গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর যশোরে (নৈশ্য) বালিকা বিদ্যালয়ের সেই শিক্ষক তেলে-বেগুলে জ্বলে উঠেছে

0
318

নিজস্ব প্রতিবেদক , যশোর
যশোর (নৈশ্য) বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থাকা সহকারী প্রধান শিক গৌরচন্দ্র মিস্ত্রীর গোপন পরিকল্পনা স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তিনি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছেন। সংবাদ বন্ধ করতে তিনি বিভিন্ন মহলে ধন্যা দিচ্ছেন। তার পরিকল্পনায় প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অভিভাবক শুন্য হয়ে পড়েছে ও ধ্বংস হওয়ার উপক্রম শুরু হয়েছে। তার কৌশলী পরিকল্পনায় প্রথমে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক শ্রবণী রাহা সুরকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। পরে বিদ্যালয়টির সভাপতির পদও শুন্য হয়ে গেছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এখন সভাপতি প্রধান শিক্ষক কেউ দায়িত্বে নেই। ফলে বর্তমানে কোন নিয়মের বালাই নেই এ বিদ্যালয়টিতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে সহকারি প্রধান শিক গৌরচন্দ্র মিস্ত্রী প্রথমে সভাপতিকে ম্যানেজ করে প্রধান শিকের বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ইস্যু করান। এজন্য তিনি প্রধান শিকের নামে সভাপতির কাছে নানা ধরনের মিথ্যা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সরবরাহ করেন। যার প্রেক্ষিতে সভাপতি ইকবাল কবির জাহিদ ২০১৭ সালের ২২ আগষ্ট প্রধান শিক শ্রাবণী রাহা সুরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেন। পরে প্রধান শিক শ্রাবণী রাহা সুর শিা মন্ত্রাণলয়ের যোগদানের অনুমতি পেলে গৌরচন্দ্র মিস্ত্রী

সভাপতিকে দিয়ে যোগদানের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালত থেকে ছয়মাসের স্থগিত আদেশ নিয়ে আসেন। এদিকে, সভাপতিসহ ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১৭ মে শেষ হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সভাপতি ইকবাল কবির জাহিদ ১৯ এপ্রিল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে আবারও সভাপতি নির্বাচিত হন। এ সময় স্কুলে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক গৌরচন্দ্র মিস্ত্রী। নির্বাচনের রেজুলেশনের কপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিাবোর্ডে জমা না পড়ায় কমিটি আর পাশ হয়নি। এভাবে সভাপতিকে তিনি কৌশলে স্কুল থেকে সরিয়ে দেন। ফলে ১৭ মের পর থেকে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিষয়ে যশোর শিাবোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক ড. বিশ্বাস শাহীন আহমেদ বলেন, ‘যশোর (নৈশ্য) বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের রেজুলেশনের কপিসহ ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র শিাবোর্ডে জমা পড়েনি। ভারপ্রাপ্ত প্রধাান শিক এডহক কমিটি গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে আমরা দ্রæত এডহক কমিটি গঠন করে দেবো। তবে তিনি আবেদন না করা পর্যন্ত আমরা কমিটি গঠন করতে পারবো না’।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক গৌরচন্দ্র মিস্ত্রী বলেন, ‘১৯ এপ্রিল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন হয়েছে। ২২ এপ্রিল আমি শিাবোর্ডে রেজুলেশন জমা দিয়েছি। কি কারণে শিাবোর্ডে রেজুলেশন কপি পাওয়া যাচ্ছে না সেটা আমি জানি না। আর প্রধান শিক ও সভাপতিকে আমি কৌশলে সরিয়েছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ তবে, তিনি (গৌরচন্দ্র মিস্ত্রী) শিক্ষাবোর্ডে ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন সংক্রান্ত রেজুলেশন ও কাজগপত্র জামা দিয়েছেন এ ধরণর কোন ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি।