Sunday, May 9, 2021
Home Blog

সান্তাহার হাসপাতালের সরঞ্জাম ব্যাবহার হচ্ছে অন্য হাসপাতালে

0

মোঃ মনসুর আলী,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নির্মান কাজ শুরুর প্রায় দেড় যুগ পর অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে বগুড়ার সান্তাহার বাসির দীর্ঘিদিনের দাবির ফসল শহরের ২০ শয্যা হাসপাতালের নির্মাণ কাজ। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হাসপাতালটি হস্থান্তর করেছে।

হাসপাতালের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলেও প্রয়োজনীয় লোকবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের অভাবে এটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে সান্তাহার পৌরসভা শহরসহ এর আশপাশের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা সেবা পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে বদলে যাবে এলাকার চিকিৎসা সেবা

এলাকাবাসি ও সংশিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৩০ মে প্রায় সাড়ে তিন কোটি ব্যয়ে সান্তাহার শহরের রথবাড়ি এলাকায় হাসপাতালটি নির্মানের ভিত্তি স্থাপন করা হয়। হাসপাতালের নির্মান কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার কারনে ২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর তৎকালিন সরকারের আমলেএটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সে সময়ে চিকিৎসক সহ হাসাপাতালের অন্যান্য দপ্তরের লোকবল নিয়োগ দেওয়া ও হয়।

একই সাথে হাসপাতালে চিকিৎসা কাজে ব্যবহারের জন্য প্রায় দুই কোটি টাকার বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর এটি স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন পায়। চারদলীয় জোট সরকারের সময় হাসপাতালের তৎকালীন নির্মান কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্টান নির্মান কাজের কিছু অংশ শেষ না করে প্রায় ৮২ লাখ টাকার আগাম বিল তুলে নেন। পরে তত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে তিনি কাজ বন্ধ রেখে লাপাত্তা হয়ে যান।

পরে নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসক সহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মচারীরা সরেজমিন হাসপাতালের অসমাপ্ত অবস্থা দেখে তাদের অন্যত্র নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে সান্তাহার হাসপাতালের জন্য পাঠানো চিকিৎসা সরঞ্জাম আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। ২০২০ সালের শেষে হাসপাতালের অসমাপ্ত কাজের পুনরায় দরপত্র আহবান করে স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রায় তিন কোটি টাকার চুক্তি মুল্যে নির্মান কাজ শুরু হয়। ঠিকাদার ফারুক হোসেন জানান, নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে স্থান্তর করা হয়েছে ।

দের মধ্যে চিকিৎসক ছয় জন, সিনিয়র ষ্টার্ফ নার্স পাঁচ জন, ফার্মাসিস্ট এক জন মেডিক্যাল টেকনেশিয়ান একজন সহ সর্বমোট জনবল সংখ্যা ২৩ জন। বর্তমানে হাসপাতালে পাঁচজন নার্সসহ আটজন নিয়োগ প্রাপ্ত রয়েছেন। এই আটজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমল্পেক্সে কর্মরত রয়েছেন। আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম বলেন, হাসপাতাল চালুর জন্য সমস্ত জনবল, সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রয়োজন।

সকল চাহিদা পুরুন হলে যে কোন মুহুর্তে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব। সান্তাহার নাগরিক কমিটির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দীন বলেন, দীর্ঘ এক উপজেলা স্বাস্থ্য কমল্পেক্স সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালটির জন্য লোকবলের সংখ্যা ২৩ জন। এঁ যুগেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালটির নির্মান কাজ শেষ না হওয়া ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালু না হওয়ায় সান্তাহার শহর ও আশপাশের প্রায় কয়েক লক্ষাধীক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। সান্তাহার পৌরসভাসহ আশপাশের লক্ষাধিক মানুষের,জন্য সান্তাহার শহরে কোন চিকিৎসা কেন্দ্র বা হাসপাতাল নেই।

চিকিৎসার জন্য এই এলাকার মানুষজনকে পাঁচ কিলোমিটার দুরে নওগাঁ সদর হাসপাতাল অথবা প্রায় আট কিলোমিটার দুরে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর নির্ভর করতে হয়। ফলে দ্ররুত হাসপাতালটি চালু করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান এলাকাবাসি। বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন গওসুল আজম চৌধুরি বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য জনবল এবং অপারেশন থিয়েটারের সামগ্রী ছাড়াও প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী’র চাহিদা পত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে পাঠানো হয়েছে। এসব পাওয়া গেলে হাসপাতালটি চালু হবে। ###

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা লঙ্ঘন করে জনবল নিয়োগ !

0
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

মেয়াদের শেষ দিনে ক্যাম্পাস ত্যাগের আগে অ্যাডহকে ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের নিয়োগের ওপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা উপেক্ষা করেই গণনিয়োগ দিয়েছেন তিনি। নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের স্বজন, ছাত্রলীগের সাবেক-বর্তমান নেতাকর্মী ও সাংবাদিক। এমনকি পারিবারিক নাপিত, মালি ও কাঠমিস্ত্রিকেও চাকরি দিয়েছেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়োগের তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা শামসুল আলম দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্য আব্দুস সোবহান ও তার পরিবারের সদস্যদের চুল কাটতেন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুয়ার্ড শাখায় নিরাপত্তা প্রহরী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের তালিকায় ১৩ নম্বরে থাকা আব্দুস সামাদ রাজন পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। তার বাড়ি কাজলার ধরমপুর এলাকায়।তিনি উপাচার্যের ব্যক্তিগত ফার্নিচার বানিয়ে দিতেন। তাকে প্রকৌশল দফতর শাখায় কাঠমিস্ত্রি পদে চাকরি দিয়েছেন উপাচার্য।

উপাচার্যের কর্মচারীদের স্বজনরাও পেয়েছেন চাকরি
উপাচার্যের বাসভবনে মালির কাজ করতেন সাইফুল ইসলাম। তার স্ত্রী মিনু খাতুন ওই বাসভবনে গৃহপরিচারিকা ছিলেন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে আয়া পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের তালিকায় তার ক্রমিক নম্বর ১১। এছাড়া কাজলা এলাকায় ফজলুল হক নামে এক ব্যক্তি নিয়মিত উপাচার্যকে মাংস সরবরাহ করতেন। তার মেয়েরও চাকরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তার মেয়ের নাম ও কোন পদে চাকরি পেয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিয়োগ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ ও তালিকা বাংলানিউজের হাতে এসেছে। এতে দেখা যায়, অ্যাডহকের মাধ্যমে ৯ জন শিক্ষক, ২৩ জন কর্মকর্তা, ৮৫ জন নিম্নমান সহকারী এবং ২৪ জন সহায়ক কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। উপাচার্যের নির্বাহী আদেশে সংস্থাপন শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।

নিয়োগের আদেশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট, ১৯৭৩ এর ১২ (৫) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত প্রার্থীদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও স্থানে অস্থায়ী ভিত্তিতে (অ্যাডহক) অনধিক ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলো। এ নিয়োগ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হোক। এছাড়া নিয়োগপত্রে বলা আছে, প্রার্থীদের নিয়োগ যোগদানের দিন থেকে কার্যকর হবে।

যেসব পদের বিপরীতে নিয়োগ হয়েছে:
নিয়োগের তালিকায় দেখা যায়, অ্যাডহকের মাধ্যমে ৯ জন শিক্ষক, ২৩ জন কর্মকর্তা, ৮৫ জন তৃতীয় শেণির এবং ২৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

শিক্ষক পদে যারা নিয়োগ পেলেন
শিক্ষক পদে ৯ জনের মধ্যে একজনকে সহযোগী অধ্যাপক ও ৮ জন প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রভাষক পদে ৮ জন হলেন- ফিশারিজ বিভাগে তাসকিন পারভেজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ইন্দনিল মিশ্র, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সে ড. শাহরিয়ার মাহবুব, সংগীত বিভাগে ঋত্বিক মাহমুদ, ইতিহাস বিভাগে কামরুজ্জামান, আরবি বিভাগে ড. এ কে এম মুস্তাফিজুর রহমান, সমাজকর্ম বিভাগে আফজাল হোসেন এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগে আসাদুজ্জামান।

এছাড়া সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন টিচিং অ্যান্ড লার্নিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক (আইটি) হিসেবে ড. সাবিহা ইয়াসমিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তা পদে যারা নিয়োগ পেলেন
সেকশন অফিসার পদে ১২ জন, সহকারী রেজিস্ট্রার পদে দুজন, সহকারী প্রকৌশলী পদে দুজন, আবাসিক শিক্ষিকা পদে পাঁচ জন ও দুইজন শরীরচর্চার শিক্ষক।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী 

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে সিনিয়র সহকারী পদে একজন, উচ্চমান সহকারী পদে ৩০ জন, নিম্নমান সহকারী পদে ৪৩ জন, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে দুজন, তত্ত্বাবধায়িকা পদে তিন জন, গার্ড সুপারভাইজার পদে একজন, জুনিয়র গ্রন্থাগারিক পদে একজন, সহকারী স্টোরকিপার পদে দুজন, হিসাব সহকারী পদে একজন ও পেশ ইমাম পদে একজন।

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে ১০ জন অফিস সহায়ক, আট জন নিরাপত্তা প্রহরী, দুজন আয়া, বাস কন্ডাক্টর দুজন, কাঠমিস্ত্রি এবং গবেষণাগার পরিচারক একজন করে রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষকদের বক্তব্য

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’ ব্যানারে আন্দোলন করে আসছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশ।

দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষকদের মুখপাত্র অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম টিপু বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করার পাশাপাশি এই নিয়োগে একাধিক নিয়মের লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রেজিস্ট্রার দায়িত্বে থাকলেও তাকে বাদ দিয়ে একজন উপ-রেজিস্ট্রারকে দিয়ে নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছাড়াই দেওয়া হয়েছে শিক্ষক নিয়োগ। নিয়োগের আগে ফিন্যান্স কমিটির সভায় এসব পদের বিপরীতে বেতন-ভাতা পাস হয়নি। এমনকি সিন্ডিকেট সভায়ও এই নিয়োগের বিষয়ে রিপোর্ট করে অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হয়নি। ইউজিসি যদি এডহকের বেতন দিতে অস্বীকৃতি জানায় তখন ক্যাম্পাসে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে অটো ইজি-বাইক চোর চক্রকে গ্রেফতার ইজি-বাইক উদ্ধার

0

রহমত আরিফ, ঠাকুরগাঁও: 
গত ইং ০৫/০৪/২০২১ তারিখ ঠাকুরগাঁও জেলা শহরে টিকিয়া পাড়া এলাকা হতে একটি অটো ইজি-বাইক চুরি হয়। অটো ইজি-বাইকের মালিক বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও থানার মামলা নং-৩৩, তাং-২৩/০৪/২০২১ ইং, ধারা-৩৭৯/৩৮৫ দঃ বিঃ দায়ের করেন।

মামলার এ জাহার পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, গত ইং ০৫/০৪/২০২১ তারিখে বাদীর নিজস্ব মালিকানাধীন অটো ইজি-বাইক বাদীর বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর অনুমান রাত্রী ৮ ঘটিকার সময় রেখে সেনুয়া গোরস্থান মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে যান।

বাদী নামাজ শেষে বাড়ী ফিরে দেখে রাস্তার উপর থেকে অটো ইজি-বাইকটি নাই। বাদীর অটো ইজি-বাইকটি উক্ত তারিখের রাত্রী ৮ ঘটিকা হতে ৮.৩০মি, ঘটিকার যে কোন সময় অজ্ঞাত চোর বা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। বিষয়টি বাদীর পরিবার সহ প্রতিবেশী লোকজনদের জানায়। বাদী অটো ইজি-বাইকটি ফিরিয়ে পাওয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে।

গত ইং ১১/০৪/২০২১ তারিখ বেলা অনুমান ১০.৩০ মি, ঘটিকা হইতে ১১. ঘটিকার মধ্যে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ০১৬১০-×××××× নম্বর হইতে বাদীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭২৬-×××××× এ কল করে বাদীর পরিচয় সম্পর্কে জানতে চায়। কয়েকদিন পর উক্ত মোবাইল নম্বর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি বাদীকে ফোন করে চুরিকৃত অটো ইজি-বাইকটি ফিরিয়ে দিবে মর্মে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করে।

ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে মামলা তদন্তের ভার ডিবি, ঠাকুরগাঁও এর উপর ন্যাস্ত করা হয়। অফিসার ইনচার্জ, ডিবি, ঠাকুরগাঁও মামলা তদন্তের ভার এসআই,মোঃ নবিউল ইসলাম, ডিবি, ঠাকুরগাঁও এর উপর অর্পন করেন। ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের একান্ত নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), ঠাকুরগাঁও এবং অফিসার ইনচার্জ, ডিবি, ঠাকুরগাঁও সাহেবের তত্বাধানে এসআই,মোঃ নবিউল ইসলাম প্রথমত- অজ্ঞাত চোর চক্রের সদস্যদের সনাক্ত করেন।

