ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য ৩০২ রান

0
260

বার্তাবিডি২৪.কম ডেস্ক নিউজ:২৮ জুলাই ২০১৮,
সেন্ট কিটসে সিরিজ জয়ের আশায় বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩০২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে মাশরাফিরা।

গায়ানায় দ্বিতীয় ওয়ানডের ব্যর্থতা ঝেরে সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশের। তাই সেন্ট কিটসে টানা তৃতীয়বার টস ভাগ্য সহায় ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার। শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ধীর-স্থির ভঙ্গিতে শুরু করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়।
দশম ওভারে অধিনায়ক জেসন হোল্ডার আসার পর থিতু হতে পারেননি ওপেনার এনামুল। তুলনামূলক ধীর স্থির খেলতে থাকা এনামুল হোল্ডারের শর্ট বলে অতি সাধারণভাবে হুক করেন। তাতে মিড অনে জমা পড়েন কিয়েরন পাওয়েলের হাতে। ধীরে খেলতে থাকা এনামুলের ৩১ বলে সংগ্রহ ছিল ১০ রান!

এনামুল ফিরলে সাকিব নেমে তামিমের সঙ্গে রানের চাকা আরও সচল করেন। ধীরে-সুস্থে খেলে এই জুটি এগিয়ে নিতে থাকে বাংলাদেশকে। ৮১ রানের জুটি গড়েন দুজন। ত্রাস ছড়ানো জুটি ভেঙে ক্যারিবীয় শিবিরে স্বস্তি ফেরান অ্যাশলে নার্স। ২৫.৩ ওভারে স্লগ সুইপ করার চেষ্টা করেন সাকিব। বল টপ এজ হয়ে জমা পড়েন ডিপ স্কয়ারে থাকা কিমো পলের হাতে।
তার বিদায়ের পর মুশফিক নেমেছিলেন মাইলফলক ছোঁয়ার আশায়। আর ২০ রান করলে ষষ্ঠ উইকেটকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় পেছনে ফেলতেন ইংলিশ উইকেট কিপার অ্যালেক স্টুয়ার্টকে। দুর্ভাগ্য স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন নার্সের বলে। বিদায় নেওয়ার আগে করেন ১২ রান। সঙ্গীরা যেখানে থিতু হতে পারেননি সেখানে নিজ লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন তামিম ইকবাল।১৩তম ওভারে জীবন পেয়ে তার পুরো সদ্ব্যবহার করছেন। হাঁকিয়েছেন ১১তম সেঞ্চুরি।

৩৮তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা পাওয়ার মনোযোগ হারিয়ে বসেন তামিম। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে দেবেন্দ্র বিশুর বলে ক্যাচ দিয়েছেন পাওয়েলকে। তাতে সমাপ্ত হয় তামিমের ১০৩ রানের আলো ঝলমলে ইনিংস। শেষ দিকে মিনি ঝড় তোলেন অধিনায়ক মাশরাফি। আগে নেমে দ্রুতগতিতে ব্যাট চালিয়ে স্কোর বোর্ড করেন সমৃদ্ধ।২২ বলে তুলে ফেলেন ৩৫ রান। আর এক রান যোগ করে হোল্ডারের বলে ফিরে যান। সাব্বির নেমে মাত্র ১২ রান করে ফেরেন সাজঘরে।

দ্রুত কিছু উইকেট পড়ে গেলেও অপর প্রান্তে মাহমুদউল্লাহ ধীর-স্থির থেকে শেষ দিকে চাহিদা অনুযায়ী বড় শট খেলতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার ১৯তম হাফসেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহ দাঁড় করায় সফরকারীরা। ৬ উইকেটে বাংলাদেশ করে ৩০১ রান। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ৬৭ রানে। তার ৪৯ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়। সেঞ্চুরিয়ান ও সর্বোচ্চ স্কোর করা তামিম ইনিংস সাজান ১২৪ বল খেলে। তাতে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছয়।