বরিশালে ভোট নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীর শঙ্কা

0
345

বরিশাল প্রতিনিধি:২৯ জুলাই ২০১৮,
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয়ে চরমোনাইয়ের পীরের ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান।

সরকার দলীয় মেয়রপ্রার্থীর দিকে ইঙ্গিত করে হাতপাখা প্রার্থী বলেন, ‘আমরা শঙ্কিত। রবিবার বরিশাল শহরে যে জনসমুদ্র সৃষ্টি করে শোডাউন করা হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। প্রশাসন একপেশে আচারণ করছে।’

ভোটের আগের দিন রবিবার দুপুরে নগরীর চায়না প্যালেসে সংবাদ সম্মেলন করেন ওবাইদুর রহমান। বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে নানা অভিযোগ করে আসছি কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা আমলে নেয়নি। গতকালও এক প্রার্থী শহরে বিশাল শোডাউন করেছে যা নির্বাচনী আচারণবিধি লঙ্ঘন।’

গত ২৬ ডিসেম্বরে রংপুর, ১৫ মে মাসে খুলনায় এবং ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটে ইসলামী আন্দোলনের উত্থান বিস্মিত করেছে রাজনৈতিক অঙ্গনকে। কোথাও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে না পারলেও প্রতিটি এলাকাতেই তারা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছে।

দলটির মূল কেন্দ্র বরিশালের চরমোনাই উপজেলায়। এটি সিটি করপোরেশনের সীমানার বাইরে হলেও নেতারা দাবি করছেন, বরিশাল শহরেও তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট আছে এবং তারা এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও আসবেন।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই দলটি বরিশাল সদর আসনে ৩০ হাজারের মতো ভোট পেয়েছিল। নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন, তাদের সাম্প্রতিক উত্থানের কারণে এই ভোট আরও বেড়েছে। এর পাশাপাশি তাদের প্রার্থী ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামেরও একজন নেতা। এই হিসাবে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রীক ছাত্র শিক্ষকদের ভোটও তারা পাবেন।

সংবাদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়রপ্রার্থীর নির্বাচন প্রচারণা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা জাকারিয়া হামিনী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ‘নিরপেক্ষ’ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। সত্য কথা লিখবেন।’

‘আর সরকারকে বলবো আপনারা আগামীকালকে একটু সুষ্ঠু নির্বাচন করুন। ভোটার যেন তার পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোটটা দিতে পারে।’

নির্বাচন ‘সুষ্ঠু’ না হলে কি করবেন- এমন প্রশ্নে ইসলামী আন্দোলনের নেতা বলেন, ‘আমরা আশা করি সুষ্ঠু ভোট হবে। কিন্তু যদি না হয় তখন আমরা হাইকমান্ডের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তিতে সিদ্ধান্ত জানাব।’

সবকেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পেরেছেন কি না জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আমি সব কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পারব। যদি সরকার দলীয় লোকজন কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ না করে।’

জনাব হামিদী অভিযোগ করেন, এই নির্বাচনে প্রশাসন একপেশে আচারণ করছে। প্রমাণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে কারণে শোকাজ করা হয় অন্য প্রার্থীকে তার জন্য কিছু বলা হয় না।’

‘আমাদের পথসভার সময় ম্যাজিস্ট্রেট এসে অনুমতিপত্র দেখতে চান। তাহলে গতকাল ম্যাজিস্ট্রেটরা কোথায় ছিলেন? ওসিরা রাস্তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন অন্য প্রার্থীদের।’

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয়ে চরমোনাইয়ের পীরের ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান।

সরকার দলীয় মেয়রপ্রার্থীর দিকে ইঙ্গিত করে হাতপাখা প্রার্থী বলেন, ‘আমরা শঙ্কিত। রবিবার বরিশাল শহরে যে জনসমুদ্র সৃষ্টি করে শোডাউন করা হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। প্রশাসন একপেশে আচারণ করছে।’

ভোটের আগের দিন রবিবার দুপুরে নগরীর চায়না প্যালেসে সংবাদ সম্মেলন করেন ওবাইদুর রহমান। বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে নানা অভিযোগ করে আসছি কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা আমলে নেয়নি। গতকালও এক প্রার্থী শহরে বিশাল শোডাউন করেছে যা নির্বাচনী আচারণবিধি লঙ্ঘন।’

গত ২৬ ডিসেম্বরে রংপুর, ১৫ মে মাসে খুলনায় এবং ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটে ইসলামী আন্দোলনের উত্থান বিস্মিত করেছে রাজনৈতিক অঙ্গনকে। কোথাও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে না পারলেও প্রতিটি এলাকাতেই তারা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছে।

দলটির মূল কেন্দ্র বরিশালের চরমোনাই উপজেলায়। এটি সিটি করপোরেশনের সীমানার বাইরে হলেও নেতারা দাবি করছেন, বরিশাল শহরেও তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট আছে এবং তারা এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও আসবেন।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই দলটি বরিশাল সদর আসনে ৩০ হাজারের মতো ভোট পেয়েছিল। নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন, তাদের সাম্প্রতিক উত্থানের কারণে এই ভোট আরও বেড়েছে। এর পাশাপাশি তাদের প্রার্থী ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামেরও একজন নেতা। এই হিসাবে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রীক ছাত্র শিক্ষকদের ভোটও তারা পাবেন।

সংবাদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়রপ্রার্থীর নির্বাচন প্রচারণা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা জাকারিয়া হামিনী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ‘নিরপেক্ষ’ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। সত্য কথা লিখবেন।’

‘আর সরকারকে বলবো আপনারা আগামীকালকে একটু সুষ্ঠু নির্বাচন করুন। ভোটার যেন তার পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোটটা দিতে পারে।’

নির্বাচন ‘সুষ্ঠু’ না হলে কি করবেন- এমন প্রশ্নে ইসলামী আন্দোলনের নেতা বলেন, ‘আমরা আশা করি সুষ্ঠু ভোট হবে। কিন্তু যদি না হয় তখন আমরা হাইকমান্ডের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তিতে সিদ্ধান্ত জানাব।’

সবকেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পেরেছেন কি না জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আমি সব কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে পারব। যদি সরকার দলীয় লোকজন কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ না করে।’

জনাব হামিদী অভিযোগ করেন, এই নির্বাচনে প্রশাসন একপেশে আচারণ করছে। প্রমাণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের যে কারণে শোকাজ করা হয় অন্য প্রার্থীকে তার জন্য কিছু বলা হয় না।’

‘আমাদের পথসভার সময় ম্যাজিস্ট্রেট এসে অনুমতিপত্র দেখতে চান। তাহলে গতকাল ম্যাজিস্ট্রেটরা কোথায় ছিলেন? ওসিরা রাস্তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন অন্য প্রার্থীদের।’