মহেশপুরে ছাত্রীকে পিটিয়ে আহত:লিখিত অভিযোগ

76

শহিদুল ইসলাম,মহেশপুর ঝিনাইদহ:ঝিনাইদহের মহেশপুরে জিন্নানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী লিমা খাতুনকে মারপিট করে আহত করেছে একই বিদ্যালয়ে পড়ুয়া নবম শ্রেনীর সোনালী নামের এক ছাত্রী।
তবে কি কারনে ঐ ছাত্রীকে মারপিট করে জখম করা হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকরের সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনায় ১৭ই অক্টোবর ছাত্রী লিমা খাতুন বাদী হয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রশাসন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে মহেশপুর উপজেলার কাজীরবেড় ইউপির ছয়ঘরিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা ইউপির জিন্নানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী লিমা খাতুন (১৪) গত ১৫ই অক্টোবর সকাল ৯ ঘটিকায় স্কুলে পৌছে তার ক্লাসরুমে অবস্থান করা কালিন একই বিদ্যালয়ে পড়ুয়া নবম শ্রেনীর ছাত্রী সোনালী খাতুন তাকে বাথরুমে ডেকে নিয়ে তার মুখ, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেদম মারপিট করে জখম করে গলায় ফাঁস লাগাতে যায়। এতে লিমা খাতুনের দুটি চোখে আঘাত পেয়ে রক্ত জমাট বেঁধে গেছে। এসময় লিমার ডাক চিৎকারে অন্যান্ন ছাত্র-ছাত্রীরা ছুটে আসলে সোনালী তখন স্কুল ছেড়ে পালিয়ে যায়। সোনালী খাতুন একই ইউপির ঝিকটিপোতা গ্রামের আক্তার হোসেনর কন্যা। এসময় ছাত্র-ছাত্রীরা লিমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ডাক্তার নিয়ে চিকিৎসা করাই। তার শরীরে প্রচন্ড ব্যথা হওয়ায় পরদিন ১৬ই অক্টোবর পার্শবর্তি জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমান লিমা খাতুন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এব্যাপারে লিমা খাতুন বাদী হয়ে গত ১৭ই অক্টোবর সোনালী খাতুনের বিরুদ্ধে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ- উম্মে হাবিবা রুনু এর নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, ঘটনার সময় আমি স্কুলে ছিলাম না, তবে সব ঘটনায় শুনেছি। এব্যাপারে লিমার পিতা আমার নিকট আসছিল। বিষয়টি দ্রত নিরশন ও সঠিক বিচার পাবার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। কারণ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হচ্ছে মান্যবর জেলা প্রশাসক।

শেয়ার