সান্তাহার জংশন স্টেশনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ে দুর্ভোগে যাত্রীসাধারণ

37

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করতে আসা মানুষ ঈদ শেষে আবার ফিরছে কর্মস্থলে। ঈদের পর থেকে সান্তাহার জংশন ষ্টশনে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপচে পরা ভিড় দেখে গেছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকামুখী মানুষর সংখ্যা বেশী। ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী উঠার কারনে আন্তঃনগর লালমনি এক্স্রপ্রেস ট্রেনের ২টি বগির স্পেরিং দেবে যাওয়ায় সান্তহার জংশন ষ্টেশনে ২ঘন্টা ট্রেনটির বিলম্ব ঘটেছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারনে ঝুকিতে ট্রেনটি চলানো হয়।

জানাযায়, ঈদের পর থেকে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ঢাকামুখী মানুষের উপচে পরা ভিড় দেখাগেছে। ফলে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ট্রেনের টিকেট কাটতে ও হিমশিম খেতে হচ্ছে। টিকিটের নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা দিয়ে কালোবাজারিদের কাছ থেকে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করছে অনেকেই। স্থানীয় রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত শনিবার থেকে সান্তাহার-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনযাত্রীদের চাপ বেড়েছে।

ঢাকাগামী ট্রেনের ভিতরে কোন জায়গা না থাকায় রেলওয়ের ওভার ব্রিজ ব্যবহার করে জীবনের ঝুকি নিয়ে ছাদে ওঠছে অনেকে। ছাদে পুরুষ যাত্রীদের পাশাপাশি নারীদেরকে ও ট্রেনের ছাদে ঝুকি নিয়ে ভ্রমন করতে দেখে গাছে। সান্তাহার ষ্টেশনেএমন চিত্র চলছে গত কয়েকদিন ধরে। সান্তাহার জংশন স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট চাইলেই বলা হচ্ছে সিট নেই। অথচ একশো থেকে দুই শো টাকা দিলেই সিট নাম্বারকৃত টিকিট মিলেছে বলে যাত্রীরা জানন। কাউন্টারের আশেপাশেই কালোবাজারে টিকিট বিক্রি করা হয় বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

সান্তাহার জংশন ষ্টেশনে প্রায় সব ট্রেনগুলোর টিকেট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। গত কয়েক দিন ধরে টিকিট কাউন্টারের পাশের্^য় প্রকাশ্যে দ্বিগুণ দামে ঢাকা ও খুলনাগামী ও ট্রেনের টিকেট বিক্রি করা হলেও এ বিষয়ে রেল বিভাগের পক্ষথেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়না। এছরাও ট্রেন যাত্রীদের ভিড়ের কারনে ঝুকিতে ট্রেন চলাচল করছে। যে কোন সময় ট্রেন দুর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রীর কারনে এমন আশংকা দেখা দিয়েছে।

দুর্ঘটনা এরাতে ট্রেনের গতি কমিয়ে চলাচল করার করনে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে বলে রেলের পক্ষথেকে বলা হয়। জানাগেছে। সান্তাহার জংশন থেকে ঢাকাগামীসহ সকল ট্রেন ৮- ১০ ঘন্টা বিলম্বে চলাচল করছে। ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী উঠার কারনে শনিবার আন্তঃনগর লালমনি এক্স্রপ্রেস ট্রেনের বগির স্প্রেরিং দেবে যাওয়ায় সান্তহার জংশন ষ্টেশনে ২ঘন্টা ট্রেনটির বিলম্ব ঘটে। পরে ছাদ থেকে যাত্রী নেমে দিয়ে ২ ঘন্টা পর ডাকার উদ্যেশ্যে ছেড়ে যায়। এ ব্যাপরে সান্তাহার স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম ডালিম বললে বলেন অতিরিক্ত যাত্রী উঠার কারনে লালমনি এক্স্রপ্রেস ট্রেনের বগির ¯েপ্ররিং দেবে যায়। পরে ছাদ থেকে যাত্রী নামিয়ে ২ঘন্টার ট্রেনটি ঢাকার উদ্যশ্যে ছেড়ে যায়।