বিএনপির ভয় জামায়াত নিয়ে নৌকার টিকিটের লম্বা লাইন

0
249

নিজস্ব প্রতিবেদক , যশোর : যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে নৌকার টিকিট পেতে নেতাদের লম্বা লাইন পড়েছে। বিপরীতে ধানের শীষের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা অর্ধেক। এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ৮ জন মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে থাকলেও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ৪। তবে জোটশরীক জামায়াতের প্রার্থী থাকায় দুর্ভাবনা আছে বিএনপি নেতাদের। এছাড়া জাতীয়পার্টির তিন জন প্রার্থীর নামও শোনা যাচ্ছে এখানে।

যশোরের চৌগাছার ১১ ও ঝিকরগাছার ১১টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে যশোর-২ সংসদীয় আসন। গত দশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পাঁচবার, জামায়াত তিনবার ও বিএনপি-জাতীয় পার্টির প্রার্থী একবার করে বিজয়ী হয়েছেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে যশোর-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্তত ৮ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এরা হলেন, বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আইনজীবী এবিএম আহসানুল হক আহসান, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও উপশহর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হারুণ-অর রশিদ।

আর বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নি, যশোর জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসহক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান ও চৌগাছা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম।

আলোচনায় রয়েছেন জামায়াতের সাবেক এমপি আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন। যিনি ২০০১’র নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির নুরুল কদর, বিএম সেলিম রেজা ও মুফতি ফিরোজ শাহ্’র নামও বলছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এই আসনে ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে আবুল ইসলাম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের বাবা। ১৯৭৯ সালে বিএনপির বদরুল আলা, ১৯৮৬ সালে জামায়াতের মকবুল হোসেন, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির মীর শাহাদাতুর রহমান, ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের মকবুল হোসেন, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন আওয়ামী লীগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ২০০১ সালে জামায়াতের আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম নির্বাচিত হন।