ঝিকরগাছার ছুটিপুর-ধর্মতলা সড়কে দূভোর্গের অন্ত নেই

0
615

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা (যশোর) ॥ বিষয়টি যেন দেখার কি কেউই নাই। যশোর-বেনাপোল মহা সড়কের সাথে তালমিলিয়ে ঝিকরগাছা উপজেলার ১নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের ছুটিপুরের মোহাম্মদপুর মোড় থেকে যশোরের ধর্মতলা মোড়ের প্রায় ১৯ কিলোমিটারের সড়ক মানেই দূর্ভোগের নরক নামক যানজট পূর্ণ সড়ক। ক্রমাগতই বাড়ছে একের পর এক দূর্ঘটনা। যে দূর্ঘটনায় আহত বা নিহত হচ্ছে শিক্ষার্থী সহ গ্রামের অসহায় মানুষ। রাস্তায় চলাচলের পরিমাপের চেয়ে বেশি লোড বা বোঝায় নিয়ে যানবহন চলাচল করে।

যখন যাত্রী বোঝায় বাস ও মাল বোঝায় যানবহন রাস্তার উপর উঠে তখন এপাশ ওপাশ দুলতে থাকে। কেউ জানে না যে কোন মুহুর্ত্বে যানবহনটি ভেঙ্গে কখন না জানি রাস্তার নিচে গিয়ে পাড়ে এবং রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ছোট-খটো অনেক গর্ত রয়েছে এবং এই গর্ত পূরণ করার জন্য সড়কের পিচের উপর তৈরী করেছে ভাটার বাদ দেওয়া ইট ভাঙ্গা দিয়ে মাঝে মধ্যে হয় ঘষামাজা। নিত্যদিনই ছুটিপুর- ধর্মতলা সড়ক দিয়ে বাস, ট্রাক সহ অবৈধ্য নছিমন, করিমন, আমসাধু, প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় কয়েক’শ যানবহন গুলো চলাচল করে। অথচ দীর্ঘ দিন ধরে সড়ক মানেই দূর্ভোগের নরক নামক বেহালদশার কারণে ক্রমাগতই বাড়ছে দূর্ঘটনা। বর্ষা মৌসুমে যানবহন চলাচলে মৃত্যুর হার থাকে শতভাগ। যার কারণে সড়কের রাস্তাটি সুন্দর ও মনোরম হওয়া আবশ্যক।

কায়েমকোলা বাজারের জনৈক্য এক ব্যবসায়ীর নিকট হইতে ছুটিপুর-ধর্মতলা সড়কের বিষয়ে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এড়েন্দা বাজারে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নারীসহ ৪০ জন আহত, ১৭ আগষ্ট ২০১৭ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বাগমারা মোড়ে একটি যাত্রীবাহী বাসের চাকা রাস্তার মধ্যে থাকা গর্তে পড়লে বাসটি উল্টে গিয়ে একটি ধান ক্ষেতে পরে যাওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩৫জন আহত হয়। ঝিকরগাছা উপজেলা পর্যায়ের ও যশোর জেলার সচেতন মহল দাবী করেছেন এবং মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী সহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।