Home Blog Page 3085

তামিম-সাকিব হাসলে, হাসে বাংলাদেশও

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ :  ওয়ানডে সিরিজ ছিলো ‘পঞ্চপাণ্ডব’ময়। ফ্যান্টাস্টিক ফাইভের ডানায় চড়েই এক দিনের সিরিজে সাফল্যের চূড়ায় আরোহন করেছিল টাইগাররা। তিন ম্যাচের প্রথমটিতে পঞ্চপান্ডবের দুই বাঁহাতি তামিম-সাকিব হয়েছিলেন আলোকবর্তিকা। প্রথম ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরে দুই বাঁহাতির ২০৭ রানের জুটিতে ভর করে গড়ে উঠেছিল টাইগারদের জয়ের বীজ

দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের দোড়গোড়ায় গিয়ে ছুঁতে না পারলেও তামিম-সাকিবের ৯৭ রানের আরেক বড় জুটি আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আবারো তামিম-সাকিব জুটির কার্যকরী ব্যাটিং। এবার সেন্ট কিটসে ৮১ রানের জুটি এবং তাতেই সিরিজ জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া।

আজ কাঁকডাকা ভোরে তামিম-সাকিবের চওড়া ব্যাটে স্কোরবোর্ড হলো মোটাতাজা, লম্বাচওড়া। তবে এবার আর দ্বিতীয় উইকেটে নয়, চতুর্থ উইকেটে। ৭.৪ ওভারে ৩ রান তখন ৪৮। এই ধ্বংসস্তুপের মাঝে দাঁড়িয়ে ৫০ বলে ৯০ রানের ম্যাচ নির্ধারণী জুটি। যার উপরে ভর মেলে ১৭১ রানের বড় পুঁজি। তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৭৪, সাকিব করেন ৬০।

সাকিব-তামিমের এই কার্যকরী জুটি বাদ দিয়ে এই দুজনের ব্যক্তিগত অবদান দেখলেও অনেক এগিয়ে থাকবেন তারা। বাংলাদেশ দলের মোট ১৭১ রানের মধ্যে ১৩৪ রানই এসেছে এই দুয়ের ব্যাটে। অতিরিক্ত খাত থেকে ৪ রান বাদ দিলে বাকিরা করেছেন মাত্র ৩৩ রান। পরে বল হাতেও কিপটে বোলিংয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন সাকিব।

বাংলাদেশ দল গত দুই বছরে যে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছেন সেসব ম্যাচে ম্যাচসেরা হয়েছেন পঞ্চপান্ডবের চারজন। গতবছরের এপ্রিলে শ্রীলংকার বিপক্ষে সাকিব আল হাসান ও আজ (রোববার) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তামিম ইকবাল। মাঝে নিদাহাস ট্রফির দুই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। পঞ্চপান্ডবের শীর্ষ পান্ডব মাশরাফি বিন মর্তুজার পক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচসেরা হওয়া সম্ভব নয়। কেননা অদৃশ্য কালো হাতের স্পর্শে যে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক এখন শুধুই ওয়ানডে দলের অধিনায়ক।

উপরে বলা হয়েছে তামিম-সাকিব জুটির সাতকাহন। তবে আজকের পার্টনারশিপটি যে নতুন কাহিনীতে সাজানো। আজকাল তামিম খেলছেন ধীরে-সুস্থে, আক্রমণাত্মক মেজাজের বদলে রয়ে-সয়ে; প্রতিপক্ষ বোলিংকে দুমড়ে মুচড়ে দেয়ার চেয়ে নিজ দলের ইনিংসকে লম্বাচওড়া করার কথা ভেবে। তাই ক্যারিয়ার শুরুর সময়ের তুখোড় মারকুটে ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাট এখন অনেকটাই শান্ত।

