সাংবাদিক শামছুর রহমান হত্যার বিচারের দাবি সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দের

1
68

স্টাফ রির্পোটার,যশোর: এবারও হত্যার বিচার দাবির মধ্যদিয়ে যশোরের শহীদ সাংবাদিক শামছুর রহমান হত্যার ২১তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রেসক্লাব যশোরে সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে কালো ব্যাজ ধারণ করেন। পরে শোক র‌্যালি নিয়ে যশোর কারবালা কবরস্থানে গিয়ে শহীদের কবরে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরাম উদ দ্দৌলা, সাধারণ সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন, প্রেসক্লাব যশোরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সাবেক সভাপতি সাজেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক এইচ আর তুহিন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি এম আইউব, সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ দিনু আহমেদ প্রমুখ।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ১৬ জুলাই রাতে সাংবাদিক শামছুর রহমান খুন হবার পর ২০০১ সালে সিআইডি পুলিশ এই মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। পরে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর বর্ধিত তদন্তের নামে এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়ে সাক্ষী করা হয় আসামিদের ঘনিষ্টজনদেরকে।

এতে একদিকে মামলার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়; অন্যদিকে দুর্বল হয়ে যায় চার্জশিট। এরপর বিতর্কিত ওই বর্ধিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ২০০৫ সালের জুন মাসে যশোরের স্পেশাল জজ আদালতে এই মামলার চার্জ গঠন হয়। ওই বছরের জুলাই মাসে বাদীর মতামত ছাড়াই মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

এ অবস্থায় মামলার বাদী শহীদ শামছুর রহমানের সহধর্মিণী সেলিনা আকতার লাকি বিচারিক আদালত পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে আপিল করেন।

আপিল আবেদনে তিনি বলেন, মামলার অন্যতম আসামি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিরক পলাতক রয়েছে। হিরকসহ সংশ্লিষ্ট মামলার অন্যান্য আসামিদের সাথে খুলনার সন্ত্রাসীদের সখ্যতা রয়েছে। ফলে তার (বাদী’র) পক্ষে খুলনায় গিয়ে সাক্ষী দেয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

বাদীর এই আপিল আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলাটি কেন যশোরে ফিরিয়ে দেয়া হবে না তার জন্য সরকারের উপর রুলনিশি জারী করেন। এরপর মামলায় বর্ধিত তদন্তে সংযুক্ত আসামি ফারাজী আজমল হোসেন উচ্চ আদালতে একটি রীট করেন। সেই রীটের নিষ্পত্তি না হওয়ায় মামলার সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

1 COMMENT