প্রিয়াঙ্কার দেওয়া ওষুধ খাওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই সুশান্তের মৃত্যু!

0

বিনোদন ডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে রিয়া চক্রবর্তীকে জোর কদমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো।

স্যামুয়েল মিরান্ডা, সৌভিক চক্রবর্তীর পাশাপাশি আর কাকে দিয়ে সুশান্তের জন্য রিয়া মাদক আনাতেন! এমন প্রশ্ন যখন করা হচ্ছে অভিনেত্রীকে। রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এবার প্রকাশ্যে এল নতুন খবর।

সুশান্তের প্রেমিকা রিয়ার চক্রবর্তী অভিযোগ, নকল প্রেসক্রিপশন বানিয়ে সুশান্তকে ওষুধ দিতেন তার দিদি। ভুয়ো প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমেই তাকে মানসিক অবসাদের জন্য এমন কিছু ওষুধ দেওয়া হচ্ছিল যা বৈধভাবে কখনোই কেনা সম্ভব নয়। এই নিষিদ্ধ ওষুধ খাওয়ার পাঁচদিনের মধ্যেই সুশান্তের মৃত্যু হয়।

এই প্রেসক্রিপশনেই সুশান্তকে দিল্লির রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালের ‘আউট পেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট’র রোগী বলে উল্লেখ করা হয়। তার মানে, তিনি সাময়িক চিকিৎসার জন্য ওই দিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অথচ সেখানে উল্লেখ করা দিনটিতে অর্থাৎ ৮ জুন সুশান্ত মুম্বাইতে ছিলেন।

সুশান্তের মৃত্যুর ঠিক ছয়দিন আগে তার সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ওপর ভিত্তি করেই এই অভিযোগ দায়ের করেন রিয়া। সেখানে দেখা যায় প্রিয়ঙ্কা তাঁর ভাইকে লিব্রিয়াম, নেক্সিটো এবং লোনাজেপ নামের তিনটি ওষুধ খেতে বলেন। ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’র জন্যই নাকি সুশান্তকে এই ওষুধ দেন তিনি। অথচ এই তিনটি ওষুধকে টেলি মেডিসিনস প্র্যাকটিস গাইডলাইনসে ক্ষতিকর এবং নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিয়া জানান, ভাই-বোনের মধ্যে ওষুধ নিয়ে এই আলোচনা সেই দিনই হয় যে দিন তিনি সুশান্তের বাড়ি ছেড়ে চলে যান। ছয় পাতার দীর্ঘ অভিযোগে রিয়া লেখেন, যারা সুশান্তকে এ ধরনের নিষিদ্ধ ওষুধ খাইয়ে তাঁকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া খুব জরুরি।

সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার দাবি করে, অভিনেতার মানসিক অবসাদের ব্যাপারে তারা কিছু জানত না। কিন্তু এই চ্যাট প্রকাশ্যে আসতেই এই কথার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠতে শুরু করে। তাহলে কি সত্যিই তাঁর দিদি ভুল ওষুধ খাওয়াতেন সুশান্তকে? বিষক্রিয়া থেকেই কি এই মৃত্যু? রিয়ার অভিযোগ অনেক নতুন প্রশ্ন আবার সামনে নিয়ে এল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here