Breaking News

গোদাগাড়ীতে তারেকের বিক্ষোভ নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া  ? 

আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী)এই ভিআইপি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ভিআইপি মর্যাদা সম্পন্ন হেভিওয়েট নেতৃত্ব  মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।তিনি বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক ডাক মন্ত্রী ও অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই।
এছাড়াও তিনি ছিলেন সহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমা নের নিরাপত্তা প্রধান, বিএনপি চেয়ার পার্সন বেগম খালে দা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবার অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে রাজনীতিতে মেজর জেনারেল অবঃ শরি ফ  উদ্দিনের আত্মপ্রকাশ।
জানা গেছে, চাকরি জীবনে তিনি ২০০৩ সালের ১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাপত্র। ১৯৯৭ সালের ২৮ জুলাই জা তিসংঘ পদক।
১৯৮৫ সালের ২০ জুলাই নিরাপত্তা পদক। ১৯৮৭ সালের ৮মে জৈষ্ঠতা পদক।
১৯৮৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্লাবন পদক। ১৯৮৯ সালের ১ আগষ্ট দাবানল পদক।১৯৯১ সালের ৩০ এপ্রিল ঘুর্ণি ঝড় পদক।
১৯৯৬ সালের ১৩ এপ্রিল সিলভার যুবলী পদক। ১৯৯৭ সালের ২০ জুন দ্বিতীয়বার জৈষ্ঠতা পদক। ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল সংসদ নির্বাচক পদক। ১৯৯৮ সালের ২৭ এপ্রি ল সুবর্ণ জয়ন্তী পদক।
১৯৯৮ সালের ১৭ মার্চ সংসদ নির্বাচক পদক (দ্বিতীয়) এবং ১৯৯৮ সালের ১৭ মার্চ রক্তদাতা পদক অন্যতম।
অথচ বিএনপির রাজনীতি করার অপরাধে  শরিফ উদ্দি নকে বাধ্যতামুলক অবসরে পাঠায় আওয়ামী লীগ সর কার।
অথচ শরিফ উদ্দিনের মতে মর্যাদা সম্পন্ন হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার ও নিজের মনোনয়নের দাবি তে এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক গোদাগাড়ীতে আগু ন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ  ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছেন।
এদিকে তারেকের করা বিক্ষোভ সমাবেশ নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বইছে মুখরোচক নানা গুঞ্জন, প্রতিনিয়ত গুঞ্জনের ডালপা লা মেলছে।
অনেকে বলছে, এরা কি দলের ভালো চাই, যদি ভালো চাইতো তবে দল, নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিতো।
রাজশাহী-১ আসনে তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলায় ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) রয়েছে। এদিন সুলতানুল ইসলাম তারেকের বিক্ষোভ সমাবেশে এই ২০টি ইউনিটের বিএনপির দায়িত্বশীল কতজন নেতা কর্মী ছিলেন ?
তাহলে তিনি কাদের নিয়ে বিক্ষোভ করলেন ? মনোনয়ন ঘোষণার এতোদিন পরে হঠাৎ করে তিনি কেনো এমন বি ক্ষোভ করলেন ? এই বিক্ষোভের উদ্দেশ্যে কি ? ইত্যাদি হাজারো প্রশ্ন উঠেছে নেতাকর্মীদের মনে।
এদিকে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা বলছে, সুলতানুল ইসলাম তারেকের বিক্ষোভ করা এটা বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল ও তারেক জিয়াকে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ চ্যালেন্জ করার সামিল। কারণ মনোনয়ন দেন নীতিনির্ধারণী মহল, মনো নয়ন বোর্ড ও দলীয় প্রধান।
তাহলে যিনি মনোনয়ন পান তিনি বিএনপি বা তারেক জিয়ার মনোনিত ব্যক্তি, তিনি তো সেই এলাকার জনগ ণের কাছে তারেক জিয়ার মনোনিত প্রতিনিধি তায় নয় কি ?
যদি সেটা হয়, তাহলে সুলতানুল ইসলাম তারেকের করা বিক্ষোভ সমাবেশ  প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দল ও দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধে নয় কি ? দলের আদর্শিক কেউ নৈতিকভাবে এটা করতে পারেন কি ? যিনি দলের নীতিনির্ধারণী মহল বা দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত মানেন না তিনি তো দলের আদ র্শিক নেতা হতে পারেন না।
এছাড়াও বিক্ষোভ সমাবেশ করে যদি এক জনের মনো নয়ন বাতিল করে অন্যজন মনো নয়ন পায়, তাহলে দ লের চেইন অব কমান্ড বলে কিছু থাকে না।
এটা হলে সবা ই দলীয় সিদ্ধান্ত অম্যান্য করে বি ক্ষোভ সমাবেশ করতে মরিয়া হয়ে উঠবে।তাহলে দলের চেইন অব কমান্ড বলে কিছু থাকবে না।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, বিএনপি হলো আমজনতা নির্ভর ও দেশের সর্ববৃহত এবং সব চাই তে বেশী জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, ৯০ গণআন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লবসহ দেশের যতো অর্জন-উন্ন য়ন এই দলের নেতৃত্বেই এসেছে।
বিএনপির বিরোধিতা ও বিএনপি থেকে বেরিয়ে এসে অ নেক হেভিওয়েট নেতা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে ছে। তাহলে তারেকের মতো একজন নেতা কি বিবেচ নায় একের পর এক দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অব স্থান নেয়।
তার খুঁটির জোর কোথায় ? এর নেপথ্যের মদদ দাতাই বা কারা ? তবে কি তিনি দলীয় প্রধানের থেকে ক্ষমতাধর বা শক্তিশালী, যদি সেটা না হয় তাহলে এখানো কেনো তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না ইত্যাদি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে।
অন্যদিকে এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক ধানের শীষে র মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে যে অব রোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। সেটা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দলীয় প্রধানের বিরুদ্ধেই যায়।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, ধানের শীষ প্রতিকের মালিক আপোষহীন নেত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি যাকে যো গ্য মনে করেছেন তাকেই ধানের শীষ  প্রতিক দিয়েছে ন এটা নিয়ে দ্বিমতের কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য, জেলা, উপ জেলা বা যে কোনো পর্যায়ের নেতার কোনো হাত নেই।
স্থানীয়রা বলছে, দলীয় প্রধানের মনোনিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া মানে দলের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়া বা দলী য় প্রধানকে চ্যালেন্জ করা।
অন্যদিকে যে ব্যক্তি দলের আদ র্শ ধারণ করে না,দলীয় সিদ্ধান্ত বিশ্বাস করে না ও মানে না,তাকে দল কি বিবে চনায় বিশ্বাস করবে ?
কারো মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভি যোগ তুলে ধরে দলের নীতিনির্ধারণী মহলের কাছে আবে দন করা যেতেই পারো।কিন্ত্ত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ বিক্ষোভ-সমাবেশ করা দলের গঠনতন্ত্র ও নীতি-আদর্শ বহির্ভূত কাজ।
যারা এসব করতে পারে তাদে র হাতে দল নিরাপদ নয় বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মু ঠোফোনে কল গ্রহণ না করায় এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেকের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।#

About admin

Check Also

চৌগাছায় বেগম রোকেয়া দিবসে অদম্য নারীদের সম্মাননা

চৌগাছা প্রতিনিধি:ঃ যশোরের চৌগাছায় বেগম রোকেয়া দিবসে অদম্য নারী দের সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও সার্টি …