ফকিরহাটের গুপিয়া নদীর তীব্র ভাংগনে রক্ষা বাঁধ ঝুকি পূর্ণ

0
284

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা ব্যুরো:
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার লখপুরের ছোট খাজুরায় অবস্থিত গুপিয়া নদীর তীব্র ভাংগনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত রক্ষা বাধ ঝুকি পূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের জনগনের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। জোয়ারের পানি তীব্র চাপে যে কোন মুর্হুত্বে বাধ ভেঙ্গে নদীর উপকুলীয় অঞ্চল তলিয়ে ৬টি বিলের আমন ধান সহ শিল্প প্রতিষ্টানের ব্যাপক ক্ষতির আশাংকা করা হচ্ছে। অতিদ্রুত পানি উন্নয়ন রক্ষা বাঁধ পূনঃ সংস্কার করা না হলে খুলনা-মংলা মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করা অসম্ভাব হয়ে পড়বে।
সরেজমিনে অনুসন্ধ্যানে গিয়ে জানা গেছে, গুপিয়া নদীর তীব্র ভাংগনের কবলে পড়েছে খাজুরার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত রক্ষা বাধ। এই বাঁধের উপর দিয়ে ফকিরহাটের অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষের সাথে বটিয়াঘাটা ও রুপসা উপজেলার সকল মানুষের চলাচল। কিন্তু নদীটির তীব্র ভাংগনে জনগনের চলাচল চরম ভাবে বিঘিœত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড গত কয়েক বছর আগে প্রায় ২০লক্ষ টাকা ব্যায়ে বাঁশ ও কাঠের কিছু তক্তা দিয়ে বাঁধটি পুনঃ সংস্কার করে দেয়। কিন্তু যেনতেন ভাবে সেটি নির্মান করায় তা ২মাস টেকসই হয়নি। এর পর লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের নিজেস্ব ১লক্ষ টাকা ব্যায়ে বাঁধটি পুনঃ সংস্কার করা হয়, কিন্তু সেটিও স্থয়ী হয়নী। খাজুরা গ্রামের মোঃ শামসের আলী (৭৮),মোস্তাব আলী (৬৭), হালিম শেখ (৫৫), মাহাবুর শেখ (৬৭) ও জাকির ফকির (৫৫) সহ একাধিক ব্যাক্তিরা বলেন, এই বাঁধের উপরে জাবুসা খাজুরা কুদির বটতলা ও তিলক বিল সহ প্রায় ৬টি বিল রয়েছে। আর সেই বিলে এখন হাজার হাজার হেক্টর জমিতে স্থানীয় চাষিরা ধান পাট ও সবজির চাষ করেছেন। শুধু তাই নয় বিলের উপরে শতশত শিল্প প্রতিষ্টান মাছ কোম্পানী ও হাসপাতাল এবং কলকারখানা রয়েছে। এই বাঁধ ভেঙ্গে গেলে সেই শিল্প প্রতিষ্টানে কাজ কর্ম চালানো অসম্ভাব হয়ে পড়বে। তারা বলেন, লখপুর বাহিরদিয়া-মানসা পিলজংগ বেতাগা শুভদিয়া ইউনিয়নের সকল পানি এই ১০গেট ও ৬গেট দিয়ে সরবরাহ হয়ে থাকে। তাছাড়া বটিয়াঘাটা উপজেলার নারায়নখালী বাইনতলা ঝিনাইখালী আমেরপুর ও রুপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলা ও জাবুসা গ্রামের সকল পানিও এই ২গেট দিয়ে সরবরাহ হয়ে থাকে। ফলে পানি চাপটা এই তিনটি গেটের মোহনা খাজুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের উপর তুলনা মুলক ভাবে বেশি পড়ে থাকে। সে কারনে এটিতে ঝুঁকিও পড়ে বেশি। আর এই ঝুকির কারনে বাঁধ এখন যায় যায় অবস্থা। স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী আহম্মদ এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, ইতি মধ্যে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ীর ৪এর ৩অংশ নদীতে ভেঙ্গে গেছে। তাছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের রক্ষা বাঁধের যে রাস্তা জনগন ব্যাবহার করেন তার অধিকাংশ নদীতে ভেঙ্গে যানবাহনতো দুরের কথা পায়ে হেটেও চলাচল করাও অসম্ভাব। এব্যাপারে লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ আবুল হোসেন এর সাথে আলাপ করা হয়ে তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন র্বোড ২০লক্ষ টাকা ব্যায়ে নাম মাত্র বাঁধটি কিছুটা সংস্কার করে যা স্থায়ী হয়নী। তার পর তিনি ১লক্ষ টাকা ব্যায়ে বাঁধটি আবারও মেরামত করেন। কিন্তু জোয়ারের পানির চাপ এতটা তীব্র যে তা স্থায়ী হচ্ছে না। অতিদ্রুত যদি বাঁধটি পূনঃ সংস্কার করা না হয় তাহলে তিন উপজেলার শিল্প প্রতিষ্টান কৃষি ফসল হাসপাতাল ও খুলনা-মংলা মহাসড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হবে বলেও তিনি মন্তক্য করেন। এব্যাপারে প্রয়োজীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে। ####

