কোটচাদপুর দুই ভুয়া সার্জন : ভূল অপারেশন ও মাদক সেবনের অভিযোগ

0
269

স্টাফ রির্পোটার: ঝিনাইদাহ জেলার কোটচাদপুর উপজলার সাধারন মানুষ ও প্রাশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভূয়া দুই সার্জন বা চিকিৎসক ফয়সাল হোসেন ও আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে ভূল চিকিৎসা ও অপারশন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে  নেয়াসহ মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক সূত্রে জানাযায়,খুলনা ও মাগুরা থেকে আসা ভূয়া দুই সার্জন ফয়সাল হোসেন ও আনিছুর রহমানের কাছে চিকিৎসা নিতে আসা অসংখ্য গ্রামের সাধারন মানুষ ভূল চিকিৎসায় মারা গেছে। আবার অনেকে মৃতু্্য সাথে লড়াই করছেন বলে ভূক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জন বলেন ওই দুই ভূয়া সার্জন নিয়মিত মাদক সেবনও করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। ওই ভুয়া চিকিৎসক কোটচাদপুর হাসপাতাল মোড়ে প্রতিনিয়ত মাদক সেবনকারীদের সাথে আড্ডার পাশাপাশি সেবন করে। আমরা প্রায় দেখি মাদক ব্যবসায়ীরা এখানে হাসপাতাল মোড়ে এই দুই তলায় উঠাবস করে।অনেক সময় উপর থেকে ইয়াবা ও গাঁজার দূর্গন্ধ আসে। আমরা ভাবি এখানে ডাক্তার থাকে ওদের ওষধের গন্ধ।পরবর্ততিতে জানতে পারলাম তারা তিন জন,মোশারফ, ফয়সাল,ও আনিচ নিয়মিত এই ঘরে ইয়াবা সেবন করে।

এই মোসারফ মোশারফ চাকুরি দেবার নাম করে অনেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সাাংবাদিকরা এই ধোকাবাজি ও মাদক সেবনের কথা বললে ডাঃ ফয়সাল ও ডাঃ আনিছুুর রহমান সাংবাদিকদের উপর মারমুখী ভুমিকা নেই। এবং ডাঃ ফয়সাল বলেন র্যবের ঢাকা মহাপরিচালক আমার ছোট ভাই আমি ইচ্ছা করলে আপনাদেরর দুই জন কে র্যাাব দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলতে পারি সেই ক্ষমতা আমার আছে।

আমরা মদ ফেনসিডিল ইয়াবা গাজা সব খাবো আপনাদের কোন সমস্যা। আপনাদের যা ইচ্ছা লেখেন তাতে আমাদের কিছুই হবে না কারন আমাদের উপর মহলে হাত আছে। বরং আমরা ইচ্ছা করলে আপনাদের মত ২/৪ জন সাাংবাদিক যখন তখন মুস্তান দিয়ে গুুুলি করে মেরে ফেলতে পারি । কোটচাদপুর বাসির একটাই অভিযোগ এধরনের মাদকাসক্ত ডাক্তার দ্বারা অপারেশন করে সাধারন মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

মোশাররফে প্যারামেডিকেল ফাউন্ডেশনের ব্যানারে সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অনেকর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আজও কোন সার্টিফিকেট দেইনি বলেে অনেকের অভিযোগ। ভুুুুক্তভোগী এক জন বলেন মোশাররফ আমাকে ডি,এম,এফ সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে আজও কোন সার্টিফিকেট দেইনি আজ না কাল এভাবে ঘুুুরাচ্ছে ১ বছর।

এভাবে প্যারামেডিকেল এর নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মেতে থাকে ইয়াবা মদ গাঁজা সেবনে। ফোন করলে আজ বোর্ডে আছি আজ ব্যাস্ত আছি এভাবেই কাটিয়ে দেয় মাসের পর মাস। মোশাররফ এর কাছে টাকা দিয়ে প্ররতারণা স্বীকার অনেকেই।

ফাউন্ডেশন কতৃৃপক্ষের নিকট জানতে চাাইলে তারা বলেন আমাদের কাছে মোশাাররফ এর এধরনের অভিিযোগ অনেক এসেেছ এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। প্রমানিত হলে আমরা আইনি ব্যাবস্থা নিবো। এখন ভুক্তভোগীদের একটাই দাবি তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হোক অন্যথায় তারা প্রশাসনের সহযোোগিতা নিতে বাধ্য হবে।

এদিকে ডাঃ ফয়সাল ও ডাঃ আনিছুরমান বস্তনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করায় সাংবাদিকদের হুমকি প্রদান করে আসছে। এবিষয়টিি ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অবগত করা হয়েছে। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে পএিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় মহেশপুর থেকে বিতড়িত হয়ে কোটচাঁদপুর আসন গড়ে।

এ দিকে নামধারি ডাক্তার পরিচয় দেওয়া ফয়সাল তার এমবিবিএস কোড কত তা তিনি বলতে পারেন নি।তাছাড়া সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি কেন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তাের হলেন না এমন প্রশ্নে তিনি রেগে জান। এবং বলেন র্যাবের মহাপরিচালক আমার ছোট ভাই ইচ্ছা করলি আমি আপনাদের ছবি পাঠায়ে দেব,পরে লাশ হয়ে যাবেন।তার চাইতে পারলে ফ্রিজ এ ফেনসিডিল আছে খেয়ে চলে যান।আমাদের বিরুদ্ধে লেগে লাভ নেয় আমরা ওসিকে মাসিক ২০ হাজার টাকা করে দিয়ে থাকি।

এই সকল অভিযোগের ব্যাপারে ঝিনাইদাহ পুলিশ সুপার এসপি বলেন,আমি আপনাদের কাছ থেকে জানলাম।অল্প সময়ের মধ্য তাদেরকে আটক করে আইনের আওতাই আনবো।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন রাশেদা সুলতানা বলেন সার্জন না হয়ে অপারেশন করা যাবে না।তা ছাড়া তারা আদেও ডাক্তার কিনা আমি খোজ নিয়ে ব্যবস্তা নেব।