Sunday, May 9, 2021
Home Blog Page 1861

বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্কুলছাত্রীর গর্ভপাত

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : নীলফামারীর ডিমলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের ২০ দিনের মাথায় সুধা রানী নামে এক স্কুলছাত্রীর গর্ভপাত ঘটানো হয়েছে। গর্ভপাতের পর চিকিৎসা না করিয়ে ওই ছাত্রীকে ঘরে আটক রেখে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

সোমবার সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাখুলি গ্রামের সুভাশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে ও চাপানি সোনাখুলি সৈকত নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালযের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী শুধা রানীর সঙ্গে একই এলাকার ননী চন্দ্র রায়ের ছেলে জয়কান্ত রায়ের (১৫) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সূত্রে দৈহিক সম্পর্কের কারণে ওই ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে গত ৮ জুলাই আদালতে এফিডেফিটের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রানীর বাবা সুভাশ চন্দ্র রায় বসতবাড়ির ১০ শতক জমি বিক্রি করে মেয়েকে যৌতুক দেন। তবে বিয়ের ২০ দিনের মাথায় সুকৌশলে সুধা রানীকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পার্শ্ববর্তী হাতিবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায়। পরে বাড়িতে এসে বিসা চিকিৎসায় আটকে রাখে। বিষয়টি নিয়ে সুধা রানীর চাচা ধরঞ্জয় রায় বাদী হয়ে ডিমলা থানায় ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুধা রানী অভিযোগ করেছে, বিয়ের পর থেকে তার শ্বশুর ধনঞ্জয় রায় (৫৫), শাশুড়ি মালতী রানী (৫২), স্বামী জয়কান্ত রায় (১৫), ভাসুর হিমান্ত (৩২), অনন্ত রায় (৩০), চাচা শ্বশুরের ছেলে গৌতম কুমার রায় (২৮) ও মহাদেব চন্দ্র রায় (২৫) সব সময় তাকে নির্যাতন করত। গত বুধবার তাকে নিয়ে জোরপূবক গর্ভপাত করায়। বাড়িতে আসার পর তাকে চিকিৎসা ও খেতে দেয়নি শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। প্রশাসনের নিকট গর্ভের সন্তান নষ্ট ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি করেছে সুধা রানী।

ডিমলা থানা পুলিশের এসআই মোকছেদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, ছাত্রীটির চিকিৎসা চলছে। অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বুলবুলের চেয়ে ৮৬ হাজার ৪০৬ ভোটে এগিয়ে লিটন

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। ১৩৮ কেন্দ্রে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৫৮০। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৬ হাজার ২৭৪ ভোট। বুলবুলের চেয়ে ৮৬ হাজার ৪০৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন লিটন।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। লাগাতার ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাজশাহীর ৩০নং ওয়ার্ডের বিনোদপুরের ইসলামীয়া কলেজ কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

অবস্থানরত অবস্থায় তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হেয়েছে। নগরীর মোট ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ১০০টি কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা। এ পরিস্থিতির প্রতিকার না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার অবস্থান থেকে সরবেন না।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চম নির্বাচন এটি। এ নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ২১৭ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে মেয়র পদে রয়েছেন ৫ জন, সাধারণ ৩০টি ওয়ার্ডের বিপরীতে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১৫০ জন ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৫২ নারী।

মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. হাবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. শফিকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ মোর্শেদ। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৮টি। এসব ভোট কেন্দ্রে বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ১ হাজার ২০টি।

বিএনপি নির্বাচনের নামে অভিনয় করেছে : কাদের

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তিন সিটিতে বিএনপি নির্বাচনের জন্য অংশ নেয়নি, তাদের উদ্দেশ্যই ছিল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বহির্বিশ্বে সরকারের ইমেজ নষ্ট করা। নির্বাচনের নামে তারা অভিনয় করেছে।

সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ভোটগ্রহণ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোটারদের ভোটদানের ইতিবাচক প্রবণতা আপনারা সবাই লক্ষ্য করছেন। কিন্তু বিএনপি তাদের অভিযোগের পুরাতন রেকর্ড বাজিয়েই চলেছে। দলটি নীল নকশার নির্বাচনের যে অভিযোগ করেছে তার জবাবে আমি বলব, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে নির্বাচনকে নিয়ে জনগণের কাছে এবং বিদেশিদের কাছে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে এবং এটি তাদের নীলনকশা।

এ সময় বিএনপি অনিয়মের যে অভিযোগগুলো করছে তা তারা আগে থেকেই লিখে রেখে ছিল বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

বিএনপির দিকে অভিযোগের তীর ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, গত কয়েকদিন বিএনপি নেতৃবৃন্দের কথাবার্তা আচার-আচরণ নির্বাচন পরিবেশ বিনষ্ট প্রত্যক্ষ উস্কানি দেশের মানুষ লক্ষ্য করেছে। বিএনপি নেতারা নয়াপল্টনে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়িয়েছেন। একইসঙ্গে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে উস্কানি সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে তিনটি সিটি কর্পোরেশনে বিএনপির প্রার্থীরা। এমনকি নিজেদের লোক দিয়ে গণ্ডগোল সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করাই ছিল বিএনপির মূল টার্গেট। আজকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যা দিবালোকের মতো পরিষ্কার।

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য ছিলো দাবি করে কাদের বলেন, কেউ যদি প্রতিযোগিতা ভেস্তে দিতে মাঠে নামে তাহলে কি কিছু করার থাকে? কেউ যদি স্রেফ অভিযোগের পসরা সাজিয়ে মিথ্যাচার শুরু করে, পরাজয় জন্য নিজের ক্ষেত্র তৈরি করতে মরিয়া থাকে এবং মিডিয়াতে ফাঁদে ফেলে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়, তাহলে কি করার আছে?

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী ভোট না দিয়ে সারাদিন নাটক করেছেন। বরিশালে বিএনপির প্রার্থী মজিবুর রহমান সারোয়ার তার বাড়ির সামনে গত রাত থেকে সকাল পর্যন্ত যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন তা দেখে বোঝা যায় তিনি নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তাদের আগেই নির্ধারণ করেছিল তারা সকালে কি বলবে, দুপুরে কি বলবে নির্বাচন শেষ হলে কি বলবে!

তিন সিটিতেই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজশাহী এবং বরিশালে ইভিএম রেজাল্টে আমরা এগিয়ে। সিলেটে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছি, তাতে এখন পর্যন্ত আমরা তিন সিটিতেই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য রাশেদুল আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুর নাহার চাপা প্রমুখ।

সাংবাদিক রেজোয়ানকে হুমকি দেয়ায় নিন্দা

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সদস্য বিজনেস আওয়ার টুয়েন্টিফোর ডটকমের রিপোর্টার মো. ইব্রাহিম হোসাইন রেজোয়ানকে ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট থেকে হুমকি দেয়ায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে ডিআরইউ ও সিএমজেএফ।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ এবং সিএমজেএফ’র কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল এবং সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও নিন্দা জানান।

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) কাট্টালি টেক্সটাইলের অনিয়ম নিয়ে রিপোর্ট করায় প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে সম্প্রতি এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের পরিচালক কামরুল হাসান মোবাইলে মো. ইব্রাহিম হোসাইন রেজোয়ানকে হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে গত ২৮ জুলাই রাজধানীর নিউ মার্কেট থানায় একটি জিডি করা হয়েছে (জিডি নম্বর- ১৫৪৭)

ডিআরইউ’র পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়ছে, এ ধরনের হুমকি কুরুচিপূর্ণ এবং একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের সন্ত্রাসী আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

এদিকে সিএমজেএফ’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইপিওতে কাট্টালি টেক্সটাইলের অনিয়ম নিয়ে রিপোর্ট করায় প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে সম্প্রতি এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের পরিচালক কামরুল হাসান টেলিফোনে হামলা ও মামলার হুমকি দেন।

সিএমজেএফ মনে করে এ ধরনের হুমকি কুরুচিপূর্ণ এবং একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের সন্ত্রাসী আচরণের বহিঃপ্রকাশ, যা স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম বিকাশের অন্তরায়। এ হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে সিএমজেএফ। সাংবাদিক সমাজ কোনোভাবেই এ ধরনের হুমকি মেনে নেবে না।

