রাক্ষসী সন্ধ্যা নদী গহবরে বাঁশ পুকুরিয়া-দমাদি সড়ক, সংস্কার হয়নি একযুগ

0

শেখ রেজাউল ইসলাম লিটন,  পুঠিয়া : সংস্কারের ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বাঁশপুকুরিয়া-দোমাদি সড়কটি। গত একযুক ধরে সড়কটির কোন ধরনের সংস্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসি।

কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সড়কটি সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলিন হয়ে যাবে।

সরজমিনে দেখাগেছে, উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নের বাঁশপুকুরিয়া মসজিদের পাশ দিয়ে সন্ধ্যা নদীর ধার দিয়ে দোমাদি গ্রামের মধ্যে প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কটি এ এলাকার মানুষদের চলাচলের একমাত্র সড়ক। সড়কটিতে প্রতিদিন শত শত মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কটির পাশ দিয়ে সন্ধ্যা নদী বয়ে যাওয়ায় তার ভাঙ্গনে সড়কটির প্রায় অর্ধেক নদীর গহবরে চলে গেছে। নদীর পাড়ে প্রোটেকশন ওয়াল না থাকার ফলে সড়কটি নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।

এ কারণে সড়কটিতে পায়ে হাটায় দায় হয়ে পড়েছে। এছাড়াও সড়কটির বেশির ভাগ জায়গায় কার্পেটিং ও খুয়ার উঠে কাদামাটিতে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে দেখে বুঝার উপায় নাই যে এটি একটি পাকা সড়ক। জরুরী ভিত্তিতে সড়কটিতে প্রোটেকশন ওয়াল দিয়ে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি এলাকাবাসিদের। সড়কটির বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা এলজিইডি অফিসে যোগাযোগ করলে কোন ধরনের তথ্য তাদের অফিস নাই অফিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

স্থানীয় এলাবাসী জালাল উদ্দিন সরকার জানান, এই সড়কটি প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে কোন ধরনের মেরামত করা হয়নি। নদীর ধার দিয়ে সড়কটি হওয়ায় নদীর ভাঙ্গনে রাস্তাটির অর্ধেক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পায়ে হাটা ছাড়াও ভ্যান যোগে কোন ধরনের মালামাল নিয়ে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বর্ষকালে পয়ে হেটে চলাচল করতে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। আমরা গ্রামবাসিরা পুঠিয়া উপজেলার এলজিইডি অফিসে সড়কটির মেরামতের জন্য জানাই কিন্তু এলজিইডি অফিস আমাদের কথার কোন দাম দেয় না।

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, সড়কটি সরজমিনে দেখে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্কারের করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here