ঝিকরগাছায় বিদ্যালয় চলকালিন সময়য়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি শুন্য

0
11
Exif_JPEG_420

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের ঝিকরগাছার বাবরআলী সরদার বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের চলকালিন সময়য়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি শুন্য।

প্রতিষ্ঠানের কোন প্রকার অনুষ্ঠান হলে সেই দিন শিক্ষার্থী বসানোর স্থান খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে থাকে বলে এলাকায় একাধিক অভিযোগ উঠার বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা গত ৩০ নভেম্বর বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের রঘুনাথনগরের অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাবর আলী সরদার বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বিদ্যালয়েরর বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেন।

উক্ত দিন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোছাঃ রেহেনা খাতুনের সাথে দেখা হলে তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৯০-১০০জন শিক্ষার্থী নিয়ে প্রতিষ্ঠান চলে। আমাদের সংরক্ষিত ছুটি চলছে। আজ (বুধবার) ও কাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের বন্ধ।

তবে সেই সময় তারা বিদ্যালয় বন্ধের কোন নোটিশ দেখাতে ও কর্মরত শিক্ষক ও অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের তালিকা চাওয়া হলে সেটাও তিনি দিতে পারেনি।

পরবর্তীতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শনিবার (০৩ ডিসেম্বর) একটি বহুপ্রচালিত দৈনিক পত্রিকায় বৃহস্পতিবার (০১ ডিসেম্বর) ৪শ ৭০জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে ক্লাস হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী তাদের সংরক্ষিত ছুটি শেষে রবিবার (০৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যালয় চলবে।

রবিবার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২৫মিনিটের সময় স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলে বিদ্যালয়ের মেন ফটক তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

তাৎক্ষনিক ভাবে প্রধান শিক্ষক মোঃ মহিতুল রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলেন তিনি বলেন, সবদিন তো এক রকম চলবে না। আর এখন তো ডিসেম্বর মাস। বাচ্চাদের পরিক্ষারও বিষয় আছে।

আজকে বাচ্চাদের পরিক্ষা ছিলো কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজকে কোনো পরিক্ষা ছিলো না। তিনি আজ বিদ্যালয়ে আসছিলেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি আপনার সাথে পরে কথা বলি বলে তিনি ফোন রেখে দেন। সভাপতি মোঃ আব্দুল আলিম বলেন, আমি এখন ঢাকায় যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছি।

বিদ্যালয়ের সময় ২টার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের ২টা পর্যন্ত রাখা যায় ! দেড়টার সময় গাড়ি চলে যায়। আমরা সব ৫/৭মিনিট আগে বেরিয়ে আইছি।

শিক্ষক আতিয়ার রহমান বলেন, কোনো কাগজেই মশিয়ার নেই। তার সব কাগজে মোরশেদ লেখা আছে।

তবে নাম সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকদিনের মধ্যে মোরশেদ মশিয়ার হয়ে যাবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here