ঝিনাইদহে ঝড়ের তান্ডবে ২২ বিঘা কলাবাগান তছনছ

0
254

মোঃ হাবিব ওসমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২নং মধুহাটি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড়ের চোরকোল গ্রামে আধা ঘন্টার টর্নেডোতে চরম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোন বাড়ি না ভাংলেও মাঠের ২২ বিঘা কলাবাগান ভেঙে কৃষদের প্রায় ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত মধ্যরাতে চেঙাগাড়ির মাঠে এই ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে সদর উপজেলার দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ চাষি জোমার আলি জানান, তার বাড়ি জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে। তিনি গ্রামের মন্ডল পাড়ার পাগলচাঁদ মন্ডলের ছেলে। পাশেই সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামের চেঙারগাড়ি মাঠে বিঘা প্রতি ১০ হাজার টাকা হারে ১৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কলার আবাদ করেছেন। গাছের যতেœ সার-শ্রমিকসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচও হয়ে গেছে। গাছগুলোতে আস্তে আস্তে কাঁদি বের হচ্ছে। আবার কোনটার দানা বাঁধতে শুরু করেছে। আর ঠিক এমন সময় ঝড়ে আমার চরম ক্ষতি হয়ে গেল। এখন ঋনের দেনা কোথা থেকে তিনি দিবেন তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এছাড়াও গ্রামের শওকত মুন্সি, আব্দুল হাই, সাইফুল ইসলামের কলাগাছ ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে সদর উপজেলার মেসবাহ আহমেদ ও আব্দুল মান্নান নামের দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমানের তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।
চোরকোল গ্রামের মেম্বর আশরাফুল আলম বলেন, ঝড় অল্প হলেও ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি হয়েছে। বিশেষ করে জোমার আলির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জিএম আব্দুর রউফ বলেন, দু’জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ঘটনা স্থলে গিয়ে ছিলেন। তারা তাদের পরবর্তি করনীয় সম্পর্কে জানিয়ে এসেছেন। তাছাড়া সে সকল গাছ গুলোর কাঁদি বের হয়নি। ভাঙা স্থান থেকে কেটে দিলে কাঁদি বের হবে।