Related Articles
স্টাফ রিপোর্টার,রাজশাহী:
ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে ধানের শীষের পরাজয় হয়েছে।এনিয়ে বিএনপি ও সহ যোগী সংগঠনের আদর্শিক নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।তৃনমুলের ভাষ্য, ভোটের রাজনী তিতে গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন (ইউপি) চেয়ারম্যান খাইরুল ইসলাম, পাকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন, তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান,পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভা পতি আব্দুল মতিন, কলমা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজে লা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরীর কৌশলের কাছে বিএনপি ধরাশায়ী হয়েছে। এসব চেয়ারম্যান ও তাদের অনুগত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যবহার এলাকায় ফিরে গোপনে বিএনপির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
এ কারণে বিএনপির দুর্গখ্যাত রাজশাহী-১ আসনে জামা য়াতে ইসলামী জয় পেয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। এসব এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিএনপির তৃণমুল নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের ভোট টানতে গিয়ে নিজের ঘর. সামাল দিতে পারেনি বিএনপি।
এ কারণে দলের একটি বড় অংশ ধানের শীষে ভোট দেয় নি।আবার আওয়ামী লীগও তাদের দেয়া কথা রাখে নি। তারা বলেন, রাজনীতির মাঠে বিএনপিকে ব্যবহার করে ছে আওয়ামী লীগ। ভোটের খেলায় বিএনপির সঙ্গে আঁ তাত করে প্রকাশ্যে আসেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
কোথাও কোথাও নির্বাচনি প্রচারণায়ও তারা বিএনপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। এসব চেয়ারম্যানদের মদদপুষ্ট অধিকাংশ নেতা ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কথা বলে নিজ নিজ এলাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা ও ব্যবসা-বানি জ্য করেছেন। তবে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে থাকলেও তারা গোপনে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন।
অধিকাংশ নেতা গোপনে বিএনপির প্রতিপক্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। বিএনপিকে হারাতে তারা ধানের শীষের কথা বলে ধানের শীষের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
অথচ বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে গোপনে তারা ভোটের মাঠে প্রতিপক্ষের নেতাদের নিয়ে সব কৌশল ঠিক করেন।
স্থানীয়রা জানান,ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যান। ভোটের আগে হঠাৎ অনেকে এলাকায় ফিরে আ সেন।
গুঞ্জন রয়েছে ধানের শীষে ভোট দিতে তারা এলাকায় ফেরেন। এলাকায় ফিরে তারা সমাজের নানা শ্রেণি-পেশা র মানুষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসেন। অথচ অতীতের যে কোনো নির্বাচনে এসব ইউনিয়নে জামায়াত এতো ভোট পায়নি। ভোটব্যাংক ছিল বিএনপি ও আও য়ামী লীগের হাতে। কিন্ত্ত এবার অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে জামায়াত বিপুল ভোট পেয়েছে। এমনকি তারা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিয়েও গোপণে বিএনপিবি রোধী রাজনীতি করেছেন এখানো করছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এসব চেয়ারম্যানদের বিষ য়ে নজরদারি ও তাদের সময়ে ইউনিয়নে বিভিন্ন উন্নযন প্রকল্প বাস্তবায়নে নয়ছয়ের তদন্ত দাবি করেছেন। তারা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে,আগামি স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষতির মুখে পড় বে।#
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে