সাতক্ষীরায় ৪ দিন বন্ধ থাকবে কোভিড-১৯ টিকা দান কার্যক্রম

0
26

মুহা: জিললুর রহমান,সাতক্ষীরা :
সাতক্ষীরায় পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে ২০ জুলাই থেকে চার দিন বন্ধ থাকবে কোভিড-১৯ টিকা দান কার্যক্রম। ২৪ জুলাই শনিবার থেকে যথারিতি আবারও চালু হবে এ কার্যক্রম। দ্বিতীয় দফায় জেলায় সিনোফার্মের ৪২ হাজার ডোজ টিকার বরাদ্দ আসে। জেলায় ১৯ জুলাই পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে ১৬ হাজার ৯৫৪ টি। বাকি রয়েছে ২৫ হাজার ৪৬টি। প্রথম দফায় জেলায় টিকা দেওয়া হয় এক লক্ষ ৪০ হাজার ৫০০ টি।

সিভিল সার্জনের কার্যালালয় সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় দফায় জেলার জন্য সিনোফার্মের টিকার বরাদ্দ এসেছে ৪২ হাজার। এর মধ্যে থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত টিকা প্রদান করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৫৪টি। বাকি রয়েছে ২৫ হাজার ৪৬টি।

এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ১০ হাজার ৮০০টি টিকার মধ্যে প্রদান করা হয়েছে ছয় হাজার ৬৯ ডোজ। বাকি আছে চার হাজার ৭৩১ ডোজ। আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৬০০ টি।

এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে এক হাজার ১৩ ডোজ। বাকি আছে চার হাজার ৮৭টি। দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে তিন হাজার ২০০টি। এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে ৭২৪টি। বাকি আছে দুই হাজার ৪৭৬টি। কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৮০০ টি। এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে দুই হাজার ৬৮৪টি।

বাকি আছে তিন হাজার ১১৬টি। কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে চার হাজার ৮০০ টি। এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে দুই হাজার হাজার ২৮৯টি। বাকি আছে দুই হাজার ৫১১টি। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৮০০ টি। এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে দুই হাজার ১৯৫টি।

বাকি আছে তিন হাজার ৬০৫টি। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকার বরাদ্দ করা হয়েছে ছয় হাজার। এর থেকে টিকা প্রদান করা হয়েছে এক হাজার ৯৮০টি। বাকি আছে চার হাজার ২০টি।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ: মোঃ হুসাইন শাফায়াত বলেন, ঈদ উপলক্ষে ৪ টিদন টিকা দান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২৪ জুলাই শনিবার থেকে যথা নিয়মে টিকা দান কার্যক্রম চালু হবে। যারা এসএমএস পাবেন শুধুমাত্র তারাই টিকা কেন্দ্রে এসে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। বাকিদের অহেতুক টিকা কেন্দ্রে এসে ভিড় না করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।