গ্রেফতার হলো রিয়ার ভাই, ফেঁসে যাচ্ছেন রিয়াও!

0

বিনোদন ডেস্ক:সুশান্ত মামলায় শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই সক্রিয় ছিল এনসিবি। ওই দিন রিয়া চক্রবর্তী এবং স্যামুয়েল মিরান্ডার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালান এনসিবির কর্মকর্তারা। এরপরই সৌভিক ও স্যামুয়েলকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এর মধ্যেই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কেইজান ইব্রাহিম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। তারপরই সৌভিক ও স্যামুয়েলকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। এর আগেই মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আবদুল বসিত, জায়েদ ভিলাত্রাকে ।

দু’জনকেই ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হেফাজতে নিয়েছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। এনসিবি সূত্রের খবরে পাওয়া গেছে, জেরার মুখে দু’জনেই সৌভিক চক্রবর্তী ও মিরান্ডার সঙ্গে তাদের যোগাযোগের কথা স্বীকার করে নেয়।

, সুশান্তের মৃত্যুর ৩ দিনের মাথাতেও নাকি ওই দুজনের নির্দেশে একজন ১০ গ্রাম মাদক পৌঁছে দিয়েছিলেন কোন এক জায়গায়। পরে ফোন নম্বর লোকেশন ট্র্যাক করেও সেই প্রমাণ মিলেছে।

শোনা গিয়েছে, প্রায় ৪-৫ জন মাদক কারবারির সঙ্গে সৌভিকের সম্পর্ক ছিল। রিয়া নাকি তার ভাই সৌভিককে দিয়ে নিজের বাড়িতে সবসময়েই যথাযথ পরিমাণে মাদকদ্রব্য সঞ্চিত রাখতেন। এমনকি, স্যামুয়েল ও সৌভিককে নিয়ে সুশান্তের বাড়ির ছাদে বসে রিয়াকে মাদক নিতে দেখা গিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে, কিছুদিন আগে এক ভারতীয় বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সুশান্ত মামলাকে খুনের ঘটনার বদলে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে সিবিআই। তার জেরে প্রথমবারের মতো সুশান্ত ইস্যুতে বিবৃতি দিয়েছে সিবিআই।

  1. সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেশাদারভাবেই সুশান্ত মামলার তদন্ত করা হচ্ছে। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে তথ্য বাইরে প্রকাশ করা হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here