তামিম এখন শট খেলার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকতেই বেশি উৎসাহী। তাই স্ট্রাইকরেট গেছে কমে। ওয়ানডে সিরিজে যা ছিলো ৭৭ এর আশেপাশে। আজ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম যেন ফিরে গেলেন ক্যারিয়ারের স্বর্ণ সময়ে। খেললেন ৪৪ বলে ৭৪ রানের ইনিংস। স্ট্রাইকরেট ওয়ানডের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি, ১৬৮।

তামিম দেখিয়ে দিলেন আমি এখনো আগের মতোই মারতে পারি, চার-ছক্কার ফুকঝুরি ছোটাতেও পারি। তা যে পারেন তার জ্বলন্ত নজির আজকের ম্যাচে সাকিবের(১৫৭) চেয়ে বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং।

তামিমের এই ঝড়ো উইলোবাজি কাজে দিতো যদি বন্ধু সাকিব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দিতেন। লিটন (১), মুশফিক (৪) ও সৌম্য (১৪) অল্পতেই ফিরে যাওয়ার পর তামিম-সাকিব হাত খুলে খেলে ক্যারিবীয় বোলারদের আর চেপে বসার সুযোগ দেননি। ওই সময়ে জুটি গড়ার পাশাপাশি হাত খুলে খেলাও যে খুব জরুরী ছিল। নাহয় ওভারপ্রতি রান তোলার গতি কমে যেত অনেক।

‘আমাদের পরে সে অর্থে রিয়াদ ভাই ছাড়া আর কেউ ভরসা করার মতো কেউ নেই। বিগহিট খেলার সামর্থ্যও কম। তাই যা করার আমাদেরকেই করে যেতে হবে’ – এই বোধ উপলব্ধি থেকেই দুজনের এমন ঝড়ো ব্যাটিং। এইযে সঠিক সময়ে সঠিক উপলব্ধি এবং সেই মতো কাজ করা, সেখানেই তামিম-সাকিবের বিশেষত্ব।

আজকের ম্যাচের চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে সেটাই বেরিয়ে আসবে। শেষপর্যন্ত সাকিব, মোস্তাফিজ, নাজমুল অপু, আবু হায়দার ও রুবেল হোসেনের কার্যকর বোলিংয়ে ১২ রানের জয় ধরা দিলেও, এ জয়ের সত্যিকারের রুপকার-স্থপতি যে সাকিব-তামিমই।

আর তাই তো শেষ ওভারে নাজমুল অপুর দুই রান দিয়ে দুই উইকেট, সাকিবের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স (৬০ ও ২ উইকেট) সত্ত্বেও তামিম ইকবালই হয়েছেন ম্যাচ সেরা। বুঝাই গেছে তামিমের ইনিংসটাকেই ম্যাচ ভাগ্য নির্ধারণী ইনিংস হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

অবশ্য এখানে সাকিবের অবদানও কিছু কম নয়। বরং বোলিংটাকে মানদণ্ড ধরলে ম্যাচসেরার অন্যতম দাবিদার যে সাকিবও। দুই বন্ধুর দুজনই যৌথভাবে ম্যাচসেরা হননি। তামিমের হাতেই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরষ্কার- তাতে কি! শেষ হাসি তো অধিনায়ক সাকিব আল হাসানেরই। সাকিব-তামিম হাসলে যে বাংলাদেশও হাসে সে সত্য জানা হলো আরেকবার।

আসছে উড়ন্ত ট্রেন

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ :  জেমস বন্ড সিরিজের চলচ্চিত্রে চোখ ধাধাঁনো কাল্পনিক অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যায়। জেমস বন্ড চলচ্চিত্রের প্রযুক্তিবিদ খ্যাত কোয়ার্টারমাস্টার (কিউ) বন্ড এজন্য বিখ্যাত। এবার সেই কাল্পনিক সব প্রযুক্তির বাস্তব রূপ দিতে যাচ্ছেন প্রযুক্তিবিদরা।