সিএমজেএফ’র বিবৃতিতে ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আর্কষণ করা হয়। পাশাপাশি ইস্যু ম্যানেজারসহ শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে যথাযথ পেশাদারিত্ব আশা করা হয়।

ইহরাম অবস্থায় যে ভুলে হাজিদের কাফফারা দিতে হবে

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : হজের ফরজ কাজ আদায় করতে না পারলে কোনো কাফফারা হবে না বরং পরের বছর কাজা করতে হবে। নতুবা হজ আদায় হবে না। আর হজের ৩ ফরজ কাজ ব্যতিত অন্যান্য কাজের কোনোটি ছুটে গেলে তার জন্য ছোট ও বড় কাফফারা দিতে হবে।

হজের কাফফারা

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ করলে কাফফারা হিসেবে দম, বুদনা বা সাদকা আদায় করতে হয়। আর তা নিষিদ্ধ কাজের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।

যেসব কাজে কাফফারা দিতে হবে

– পূর্ণ বা আংশিক নাপাক অবস্থায় বা নারীদের হাফেজ (ঋতুস্রাব) অবস্থায় তাওয়াফে জিয়ারত করলে ‘বুদনা’ অর্থাৎ গরু বা উট কুরবানি দেয়া ওয়াজিব। তবে পবিত্র হওয়ার পর যদি ওই তাওয়াফ আদায় করা হয় তবে কোনো কাফফারা দিতে হবে না।
– কোনো নারী যদি হায়েজ-নেফাস অবস্থায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করে; তবে ওই নারীকে আবার কাবা শরিফ তাওয়াফ করা ওয়াজিব। আর যদি কেউ ওজু ছাড়া কাবা শরিফ তাওয়াফ করে তবে তা আবার তাওয়াফ করা মোসতাহাব।
– সাফা-মারওয়ার আংশিক কিংবা পূর্ণ সাঈ বিনা কারণে ছেড়ে দেয় তবে দম বা কুরবানি দেয়া ওয়াজিব। তবে আবার সাঈ করে নিলে কুরবানি বা দম দেয়া লাগবে না।

– সাঈ’র এক, দুই, তিন চক্কর দিলে প্রতি চক্করের জন্য সাদকা দিতে হবে।
– আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত থাকার দিন ৯ জিলহজ কেউ যদি আরাফাতের ময়দানে গিয়ে আবার ময়দান থেকে বের হয়ে যায় এবং সুর্যাস্তের আগে আবার ফিরে না আসে তবে তবে তাকে দম দিতে হবে।
– নারী কিংবা অধিক বয়স্ক নারী-পুরুষ ভীষণ ভীড়ের ভয়ে মুজদালিফায় অবস্থান করলে কোনো কাফফারা নেই। কিন্তু এ ধরনের ওজর না হলে নির্ধারিত সময়ের আগে মুজদালিফা ত্যাগের জন্য দম দেয়া ওয়াজিব।
– ১০ জিলহজ মুজদালিফা থেকে মিনায় গিয়ে বড় জামরাতে কংকর নিক্ষেপ যদি ১১ তারিখ সুবহে সাদিকের আগে সম্পন্ন না করা হয় তবে দম দিতে হবে।
– মিনায় জামরায় পাথর নিক্ষেপ না করে মাথা মুণ্ডন করলে দম দেয়া ওয়াজিব।
– কিরান ও তামাত্তু হজ আদায়কারীরা কুরবানির আগে মাথা মুণ্ডন করলে কংকর নিক্ষেপ করা ওয়াজিব।
– যারা কিরান ও তামাত্তু হজ আদায় করবে; তারা কংকর নিক্ষেপের আগে মাথা মুণ্ডন করলে দম দেয়া ওয়াজিব।

– প্রয়োজনে হোক আর বিনা প্রয়োজনে অল্প কিংবা বেশি পরিমাণে ছোট-বড় যে কোনো অঙ্গে অথবা দাড়ি, চুল, হাত বা পা ইত্যাদিতে সুগন্ধি ব্যবহার করলে দম দিতে হবে।
– ইহরামকারী একদিন একরাত সময় পরিমাণ সেলাই করা কাপড় পরিধান করলে কোরবানি এবং তার চেয়ে কম সময় হলে সাদকা দিতে হবে।
– সেলাই করা বা না করা কাপড় দিয়ে মাথা মুখের চার ভাগের এক ভাগ ঢেকে রাখলে (একদিন এক রাতের চেয়ে বেশি সময় হলে) কুরবানি দিতে হবে। এর চেয়ে কম সময় হলে সাদকা দিতে হবে।
– মাথা বা দাড়ির চার ভাগের এক ভাগ মুড়িয়ে ফেললে অথবা দেহের অন্য কোনো অংশের চুল ফেলে দিলে কুরবানি এবং চার ভাগের এক অংশের কম হলে সাদকা দিতে হবে।
– একই বৈঠকে হাত-পায়ের নখ কাটলে একটি কুরবানি দেতে হবে।
– ছেঁড়া বা ফেটে যাওয়া নখ কেটে ফেললে কিংবা নখের আঘাতে নিজের হাত বা আঙুল কেটে ফেললে কুরবানি বা সাদকা কোনোটাই দিতে হবে না।

– কোনো নারী বা পুরুষ পরস্পরকে উত্তেজনার সাথে স্পর্শ করলে কুরবানি দিতে হবে।
– তাওয়াফে জিয়ারতের আগে স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে হজই বাতিল হয়ে যাবে। পরের বছর তাওয়াফে জিয়ারতের নির্ধারিত সময়ে তা আদায় করতে হবে। তবে হজ বাতিল হলেও কুরবানি দেয়া ওয়াজিব এবং অন্য হাজিদের মতো বাকি যাবতীয় কাজ করে যেতে হবে।
– ওকুফে আরাফা তথা আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের পরে ও মাথা মুণ্ডনের আগে সহবাস করলে হজ বাতিল হবে না বটে, একটি গরু বা উট কুরবানি করা ওয়াজিব।
– ইহরাম ছাড়া মিকাত অতিক্রম করা উচিত নয়। মিকাতে ফিরে এসে ইহরাম বেঁধে নেয়া উচিত। ফিরে না এসে ইহরাম বাঁধলে একটি কুরবানি দিতে হবে।
– সব অথবা অধিকাংশ তাওয়াফ বিনা ওজুতে করলে কুরবানি দিতে হবে।
– যদি তাওয়াফে কুদুম বা বিদায়ী তাওয়াফ কিংবা অর্ধেকের কম তাওয়াফে জিয়ারত বিনা ওজুতে করে তবে প্রতিটি চক্করের জন্য সাদকা দিতে হবে। আর যদি ওজুসহ আবার তাওয়াফ করে, তাহলে দম বা সাদকা কিছুই দিতে হবে না।
– হাজরে আসওয়াদে যদি সুগন্ধি লাগানো থাকে আর তাতে চুম্বন করার সময় যদি অধিক পরিমাণ সুগন্ধি মুখে বা হাতে লেগে যায়; তবে ইহরামকারীর জন্য দম ওয়াজিব হবে। আর সুগন্ধির পরিমাণ কম হলে সাদকা দিতে হবে।

– ইহরাম অবস্থায় মাথা, হাদ বা দাড়িতে মেহদি লাগানো নিষিদ্ধ। যদি পুরো মাথা হাত বা দাড়িতে কিংবা এক-চতুর্থাংশ পরিমাণ লাগানো হয়। আবার মেহদির রং যদি গাঢ় না হয়ে হালকা হয় তবে একটি দম দিতে হবে। আর যদি গাঢ় হয় তবে দুটি দম দিতে হবে। কিন্তু নারীদের জন্য একটি দম দেয়া ওয়াজিব। কেনা তাদের মথা ঢাকা নিষিদ্ধ নয়। হাতে মেহদি লাগানো নারী-পুরুষ প্রত্যেকের জন্যই দম ওয়াজিব।
– শরীরের পশম বা লোম যদি কেটে ফেলে বা লোমনাশক ঔষধের দ্বারা তুলে ফেলে তবে দম দিতে হবে।
– হাত বা পায়ের নখ কাটলেও দম দিতে হবে।
– ইহরাম অবস্থায় স্ত্রীকে আসক্তি সঙ্গে চুম্বন বা স্পর্শ করলে দম ওয়াজিব হবে।
– সাফা ও মারওয়ায় সাঈ না করলে দম ওয়াজিব হবে।
– মুজদালিফায় অবস্থান তরক করলে কুরবানি দিতে হবে।
– নির্ধারিত সময়ে কংকর নিক্ষেপ না করলেও দম দেয়া ওয়াজিব।

মনে রাখতে হবে
যেসব কাজে দম বা কুরবানি করা ওয়াজিব; তা হারামের সীমানার মধ্যেই জবেহ করতে হবে; গোশত সাদকা করে দিতে হবে। কাফফারার গোশত নিজে কিংবা সচ্ছল কেউ খেতে পারবে না।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব হাজিকে হজ ও ওমরার ইহরামকালীন সময়ে উল্লেখিত কাজগুলো থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে হজ ও ওমরা সম্পাদন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ফিজিওথেরাপি কলেজ ও কাউন্সিল বাস্তবায়নের দাবি

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : ফিজিওথেরাপি কলেজ ও কাউন্সিল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত ফিজিওথেরাপি পরিষদ। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

এতে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন রোগ,ব্যথা, প্যারালাইসিসজনিত কারণসহ অনেক মানুষ প্রতিবন্ধীতার শিকার হয়। তারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে বোঝা হিসেবে পরিগণিত হয়ে আছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে জাতীয় সম্পদে পরিণত করা সম্ভব। এর জন্য দেশে সুশিক্ষিত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরি করার জন্য ফিজিওথেরাপি কলেজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ফিজিওথেরাপি পেশার জন্য কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান বা কাউন্সিল নেই। তাই অবিলম্বে ফিজিওথেরাপি কলেজ ও কাউন্সিল বাস্তবায়নের দাবি আমাদের।

বক্তারা আরও বলেন, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রসারের জন্য একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০০৮ সালে মহাখালীতে ফিজিওথেরাপি কলেজের জন্য সরকার সোয়া পাঁচ একর জমি ও টাকা বরাদ্দ দেয়া সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত তার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত ফিজিওথেরাপি পরিষদের প্রচার সমন্বয়ক মনিরুজ্জামান খান, দলিলুর রহমানসহ পরিষদের অন্য সদস্যরা।

সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের বিচার শুরু

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

সোমবার ঢাকার ১নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আতাউর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন তিন আসামি।

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন খন্দকার মোশাররফের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

অন্য দুই আসামি হলেন- মোশাররফ হোসেনের ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ অধিদফতরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্পভুক্ত বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিমানের টিকিট সরবরাহের বিষয়ে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সাজানো টেন্ডারের মাধ্যমে সরকারের ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ৮০ টাকা ক্ষতি করে নিজেরা লাভবান হন।

ওই ঘটনায় ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান মামলাটি করেন। ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলা তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

প্রাথমিকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ব্যতীত এ দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাশ থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাশ হতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন কার্যক্রম আগামী ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আবেদন করার পর প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সা যে কোনো টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে এসএমএসের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে হবে।

ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাশ এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাশ রাখা হয়েছে।

ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

দোসা তৈরির রেসিপি

0

রেসিপি : দোসা দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আমাদের দেশে। রেস্টুরেন্টগুলোতে এর চাহিদা বেশ। তবে রেস্টুরেন্টে না গিয়ে বাসায়ও তৈরি করতে পারেন দোসা। রইলো রেসিপি-

উপকরণ: ৩ কাপ আধা সেদ্ধ করা পোলাওয়ের চাল, ১ কাপ কলাইয়ের ডাল, ১ চা চামচ খাবার সোডা, ১ চা চামচ লবণ, ১/২ চা চামচ চিনি।

প্রণালি: চাল ও ডাল ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। চাল ও ডাল মিহি করে বেটে ফেলুন অথবা ব্লেন্ডারে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণে লবণ, চিনি ও পানি মিশিয়ে পাতলা করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আরো ৬/৭ ঘণ্টা রাখুন।

একটি নন-স্টিক পাত্রে তেল ব্রাশ করে হাল্কা আঁচে গরম করুন। তেল গরম হয়ে গেলে পাত্রে এক টেবিল চামচ দোসা তৈরির মিশ্রণ ঢালুন এবং পাত্রের চারদিকে চামচ দিয়ে পাতলা ও গোল করে ছড়িয়ে দিন। দোসার নিচের অংশ হালকা বাদামী হয়ে ধারগুলো উঠে এলে বুঝতে হবে দোসা হয়ে গেছে। দোসা তোলার সময় সাবধানে তুলতে হবে। চাইলে গোল করে মুড়িয়ে দিতে পারেন অথবা সোজাও রাখতে পারেন।

প্রতিবার পাত্রে দোসার মিশ্রণ দেয়ার আগে পাত্রটি কাপড় দিয়ে মুছে তেল ব্রাশ করে নিতে হবে। নয়তো দোসা আটকে যাবে এবং ওঠানোর সময় ছিঁড়ে যাবে। ডাল ভুনা, সবজি, তেঁতুল বা জলপাইয়ের চাটনি, নারকেল মিষ্টি চাটনি, আমের আচার বা দই দিয়ে গরম গরম দোসা পরিবেশন করুন।

বাজারে এলো জনপ্রিয় হুয়াওয়ের নোভা থ্রিআই মোবাইল

0

বার্তাবিডি ডেস্ক : চব্বিশ মেগা পিক্সেলের ৪টি ক্যামেরা নিয়ে বিশ্বখ্যাত স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে বাজারে এনেছে তৃতীয় জেনারেশনের হুয়াওয়ে নোভা থ্রিআই। দেশের ৬৪ জেলার হুয়াওয়ের সব ব্যান্ডশপে ২৮ হাজার ৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে নতুন হ্যান্ডসেটটি দেশের বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। হুয়াহুয়ে নোভা থ্রিআই নোভা সিরিজের আগের হ্যান্ডসেটগুলোর মতই আধুনিক ডিজাইন সমৃদ্ধ, এছাড়া এ আই চার ক্যামেরার ছবি তোলার অভিজ্ঞতা হ্যান্ডসেটটিতে অন্যন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপ (বাংলাদেশ) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অ্যারন শি বলেন, আমাদের গ্রাহকদের নতুন প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা উপহার দেয়ার অঙ্গীকার নিয়ে আমরা এই মোবাইল বাজারে এনেছি। আশা করছি, হুয়াওয়ে নোভা থ্রিআই গ্রাহকদের প্রত্যাশাকে অনন্য উচ্চতার নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সর্বাধুনিক কিরিন ৭১০ চিপসেটের সঙ্গে এসআই প্রযুক্তি এবং ইএমইউআই ৮.২ বিশিষ্ট এই হ্যান্ডসেট এমন একটি ইএমইউআই ইকোসিস্টেম তৈরি করে যা এ আই শপিং, এআই গ্যালারি, এ আই কমিউনিকেশনসের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য হ্যান্ডসেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও বেশি সহজ ও সাবলীল। কিরিন ৭১০ এসওসি’র সঙ্গে ১২৮ জিবি রম এবং ৪ জিবি র্যাম বিশিষ্ট হ্যান্ডসেটটির রয়েছে জিপিইউ টারবো যা গ্রাফিক্সের গুণগত মান বৃদ্ধি করবে।

আগ্রহী গ্রাহকরা হুয়াওয়ে এই ফোন সেট অগ্রিম বুকিং দিতে পারবেন। ১ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বুকিং দেয়া যাবে। অগ্রিম বুকিংকারীরা আকর্ষণীয় উপহার পাবেন। এছাড়া গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীরা পাবেন ১০ দিন মেয়াদী ৫ বিজি ইন্টারনেট বান্ডেল একদম ফ্রি। এছাড়া সেটটি কেনার জন্য ব্যাংকে ৬ মাসের জন্য ইএমআই ব্যবস্থা রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