজেলার ফটো সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন। তার নির্দেশে দীর্ঘদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি চলছে। ডাকাতি করা লুটের মালামাল দুই ভাগে ভাগ করে এক ভাগ নেয় সর্দার আর এক ভাগ নেয় দলের সবাই।

একইভাবে ১৬ জুন রাতে সোনারগাঁও উপজেলার সম্ভুপরা গ্রামের মুনজুর রহমানের বাড়িতে ডাকাতি করা হয়। লুটে নেয়া হয় নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ ১৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকার মালামাল।

এ মামলার তদন্তকারী অফিসার সোনারগাঁ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, মোহাম্মদ হোসাইনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মোহাম্মদ হোসাইন রূপগঞ্জ উপজেলার বরপা আটিপাড়া এলাকার মৃত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে।

তিনি দৈনিক দেশ পত্রিকার রূপগঞ্জ উপজেলার ফটো সাংবাদিকের পরিচয়(প্রেস কার্ড) দিয়ে গলায় ক্যামেরা ঝুলিয়ে দিনের বেলায় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায় এবং ডাকাতি করার স্থান নির্ধারণ করেন। এরপর গভীর রাতে গাড়িতে সাংবাদিক স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন লোকজনের বাড়িতে হানা দেয়। লুটে নেয় সর্বস্ব।

এ বিষয়ে এসআই আরো জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের দলের একজনকে গ্রেফতার করি। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বেরিয়ে আসে সোনারগাঁসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য। তারপর একে একে ডাকাত সর্দার মোহাম্মদ হোসেনসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। অপর ডাকাতদেরও গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

অপরদিকে রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল আলীম জানান, মোহাম্মদ হোসেন নামে আমাদের উপজেলায় কোনো সাংবাদিক নেই। আর আমাদের উপজেলার সাংবাদিকরা প্রত্যেকেই পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করেন।