টাঙ্গাইলে এমপি রানার জামিন কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, লাঠিচার্জ ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ

0
322

ফরিদ মিয়া, টাঙ্গাইল ঃ টাঙ্গাইলে এমপি আমানুর রহমান খান রানার জামিনের শুনানীকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল শহরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকালে এমপি রানাকে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের আদালতে হাজির করা হলে শহরে কোর্ট চত্তরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কোর্ট চত্তর ঘিরে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক এর সমর্থকরা রানা এমপির শাস্তির দাবীতের মিছিল করতে থাকে। অপরদিকে এমপি রানার সমর্থকরা কোট চত্তরের বাইরে শাসছূল হক তোরণের সামনে জামিনের সমর্থনে মিছিল করতে থাকে। পুলিশ বার বার মিছিলটিকে রাস্তা থেকে সরে যেতে বললেও মিছিলকারীরা তাদের অবস্থানে অনড় থাকে। এক পর্যায়ে বেলা ১২টার দিকে পুলিশ ২ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে লাঠিচার্জ শুরু করে এবং ব্যাপক লাঠি চার্জ করে মিছিলটিকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ মিছিল থেকে বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে বুধবার সকালে (১০.৩০মিনিট) মামলার প্রধান আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে ১০.৪৫ মিনিটে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাকসুদা খানমের আদালতে শুধু মাত্র জামিন শুনানী হয়। জামিন শুনানীর পর আজ বিকাল ৪ টায় রায় ঘোষনা সময় ধার্য করা হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানীর দিন ২৭ সেপ্টেম্বর ধার্য্য করেন ।

উল্লেখ্য্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় এমপি রানা ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় এমপি রানা ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪জন আসামী রয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদাল