প্রধান শিক্ষকের পরোকিয়ায় সহকারী শিক্ষকের সর্বনাশ !

211

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোর পৌরসভা এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের নারী লোভী প্রধান শিক্ষকের পরোকিয়ায় তারই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকের ঘর ভেঙ্গেছে হয়েছে সর্বনাশ। স্থানীয়রা জানায়, নারী লোভী ওই প্রধান শিক্ষক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তারই প্রতিষ্ঠানের সহকারী (নারী) শিক্ষকের সঙ্গে পরোকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দৈহিক সম্পর্কও স্থাপন করে। যদি হয় সূজন তেঁতুল পাতায় নয়, নইলে মান পাতাতে জায়গা হয় না সেই প্রবাদ বচনকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে এই দুই শিক্ষকের অলোচিত পরোকিয়া। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে তানোর পৌরসভার তালন্দ এলাকায় বলে গুঞ্জন বইছে। এদিকে দুই শিক্ষকের পরোকিয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় সৃষ্টি ব্যাপক চাঞ্চল্য উঠে সমালোচনার ঝড়। স্থানীয়রা এই দুই শিক্ষকের পরোকিয়ার নাম দিয়েছে নয়া লাইলি নয়া মজনুর প্রেমকাহিনী কেউ কেউ বলছে পিরিতে মজিলে মন কিবা হাঁড়ি কিবা ডোম নইলে কি কেউ ঘরে সুন্দরী বউ ও বিয়ের বয়সী অনার্স পড়–য়া মেয়ে রেখে অন্যর স্ত্রীর সঙ্গে পরোকিয়ায় লিপ্ত হয় মানুষের মূখে মূখে এমন মূখরুচোক গুঞ্জন প্রতিনিয়ত ডালপালা মেলছে।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে ওই সহকারী শিক্ষক ভাড়া থাকতেন আর সেখানেই প্রধান শিক্ষকের ছিল অবাধ যাতায়াত প্রায় নিয়মিত ছিল কৃষ্ণলীলা। এদিকে বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে প্রধান শিক্ষক ওই সহকারী শিক্ষকে বিয়ের প্রলোভন নিয়ে রঙ্গীন স্বপ্ন দেখায়। আর প্রধান শিক্ষকের রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর হয়ে সহকারী শিক্ষক তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে এক কাঠ ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করে। এবার কোনো বাধা ছাড়াই প্রধান শিক্ষক সেখানে অবাধ যাতায়াত শুরু করেন। কিšত্ত ওই সহকারী শিক্ষক তাকে বিয়ের জন্য প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপ দেয়। আর প্রধান শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে তার সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এদিকে প্রধান শিক্ষকের দেখানো রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওই সহকারী শিক্ষক তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে এইকুল-ওইকুল দুই কুল হারিয়ে অনেকটা মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। কিšত্ত লোক সমাজ ও আতœসম্মানের কথা বিবেচনা করে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিবাদ করতে পারছে তবে হৃদয়ে রক্তরক্ষণ হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর মূখে মূখে আলোচনা রয়েছে।