ফ্রান্সের প্রযুক্তি কোম্পানি আক্কা টেকনোলজি বলছে, তারা এমন এক ধরনের ট্রেন তৈরি করছেন যা প্রয়োজনীয় মুহূর্তে উড়াল দিতে পারবে। আক্কা বলছে, বিমান রানওয়েতে অবতরণের পর সেখানে যাত্রীদের জন্য একটি ট্রেনের বগি চলে আসবে। ট্রেনের ওই বগিতে থাকবে যাত্রীদের বসার আসন। অপর কক্ষে থাকবে প্রাইভেটকার।

যাত্রীরা ট্রেনে উঠার পরপর সেটি স্বয়ংক্রিয় উপায়ে বিমানের সঙ্গে যুক্ত হবে। যাত্রীর নিজস্ব গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য রেললাইন ধরে ছুটবে এই বিমানট্রেন। আক্কার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মওরিস রিসসি বলেছেন, বিমানবন্দরে যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তার স্বার্থে সবার চোখের রেটিনা স্ক্যান করা হবে।

ইউসিবির সঙ্গে কফি বিনের চুক্তি

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ :  ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবি) সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করেছে দ্য কফি বিন অ্যান্ড টি লিফ।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউসিবির সব ভিসা ও মাস্টার ক্রেডিট কার্ডধারীরা দ্য কফি বিন অ্যান্ড টি লিফের সব পণ্যে ১৫ শতাংশ বিশেষ ছাড় পাবেন।

সম্প্রতি ইউসিবির এভিপি ও হেড অব রিটেল বিজনেস তৌফিক হাসান এবং দ্য কফি বিন অ্যান্ড টি লিফের হেড অব অপারেশন্স মোস্তাফা নুর-ই-সাফা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউসিবির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব কার্ডস নেহাল এ হুদা, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. গিয়াস উদ্দিন, কফি বিন অ্যান্ড টি লিফের সিনিয়র ম্যানেজার অপারেশন্স ও সাপ্লাই চেইন মো. রবিউল ইসলাম কম্পন, কফি বিন অ্যান্ড টি লিফের মার্কেটিং ম্যানেজার মোহাম্মদ আবরার রাজ্জাকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

হামলায় মির্জা ফখরুলের দল জড়িত : কাদের

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ : আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার দল জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৫ আগস্ট) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, আমীর খসরুর বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে অরাজনৈতিক একটা আন্দোলনে বিএনপি রাজনৈতিক রঙ, রূপ দিতে চলেছে। আমীর খসরুর বক্তব্যে মির্জা ফখরুল সমর্থন দিয়ে সেটিই প্রমাণ করলেন। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয় যে বিএনপি ও তার দোসররা একেকবার একেক আন্দোলনের ওপর ভর করছে।

তিনি বলেন, কোটা আন্দোলনে সুবিধা করতে না পেরে বিএনপি এখন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে সওয়ার হয়েছে।

‘মির্জা ফখরুল দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ অফিসে নাকি সাতজনকে আটকে রেখে আহত করা হয়েছে। গতকালকে ফেসবুকের ভিডিও পোস্টের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে ভিডিও পোস্টের অপপ্রচারের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ও বিএনপির সংযোগ রয়েছে। আমরা এটাও এখন মনে করছি, যে মেয়েটা বলেছিল আওয়ামী লীগ অফিসে আমি ধর্ষিত হচ্ছি, আমাকে বাঁচান সেটি ফেসবুকে পোস্টটি দেয়ার সঙ্গে বিএনপি জড়িত। আওয়ামী লীগ অফিসে যে হামলা হয়েছিল তাতে মির্জা ফখরুল ইসলামের দলের সংযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, আজকে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার জন্য বিএনপি-জামায়াত তাদের ছাত্র সংগঠনকে দিয়ে আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল। আওয়ামী লীগ অফিসের পিছন থেকেও আক্রমণের চেষ্টা হয়েছিল, এটা অনেকেই দেখেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ অফিস শেখ হাসিনার অফিস। এখানে হামলার দুঃসাহস দেখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বারবার বলেছেন শিক্ষার্থীদের ওপর বল প্রয়োগ করা যাবে না। কিছুক্ষণ আগেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা উপদেশ চেয়েছিলাম। তিনি আমাদের অল্প কথায় বলেছেন এ পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে সতর্ক থাকতে হবে।

