ভারতীয় পেসে দিশেহারা ইংল্যান্ড

0
194

ক্রীড়া ডেস্ক : ট্রেন্টব্রিজে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিরাট কোহলির ভারত, তাতে তো সিরিজ জয়েরই যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে তাদেরকে। সাউদাম্পটনে শুরু হওয়া সিরিজের চতুর্থ টেস্টের শুরুতেই যেভাবে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে চেপে ধরেছে ভারতীয় পেসাররা, তাতে এখনই ফল বলে দেয়া সম্ভব। অন্তত একই অবস্থা যদি টেস্টে শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে নিশ্চিত বলে দেয়া যায়- এই টেস্টও জিততে যাচ্ছে ভারত।

টেস্ট শুরু হওয়ার পর মাত্র দ্বিতীয় সেশনের খেলা চলছে। তাতেই টেস্টের ভাগ্য সম্পর্কে বলে দেয়া সম্ভব? ভারতীয় পেসারদের পেসে যেভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। তাতে যে কোনো ভবিষ্যদ্বাণীই হয়তো করা সম্ভব এই মুহূর্তে। কারণ, টস জিতে ব্যাট করতে নামার পর ৩৬ রানেই ইংল্যান্ড হারিয়েছে ৪ উইকেট। প্রথম সেশন শেষ করেছে তারা ৪ উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে।

এতটা বিপর্যয়ে ইংল্যান্ড সম্ভবত নিকট অতীতে আর পড়েনি। টস জিতে ব্যাট করতে নামার পর ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই কিটন জেনিংসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন জসপ্রিত বুমরাহ। স্কোরবোর্ডে তখন ইংল্যান্ডের রান মাত্র ১। কিটনের শূন্য। রিভিউও নিতে পারেননি জেনিংস।

ইনিংসের অষ্টম ওভারে ইশান্ত শর্মার এলবির আবেদনে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে দিলে সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন জো রুট। কিন্তু রিভিউতে তার আউট ঠেকানো গেলো না। ৪ রান করে ফিরে যান ইংলিশ অধিনায়কও। দলীয় রান তখন ১৫।

১৩তম ওভারের শেষ বলে জনি বেয়ারেস্ট ব্যাটের কানা ছুঁইয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে রিশাভ পান্তের হাতে। বোলার বুমরাহ। ৬ রান করে ফিরে যান বেয়ারেস্ট। দলীয় রান তখন ২৮। এরপর উইকেট দিলেন অ্যালিস্টার কুক। চলতি সিরিজে খুব বাজে খেলা কুক দাঁতে দাঁত কামড়ে পড়ে থাকার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ১৮তম ওভারের প্রথম বলে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ক্যাচ দিলেন তিনি কোহলির হাতে। ১৭ রান করে ফিরে গেলেন কুকও। দলীয় রান তখন ৩৬।

লাঞ্চের পর আউট হয়ে যান জস বাটলারও। ২৪ বলে ২১ রান করেন বাটলার। বেন স্টোকসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি চেষ্টা করেছিলেন বিপর্যয় সামাল দেয়ার। কিন্তু দলীয় ৬৯ রানে মোহাম্মদ শামির বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন বাটলার। ফলে মারাত্মক ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড।

এ রিপোর্ট লেখার সময় ইংলিশদের রান ৩৩.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৩। ২৩ রান নিয়ে ব্যাট করছেন বেন স্টোকস। ৩ রান নিয়ে উইকেটে রয়েছেন মঈন আলি।