পুঠিয়ায় লকডাউন খুললেও ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসা বন্ধ

0

পুঠিয়া থেকে শেখ রেজাউল ইসলাম লিটন : পুঠিয়ায় লকডাউন খুললেও ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায় বন্ধ রয়েছে। গত মার্চ মাসের লকডাউন থেকে তাদের এই ব্যবসায় বন্ধ রয়েছে বলে ডেকেরেটর মালিকেরা জানিয়েছেন। লকডাউন চলাকালিন সময়ে সবচেয়ে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে যে ব্যবসায়গুলি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসা। বিশেষ করে বিয়ে, গায়েহলুদ, থেকে শুরু করে নানা পাবলিক ফাংশনের গুরুত্বপূর্ণ হলো লাইটিং। এর সঙ্গে রয়েছে সাউন্ড সিস্টেম। বলা যায়, সাউন্ড সিস্টেম ও লাইটিং ছাড়া কনসার্ট, অফিস পার্টিতো বটেই, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও খুব একটা জমে না।

ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্যে ওয়াজ মাহফিল, ইসলামী জালাস ও ইফাতার পার্টিতেও এ ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। গুরুত্ব ও চাহিদার দিক বিবেচনায় বর্তমানে এ ব্যবসায় আমাদের সমাজ জীবনে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। বৈশিক মহামারি করনো ভাইরাসের প্রদুর্ভাবে জনসমাগম এড়িয়ে সামাজিক দুরত্ব বজারয় রাখা কথা বলা হয়েছে। একারণে জনসমাগেমের এড়িয়ে চলার জন্য এ ব্যবসায় একে বারে বন্ধ রয়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। কর্মহীন বেকার এ সব মানুষেরা কোন মতে শত কষ্টে দিন নিপাত করেছেন। আর দীর্ঘদিন এ ব্যবসায় না থাকায় দোকানের জমে থাকা মালামাল গুলি নষ্ট হওয়ার উক্রম হয়েছে। সাউন্ড সিস্টেমের যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায় জড়িত মালিকেরা।

উপজেলার পুঠিয়া সদর ত্রিমোহনী বাজার, উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানী বানেশ্বর বাজার, ঝলমলিয়া বাজার, ধোপাপাড়া বাজার, সৈয়দপুর বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে রয়েছে অর্ধশতাধিক ডেকোরেটর ও সাইন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী। তাদের সাথে কর্মচারীসহ প্রায় দুইশতাধিক পরিবার জড়িত রয়েছে এ ব্যবসায়। বর্তমানে তিন মাস থেকে তারা কর্মহীন বেকার রয়েছেন। উপজেলার অন্যান্য ব্যবসায়ের সাথে জড়িতরা লকডাইনের মধ্যে বিভিন্ন উপায়ে ব্যবসায় চালিয়ে গেলেও এ ব্যবসার সাথে জড়িতরা একে বারে বেকার হয়ে রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য ব্যসায়ের সাথে জড়িত কর্মহীন অসহায়দের সরকারী সাহায্য সহযোগিত দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যবাসয়ের সাথে জড়িতরা সরকারী সাহায্য সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ উপজেলার ডেকোরেটর সাউন্ড সিস্টেম মালিকদের। এ ব্যপারের পুঠিয়া ত্রিমোহনী বাজারের ডেকোরেটরের মালিক সাইদুল ইসলাম, ঝলমলিয়া বাজারের মা ডেকোরেটরের মালিক মাহাবুবুর রহমান ও সৈয়দপুর চাচা ভাতিজা ডেকোরেটরের মালিক মামুনুর রশিদ ও ধোপাপাড়া টিনা ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেমের মালিক শাহাদত আলী শেখ জানান, দীর্ঘ তিন মাস থেকে ব্যবসা বন্ধ। বর্তমানের কর্মহীন বেকার হয়ে রয়েছি।

সরকারী কোন রকম সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। এ অবস্থা অরো কতদিন চলতে থাকবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই। এ জন্য আমাদের ব্যবসায়কে টিকিয়ে রাখর জন্য সরকারী সহযোগিতা প্রয়োজন বলে দাবি করেন ডেকোরেটর ও সাউন্ড সিস্টেম মালিকেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here