ঝিকরগাছার নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ পলিটন মিয়ার কার্যক্রমে জনতার স্বস্তি

0
443
ঝিকরগাছার নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ পলিটন মিয়ার কার্যক্রমে জনতার মনে স্বস্তি
ঝিকরগাছার নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ পলিটন মিয়ার কার্যক্রমে জনতার মনে স্বস্তি

আফজাল হোসেন চাঁদ, গদখালী (ঝিকরগাছা) ॥ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৭নং ইউনিয়ন পরিষদের নিকটবর্তী যশোর-বেনাপোল মহা-সড়ক সংলগ্নে অবস্থিত নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি।
তার সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে জনমত জরিপের জনা গেছে, সরকারের আর্দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়ক থেকে তিন চাকার নিষিদ্ধ গাড়ি যশোর-বেনাপোল, সাতক্ষীরা মহাসড়কে ইঞ্জিন ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, সিএনজি, ইজিবাইক, নসিমন, ভটভটিসহ যাবতীয় থ্রী হুইলার এ সমস্ত গাড়ী পরিচালনার ফলে দুর্ঘটনার পরিমাণ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আপোষহীন কার্যক্রম এ অভিযান চালিয়ে মহাসড়ক থেকে আটক করে পুকুরে ফেলে দিয়েছে এছাড়াও ক্রমাগতই মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান উদ্ধারে সর্বোচ্চ অবদান রেখেই চলেছেন নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া।
হাইওয়ে ফাঁড়িতে বসে নয় তিনি তার নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে যশোরের মানুষকে বুঝিয়ে দিচ্ছে আইন সবার জন্য সমান। যার বুনিয়াদে যশোরের জনতার মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে পুলিশের উপর। এছাড়াও সম্প্রতি ২৫ এপ্রিল হাইওয়ে পুলিশ মাদারীপুর রিজিয়ন ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় ১৪টি থানা / ফাঁড়ির মধ্যে মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান উদ্ধারে সর্বোচ্চ অবদান পারদর্শিতার কারেণে ফরিদপুরে হাইওয়ে পুলিশ মাদারীপুর রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এর হাত থেকে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা এবং সারাদেশে হাইওয়ে পুলিশের মাদক, অস্ত্র উদ্ধার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ পারদর্শিতার জন্য মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে মাদারীপুর রিজিয়নের ৯ জুলাই বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ ও কল্যাণ সভায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে তাকে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা পুরুষ্কার প্রদান করেন বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের সদর দপ্তরের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম। সর্বমোট নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া ৩ মাসের ব্যাবধানে ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে ২টি পুরুষ্কার হিসেবে পেয়েছেন ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার টাকা)।
নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়ার যশোরবাসীর জন্য অবদান রাখার বিষয়ে তার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সরকারী কর্মচারী। পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ কখনোই জনগণের শত্রু নয়। আইন চলে আইনের গতিতে। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক আমাকে যা করতে বলা হয়েছে আমি সেটা পালন করেছি। আমার কাজ যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগে তাহলে আপনারের সহযোগিতা আমার কাম্য। আমি আশাকরি, আপনাদের সহযোগিতা পেলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালানীদের নির্মূল করে আমি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো।