মহেশপুরে এমটিবি এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন হওয়ার আগেই কোটি টাকা লোপাট

0
472
             ” শহিদুল ইসলাম মহেশপুর থেকে “
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর বাজারে ডাক্তার মরহুম জিল্লুর রহমানের মার্কেটে এমটিবি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা সেন্টার এর শুভ উদ্বোধন হওয়ার আগেই গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি টাকার উর্ধে হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে গেছে ঐ প্রতারক চক্র। এতে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা দিশেহারা হয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
জানা গেছে ঝিনাইদহ শহরে অবস্থিত প্রাইম ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ম্যানেজার আমিনুর রহমান নামের এক ব্যক্তি মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির যোগীহুদা গ্রামের মোঃ শাহ আলম এমটিবি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার নাম করনে উপজেলার খালিশপুর বাজারে ডাক্তার মরহুম জিল্লুর রহমান এর মার্কেটের ২য় ও ৩য় তলা ভাড়া নিয়ে এমটিবি ব্যাংকের এজেন্টদার হিসাবে একটি শাখা অফিস এর শুভ উদ্বোধন করবেন বলে গত ২ মাস আগ থেকে ঐ মার্কেটের সামনে কাপড়ের ব্যানার ঝুলিয়ে রাখে । পাশা পাশি ঐ প্রতারকরা এলাকার বেকার শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের একাউন্ড খোলা সহ চাকুরী এবং গরীব দুখি মানুষের বাড়ী তৈরীর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল। যাদের একাউন্ডে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা সংস্থায় জমা হচ্ছে তাদেরকে দুই রুম বিশিষ্ট পাকা ছাদের ঘর তৈরী করে দিচ্ছে। যা সাধারন মানুষ ঐ সব দেখে গোপনে গোপনে ওখানে একাউন্ড খুলে টাকা জমা করে আসছিল। এভাবে ঐ প্রতারক চক্র এলাকা থেকে কোটি টাকার উর্ধে হাতিয়ে পালিয়ে গেছে ।
ভুক্তভোগীরা জানান গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে অফিসের কোন কর্মকর্তারা অফিসে না আশায় চলতে থাকে নানা গুঞ্জন,এবং গোপনে খোজা খোজি। এব্যাপারে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগীরা জানান যোগীহুদা গ্রামের শাহ আলম এবং ঝিনাইদহের প্রাইম ইসলামী ইনসুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর ম্যানেজার আমিনুর রহমান দুজনে খালিশপুর বাজারে এমটিবি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা কার্যকলাপ চালাবেন, এবং এই এজেন্ট ব্যাংকে নতুন ভাবে বিভিন্ন পদে শতাধিক কর্মি নিয়োগ দেবেন বলে একাধিকবার ঐ স্থানে সেমিনার করে। এছাড়া তাদের মাধ্যমে এলাকার গরীব দুখি মানুষের লোন দেওয়া সহ পাকা ঘর নির্মান করে দেবারও প্রতিশ্রতি দেয়। এসমস্ত প্রলোভন দেখিয়ে একাউন্ড করা গ্রাহক প্রতি ১ লাখ ২ লাখ টাকা করে জমা নেয়। এসব ব্যাপারে এলাকার অনেকে জড়িত আছে বলেও জনশ্রতি রয়েছে। যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। এলাকাবাসী আরো জানার ঐ সংস্থাটি এলাকায় অনেকেরই দুই রুম ছাদের পাকা ঘর নির্মান করেও দিয়েছে। এভাবে একের পর এক লোভ দেখিয়ে এলাকা থেকে কোটি টাকার উর্ধে হাতিয়ে নিয়ে গেছে ঐ প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগীরা বর্তমান তাদের হোদীস না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে । এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশানের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে। এবিষয়ে বিল্ডিং মালিক মিজানুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান এমটিবি এজেন্ট ব্যাংকের লোকজন আমাকে কাগজ পত্র দেখিয়ে ঘর ভাড়া নেয়। ঘটনাটি মহেশপুর পুলিশ প্রশাসনকে  জানালে তিনারা বলেন আমরা সবে মাত্র শুনেছি তবে কেহ কোন অভিযোগ করেনি। এব্যাপারে এসপি বরাবর একটি প্রতিবেদন দাখিল করবো।