বার্তাবিডি নিউজ প্রকাশের পর থেকে যশোর মুন্না বাহিনী থেমে নেই

0
307

স্টাফ রির্পোটার,যশোর :
অনলাইন নিউজপোর্টাল বার্তাবিডি২৪ ডট কমে যশোর সদর উপজেলার মুন্না বাহিনীর বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশের পর তারা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে। অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষের ঘুম-খাওয়া হারাম হয়ে গেছে। এলাকায় জমিদখল, চাঁদাবাজী, মানুষকে হুমকি-ধামকি ও মাদব ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপকর্ম এই মুন্না বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভয়ে সাধারণ মানুষ এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারছে না

সূত্রে জানা গেছে, মুন্না বাহিনী যশোর সদর উপজেলার ইছালী, লেবুতলা, খাজুরা, মনোহারপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে জিম্মি বিভিন্ন অপকর্ম করছে। প্রায় তিন মাস আগে কুখ্যাত ডাকাত সন্ত্রাসী মুন্নার পিতা আমিরুল ইসলাম বুলি ডাকাতি করতে গিয়ে গনধোলায়ে মারা গেলে তারপর থেকে বাহিনীর দায়িত্ব নেয় বুলির ছেলে মুন্না। বাপের দখলে রেখে যাওয়া বন্দুক,পিস্তল সহ আধুনিক অনেক অস্ত্র সন্ত্রাসী মুন্নার দখলে রয়েছে। হাশিমপুর, নঙ্গড়পুর, মাগুরা সড়ক সহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, কন্ট্রাক কিলার, উড়ান্ত ছিনতাই শালিসের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে এরা। এছাড়া ইছালী লেবুতলা, খাজুরা এলাকার মাদক বিক্রির সাথেও এ বাহিনী জড়িত রয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হল মাদক গডফাদার নামে সবার কাছে পরিচিত ইনায়েতপুরের মহিদুল। এই মহিদুল নামে অস্ত্র মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে। তার নামে মাদকের একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। এই বাহিনী জগমহনপুরের ইসমাইলের জামি দখল, কাপড় ব্যবসায়ী শান্টুর কাছে চাঁদাবাজি, চাল ব্যবসায়ী তোতার টাকা আত্মসাত করেছে। এছাড়া চাল ব্যবসায় আনার আলম ও জাকিরের কাছ থেকে নিয়মিত মাসিক চাঁদা আদায় করছে।
এলাকাবাসী জানান, মুন্না বাহিনীর অত্যচারে এলাকাবাসী খুবই অতিষ্ঠ। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা অপূর্ব হাসান বলেন, মুন্না বাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের কোন লিখিত অভিযোগ নেই। তাদের অপকর্ম গুলো আমাদের নলেজে নেই। সেই জন্য এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।