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এখন ধৈর্য ধরে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা কোনোভাবেই আক্রমণকারী হিসেবে চিহ্নিত হতে চাই না। আমরা ক্ষমতায় অছি, আমরা দেশে শান্তি চাই। ক্ষমতায় থেকে অশান্তি কেন চাইবো? আমরা বিশ্বাস করি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তাই কোনো চক্রান্ত করে লাভ হবে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। গতকাল যা ছিল, আজকে দুই একটি জায়গা ছাড়া শিক্ষার্থীরা কোথাও রাস্তায় অবস্থান নেয়নি। তারা প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানায়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল সড়ক পরিবহন আইন মন্ত্রীসভায় অনুমোদন হবে। এটা পরবর্তী সংসদে পাস হবে। এরপর ৯ দফা দাবির যেগুলো আইনি কারণে বাস্তায়ন হয়নি সেটাও হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন।

‘আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করলে আমরা কি চুমো খাবো’ এ বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেলে কাদের দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ বক্তব্য মুখ ফসকে বের হয়েছে। রাজনীতিতে এ ধরনের শব্দ কেউ আমার কাছে আশা করেনি।

আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলার বিষয়ে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এ বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি। এটা আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনা হবে। আরও একটু পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে দ্বিধায় মালিকপক্ষ

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ : ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে দ্বিধায় পড়েছে পরিবহন মালিকপক্ষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে কেউ ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছেন কেউবা বিক্রি করছেন।

টিকিট বিক্রির ব্যাপারে দ্বিধায় পড়েছে বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনও। রোববার সকাল থেকে বাসের অগ্রিম টিকিট দেয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে টিকিট বিক্রি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক তালুকদার সোহেল।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির দিন ধার্য ছিল। সে অনুযায়ী টিকিট বিক্রি চলছে। তবে নিরাপত্তা ইস্যুতে কেউ টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছেন কেউবা বিক্রি করছেন। আশা করছি কাল থেকে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

তবে সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শ্যামলী পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষ গণমাধ্যমকে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে টিকিট দেয়া আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বাসের সিডিউল ঠিক নেই। বাস চালু হওয়ার পর বাসের সিডিউল ঠিক করে বাসের অগ্রিম টিকিট দেয়া হবে। পরিস্থিতি আগামীকাল ভালো হলে কালকেই অগ্রিম টিকিট দেয়ার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

শ্রেষ্ঠত্ব লড়াইয়ে কঠোর অনুশীলনে যশোরের তিনটি ক্লাবের ৩৫ সাঁতারু

0

আসছে জাতীয় তিনটি সাঁতার প্রতিযোগিতা

ইমরান হোসেন পিংকু
আর কয়েক মাস পরেই শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের তিনটি সাঁতার প্রতিযোগিতা। আর এই প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করবে যশোরের তিনটি ক্লাবের ৩৫ জন সাঁতারু। যশোর সরকারি এমএম কলেজের পুকুরে সকাল-বিকেল অনুশীলন করছে ছেলেমেয়েরা।

এদিকে জাতীয় পর্যায়ে এই তিনটি সাঁতার প্রতিযোগিতার মধ্যে যশোরে অনুষ্ঠিত হবে একটি। এবারের জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় ‘ভালো রেজাল্ট করবে’ বলে আশা করেন যশোর জেলার সাঁতার প্রশিক্ষক আব্দুল মান্নান।

জানা যায়, আগামী ৬ সেপ্টেম্বরে যশোরে জাতীয় ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় ৩০ তম জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতা। এছাড়া নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে ৩৩ তম জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতার জন্য এমএম কলেজের পুকুরে ডলফিন সুইমিং ক্লাব, সৃষ্টি সুইমিং ক্লাব ও যশোর সুইমিং ক্লাবের ৩৫ সাঁতারু স্বর্ণ জয়ের নেশায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।

ডলফিন সুইমিং ক্লাবের সাঁতারু ফারজানা রুমি বলেন, ‘৩২ তম জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় দু’টি স্বর্ণ, ছয়টি রৌপ্য ও দু’টি তামাসহ ১০ পদক অর্জন করে। ৩৩তম জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় ডলফিন সুইমিং ক্লাব তথা যশোরকে আরও বেশি পদক উপহার দেয়ার আশা করছি। তার জন্য সকাল বিকেল এমএম কলেজের পুকুরে প্রশিক্ষণ নিচ্ছি।’

ডলফিন সুইমিং ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নুরুল আরিফিন বলেন, ‘গত বছরে ৩২ তম জাতীয় বয়স ভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় দু’টি স্বর্ণসহ ১৮ পদক অর্জন করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এবার বয়স ভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করার টার্গেট রয়েছে। অপরদিকে যশোরের মাটিতে জাতীয় ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এখানে ভালো রেজাল্ট করার আশা রাখছি। আর তার জন্য সাঁতারুদের কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রাখা হয়েছে।’
যশোর জেলার সাঁতার প্রশিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ডলফিন সুইমিং ক্লাব, সৃষ্টি সুইমিং ক্লাব ও যশোর সুইমিং ক্লাবের ৩৫জন সাঁতারুকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। তবে আশা করা যায় যশোরের এই তিন ক্লাবের ছেলেমেয়েরা সাঁতারে ভালো রেজাল্ট করবে।’

শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভুটান যাচ্ছে মারিয়ারা

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ :  গত ডিসেম্বরে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ৮ মাসের মাথায় সেই মুকুট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে এবার ভুটান যাচ্ছে লাল-সবজু জার্সিধারী কিশোরীরা। কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন ২৩ ফুটবলার নিয়ে ভুটান যাচ্ছেন সোমবার। ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে ৯ থেকে ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ৬ দেশের এ টুর্নামেন্ট।

চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে ‘বি’ গ্রুপে আছে নেপাল ও পাকিস্তান। ‘এ’ গ্রুপে ভারতের সঙ্গী ভুটান ও শ্রীলংকা। বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ খেলবে ৯ আগস্ট পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। নেপালের সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচ ১৩ আগস্ট। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল উঠবে সেমিফাইনালে।

শনিবার বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কিশোরীদের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন শিরোপা ধরে রাখার আশা ব্যক্ত করেছেন, ‘আমার বিশ্বাস শিরোপা ধরে রাখতে পারবো। ডিসেম্বরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আমরা বসে থাকিনি। বরং আরো কঠোর অনুশীলন করেছি।’

অধিনায়ক মারিয়া বলেছেন,‘আমরা ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবার ভুটান থেকেও ট্রফি নিয়ে আসতে চাই। আমরা দেশবাসীর দোয়া চাই যাতে সেখানেই সুন্দর ফুটবল খেলতে পারি।’

বাংলাদেশ দল
মাহমুদা আখতার, রুপনা চাকমা, রুপা আক্তার, আঁখি খাতুন, আনাই মগিনি, নাজমা, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, ইলামনি, শাহেদা আক্তার রিপা, আনুচিং মগিনি, রেহানা আক্তার, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, লাবনী আক্তার, তহুরা খাতুন, মুন্নী আক্তার, শামসুন্নাহার, সোহাগী কিসকু, ঋতুপর্ণা, সাজেদা, শামসুন্নাহার জুনিয়র, রোজিনা, নওসুন।

দ্বিতীয় ম্যাচে সহজ জয় ‘এ’ দলের

0

বার্তাবিডি ২৪ নিউজ :  বাংলাদেশ ‘এ’ দলের আয়ারল্যান্ড সফরের প্রথম আনঅফিশিয়াল ওয়ানডে ম্যাচটি ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। খেলা হয়েছিল মাত্র ৫ ওভার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আসেনি কোন বাঁধা, সহজেই জিতেছেন মুমিনুল-মিথুনরা। ৮৭ রানের জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ‘এ’ দল।

শুক্রবার তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জাকির হাসান ও পরীক্ষিত পারফরমার ফজলে মাহমুদের ফিফটিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৮৯ রান করে বাংলাদেশ। যা তাড়া করতে নেমে ২১ বল বাকি থাকতেই ২০২ রানে অলআউট হয় আইরিশদের ‘এ’ দল ওলভস।

আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই তরুণ জাকির হাসান ও সাঈফ হাসান। সাঈফ ৩৭ রান করে ফিরলে ভাঙে ১৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। সাঈফ ফিরে যাওয়ার খানিক পরে ফিরে যান জাকিরও।

অল্পের জন্য ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। ৯২ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কার মারে ৯২ রান করেন তিনি। শেষের দিকে হাল ধরেন ফজলে মাহমুদ ও আলআমিন জুনিয়র। ৪৯ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন আলআমিন। ফজলে মাহমুদের ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৫৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

এছাড়া অধিনায়ক মুমিনুল হক ৩৪ বলে করেন ২৩ রান। ৫ বল খেলে রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন মোহাম্মদ মিথুন। শেষদিকে ৬ বল খেলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন নুরুল হাসান সোহান। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ২৮৯ রানে।

রান তাড়া করতে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় ওলভসের টপঅর্ডার। খালেদ আহমেদ ও সানজামুল ইসলামের বোলিং তোপে মাত্র ৪১ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন হ্যারি টেক্টর ও শেন গেটলেক। পঞ্চম উইকেটে যোগ করেন ৫৭ রান।

টেক্টরের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান, গেটলেক করেন ৩৮ রান। শেষদিকে টাইরন কেনের ৪০ বলে ৪৯ রানের ইনিংসে ২০০ ছাড়ায় তাদের ইনিংস। ৩ চার ও সমান ছক্কার মারে এই রান করেন কেন।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। দুইটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ, সানজামুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীন। ব্যাট হাতে পঞ্চাশ হাঁকানো ফজলে মাহমুদও নেন একটি উইকেট।

রোববার একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

সাংবাদিক রেবা রহমানের মৃত্যু

0

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের সাংবাদিক রেবা রহমান মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রেসক্লাব যশোরের কোষাধ্যক্ষ কাজী আশরাফুল আজাদ।
হৃদরোগের কারণে গত বৃহস্পতিবার রেবা রহমানকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখান থেকে তাকে ওই রাতেই নেওয়া হয় খুলনার ফরটিস এসকর্টস হাসপাতালে। পরে আবার তাকে আনা হয় যশোরে। আজ বিকেলে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
রেবা রহমান দৈনিক ইনকিলাব যশোর অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি একই পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাব যশোরের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তোতার স্ত্রী। প্রেসক্লাব ও যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যও ছিলেন রেবা।

অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটে খুলনায় ভোগান্তি চরমে

0

খুলনা ব্যুরো:
খুলনা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দূরপাল্লার বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিক-শ্রমিকদের সংগঠনগুলো। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে যানবাহন ভাঙচুর ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ পরিবহন ধর্মঘট শুরু করে। এতে দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালে আসা এক যাত্রী বলেন, বাস না চলার এমন সিদ্ধান্তের কথা অনেকেই জানেন না। আমার মতো অনেক যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল, রয়্যালের মোড় ও শিববাড়ির মোড়ের অনেক কাউন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেগুলো খোলা আছে সেখানে অলস সময় পার করছেন কর্মচারীরা।
খুলনা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সোনা ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরিবহন শ্রমিক নেতারা জানান, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খল একটি গোষ্ঠী ঢুকে পড়েছে। তারা বাসে ভাঙচুর চালাচ্ছে। এজন্য নিরাপত্তার কারণে বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহানগরের রয়্যালের মোড়ের টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেসের কাউন্ডারের টিকিট বিক্রেতা স্বপন বলেন, যানবাহন ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমাদের রাস্তায় গাড়ি বের করতে নিষেধ করেছেন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।

সর্বশেষ খবর