খুলনায় প্রবাসীর সুনাম বিনষ্ট করা ও
জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খুলনা ব্যুরো ঃ
খুলনায় প্রবাসীর প্লট দখলের অপচেষ্টা, সুনাম বিনষ্ট, চাঁদাদাবি ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফেরদৌস আমিনুল হক। গতকাল শনিবার খুলনা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ফ্রান্সে বসবাস করে আসছি। ফ্রান্সে থাকা অবস্থায় অতিকষ্টে অর্জিত অর্থ দিয়ে কেডিএ’র কাছ থেকে ১৬/০২/৯৪ইং তারিখে খুলনা নগরীর ৪৭-এ, মজিদ স্মরনীর ৫.৩৩ কাঠার প্লটটি ক্রয় করেন। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার জমিটি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ওই স্বার্থান্বেষী মহলটি ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক অপপ্রচার, মিছিল, সমাবেশ এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করে সত্য ঘটনা আড়াল করতে চাচ্ছে। কিন্তু তারা বিচার শালিশী মানে না। এর আগে আমি ১৩ আগষ্ট খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওই কুচক্রি মহলের অপকর্ম তুলে ধরি। এরপর তারা রাস্তায় দাড়িয়ে আমাকে ভূমিদস্যু হিসেবে আখ্যায়িত করে বলে আমি নাকি সংখ্যালঘুদে জমি অবৈধভাবে দখল করেছি। ওই চক্রটি প্রতিনিয়ত আমার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করছে। কিন্তু আমি তাদেরকে বলেছি ৩০ লাখ কেন একটি টাকাও দেবনা। তারা যদি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে যে কোন সিদ্ধান্ত আমি মেন নিব। কারণ আমি কেডিএ’র কাছ থেকে প্লট কিনেছি। তাদের যদি কোন বক্তব্য থাকে তাহলে তারা কেডিএ’র সাথে বুঝুক। মামলা করলে কেডিএর বিরুদ্ধে করুক। মানববন্ধন, সভা, সমাবেশ করলে কেডিএর বিরুদ্ধে করুক। কিন্তু আমার পেছনে কেন তারা লাগছে? আমিতো অনৈতিক সুবিধা দেবনা। তার কারণ প্রবাসে থালা বাটি মেজে, রাস্তা ঝাড়– দিয়ে, ড্রেন পরিষ্কার করে অনেক কষ্টে টাকা আয় করতে হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হয়েও আমি ন্যায় বিচার পাচ্ছিনা। ফলে বিচার চাইতে বাধ্য হয়েই পরিবার পরিজন নিয়ে সুদুর ফ্রান্স থেকে ছুটে এসেছি। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন।