মহালয়া উদযাপিত দেবীপক্ষের শুরু

0
246

বার্তাবিডি২৪.ডেস্ক নিউজ:দুর্গতিনাশিনী’ দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আহ্বানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। গতকাল সোমবার ভোরে মহালয়ায় পিতৃতর্পণ শেষে চণ্ডীপূজার মাধ্যমে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসবের শুরু হয়েছে। হিন্দুবিধি অনুসারে : মহালয়া, বোধন এবং সন্ধিপূজা- দুর্গোৎসবের এই তিন পর্ব।

মহালয়ায় ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার মাধ্যমে শুরু দেবীপক্ষের। এর আগের পক্ষ পিতৃপক্ষ। এই পক্ষে ভক্তরা তাদের পূর্বপুরুষের আত্মার প্রীতির জন্য অন্ন-জল নিবেদন করে, শাস্ত্রে যাকে তর্পণ বলে। সোমবার ভোর থেকে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ সারা দেশে শুরু হয় মহালয়ার আচার-অনুষ্ঠান।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের তপন ভট্টাচার্য্য বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর দুর্গার বোধন এবং পরদিন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে শুরু হবে মূল পূজা। আর ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শেষ হবে।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গা আসছেন ঘোড়ায় চড়ে, যাবেন পালকি চেপে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তপন ভট্টাচার্য্য বলেন, শাস্ত্র অনুযায়ী দেবী ঘোড়ায় চড়ে এলে তার ফল হয় ‘ছত্রভঙ্গসরঙ্গম’, অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংসারিক ক্ষেত্রে অস্থিরতা। বাড়বে রাজনৈতিক উত্থান-পতন, সামাজিক বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, দুর্ঘটনা, অপমৃত্যুর প্রভাব। দেবী দোলায় চেপে বিদায় নিলে ফল হয় ‘দোলায়াং মড়কং ভবেৎ’। অর্থাৎ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয়।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার জানান, এবার সারা দেশে ৩০ হাজার ২৫৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৮৬৩টি। ঢাকায় এবার ২৩৪টি মণ্ডপে পূজা হবে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২২৯টি।