যশোর উপশহর মহিলা কলেজের এক শিক্ষকরে কারণে হ-য-ব-ল অবস্থা

0
728

নিজস্ব প্রতবিদেক :
যশোর উপশহর মহিলা কলেজে ইংরেজি বিভাগের প্রধান সহকারি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা একাই কলেজে হ-য-ব-ল অবস্থা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি কলেজের সভাপতি, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ সহ কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে তোয়াক্কা করছেন না। কলেজের শিক্ষক কাউন্সিলের মির্টিংয়ে তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় বাস্তবায়ন না হলে তিনি প্রায় প্রায় উদ্ধত্যপূর্ণ আচারণ করছেন বলে বিশ্বাস্থ সূত্র নিশ্চিত করেছে। তার এ ধরণের আচারণের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই কলেজের স্টাফ কাউন্সিলের অভ্যন্তরীন মির্টিংয়ে এমপিও ও ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারের কোন আর্থিক সুবিধা পান না তাই সভাপতির নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমান প্রেক্ষাপটের আলোকে তাদের জন্য মোটামুটি সুবিধাজনক হিসেবে ১৩ হাজার টাকা করে বেতন নির্ধারণ করা হবে। আর এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্কেল অনুযায়ী সরকারি বেতন-ভাতা পান। তাই কলেজ ফান্ড থেকে তাদের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা কমিয়ে দেওয়া হয়। সবার সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পরই সহকারি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা ক্ষেপে যান। তিনি (গোলাম মোস্তফা) অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে উদ্দেশ্য করে উদ্ধত্যপূর্ণ আচারণ করেন। তার সামনে থাকা একটি জগ ভেঙ্গে ফেলেন। আর সভাপতি সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদকে কুচুক্তি করে বলেন এ সভাপতিকে আমি মানি না। তিনি কলেজের জন্য কিছুই করেননি। আর অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অনার্স শাখায় নিয়োগপ্রাপ্ত ননএমপিও শিক্ষকদের কোনভাবেই এতো টাকা বেতন দেওয়া যাবে না। অনার্সের শিক্ষকরা তার প্রতিবাদ করলে তিনি (গোলাম মোস্তফা) তাদের হুমকি দেন। এ মির্টিংয়ে অধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষ সহ সকল এমপিও ও ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমস্ত ঘটনাকে লিখিতভাবে জানতে অধ্যক্ষ বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ ১৮ জুলাই উপাধ্যক্ষ ড. শাহানাজ পারভীনকে আহবায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিতে সদস্য করা হয় গর্ভনিংবডির সদস্য রেজাউল ইসলাম বিন্দু, ফশিয়ার রহমান, সহকারি অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন ও সহকারি অধ্যাপক ফারহানা নাহিদকে। দ্রæত সময়ের মধ্যে কমিটিকে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। অনেক শিক্ষকের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠনের পর থেকে সহকারি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা তদন্ত কমিটির উপর প্রভাব খাটাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও উদ্ধতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে ধন্যা দিচ্ছেন। তিনি ( গোলাম মোস্তফা) বিভিন্ন লোকের সাথে বলে বাড়াচ্ছেন যেকোনভাবেই হোকে প্রতিবেদন তার পক্ষে যাবে। তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপাধ্যক্ষ ড. শাহানাজ পারভীন বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র একটি প্রতিবেদন দেওয়া হবে। তার আলোকে গর্ভনিংবডি সিদ্ধান্ত নেবেন।