এসআই,মোঃ নবিউল ইসলাম পর্যায়ক্রমে অটো ইজি-বাইক চোর চক্রের ৫ জন সদস্যকে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করেন যা অটো ইজি-বাইক চুরির কার্যে আসামীরা পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। গত ইং ০৬/০৫/২০২১ তারিখ থেকে ইং ০৭/০৫/২০২১ তারিখে পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলায় বিভিন্ন থানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অবশেষে গ্রেফতারকৃতদের তথ্য মোতাবেক চুরিকৃত অটো ইজি-বাইকটি নীলফামারী সদর থানার ১নং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের অন্তর্গত কাঞ্চনপাড়া গ্রামস্থ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী রবিউল ও বিপুল দ্বয়ের বসতবাড়ী হতে উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে-আসামী – মোঃ শাহীনুর – উজ্জ¦ল (৩৬), পিতা-মোঃ আজাহার আলী, সাং-আমবাড়ি হাড়ীভাষা, থানা ও জেলা-পঞ্চগড়, মোঃ রশিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-মৃত বদির উদ্দীন, সাং-গুয়াগ্রাম প্রধানপাড়া (১০নং পাঁচপীর ইউ,পি), মোঃ আলিমুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত আজির উদ্দিন, সাং-দলুয়াপাড়া (১০নং পাঁচপীর ইউ,পি), উভয়ের থানা-বোদা, জেলা-পঞ্চগড় মোছাঃ রনজিনা @ স্বপ্না (৩৫), পিতা-মৃত জহিম উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ জুলেখা, স্থায়ী সাং-জগন্নাথপুর (বদলীপাড়া, ২৪ টিউবওয়েল), ডাকঘর-দৌলতপুর, থানা ও জেলা-ঠাকুরগাঁও, বর্তমান সাং-গোয়ালপাড়া ওয়ালটন অফিস সংলগ্ন জনৈক, মোঃ সাত্তার এর ভাড়া বাসা, থানা ও জেলা-ঠাকুরগাঁও, মোঃ আলমগীর হোসেন (২৬), পিতা-মোঃ মাধব, স্থায়ী সাং-আমবাড়ী (হাড়িভাষা), থানা ও জেলা-পঞ্চগড়, বর্তমান সাং-গোয়ালপাড়া ওয়ালটন অফিস সংলগ্ন জনৈক, মোঃ সাত্তার এর ভাড়া বাসা, থানা ও জেলা-ঠাকুরগাঁও (পূণঃ গ্রেফতারের ভিত্তিতে গ্রেফতারকৃত)। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়।

কাঁকনহাটে গম জব্দ করেছে পুলিশ

0

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌর মেয়র একেএম আতাউর রহমান খাঁনের ঘনিষ্ঠ সহচর বা উপদেষ্ঠা আতাউর রহমান আতার বাড়ীর প্রধান ফকট হতে (খাদ্য অধিদপ্তরের সীল মোহর সংবলিত) ৪০০ বস্তা গম জব্দ করেছে পুলিশ।

এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, পাশপাশি অভিযোগের তীর উঠেছে পৌর মেয়রের দিকে। কেউ কেউ বলছে, মেয়রের নেপথ্যে মদদ ব্যতিত তার ঘনিষ্ঠ সহচরের পক্ষে এমন দুঃসাহসিক অপকর্ম করা অনেকটা দুরুহ।

জানা গেছে, গত ৮মে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাঁকনহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর কুমদপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের সীলমোহরকৃত ৪০০ বস্তা গম উদ্ধার করেছে কাঁকন হাট ফাঁড়ি পুলিশ।প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে গম রয়েছে। কাঁকনহাট পৌরসভার মেয়র এ.কে.এম আতাউর রহমান খানের ঘনিষ্ঠ সহচর বা প্রধান উপদেষ্ঠা আতাউর রহমান আতার বাড়ীর প্রধান ফটক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি খবর পান রসুলপুর কুমদমপুরে আতাউর রহমানের বাড়ির সামনে ট্রলি থেকে সরকারী সীল মোহরকৃত গমের বস্তা নামনো হচ্ছে। খবর পেয়েই তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ সেখানে যান এবং ট্রলি ও মাটিতে নামানো গম উদ্ধার করেন। পুলিশের অবস্থান টের পয়ে ট্রলি ড্রাইভাররা পালিয়ে যায়।তিনি আরো বলেন, এ সময়ে আতাউর তাদের সামনে আসেনি।

তবে গম তার ক্রয় করা দাবী করেন, কিন্ত্ত এর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে বললে তিনি রোববার পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারনেনি। এদিকে ঘটনা স্থলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) এবং গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাতেই আসেন। এ সময়ে আতাউরকে মোবাইলে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে বলেন।

আতা না এসে তার প্রতিনিধি কাঁকনহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোর্তুজা শেখ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবাবগত কাউন্সিলর ও পৌর ১ নম্বর প্যানেল মেয়র আল মামুন, বর্তমান পৌর মেয়রের ব্যক্তিগত সেক্রেটারী চয়ন ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি খাত্তাব পুলিশের নিকট একটি ভূয়া বিল ভাউচার দাখিল করে বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় মেয়রের ঘনিষ্ঠ সহচর আতাউর রহমান আতাকে প্রধান ও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ ধারায় একটি মামলা হয়েছে এবং আতাউরকে গ্রেফতারের চেস্টা চলছে বলে জানান অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান। এদিকে কাঁকনহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর বলেন, তিনি ঘটনা সম্পর্কে জানেন এবং ঘটনা স্থলে রাতেই গিয়েছিলন, আতাউর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন। তিনি বলেন, দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ, দূর্নীতি ও কালোবাজারীর জন্য তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে, সেই সঙ্গে এর সঙ্গে যুক্ত এবং সরাসরি সহযোগিতায় করায় ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোর্তুজা শেখকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু তাই নয় আল মামুনকে দল থেকে বহিস্কার করার জন্য অনুরোধ করা হবে। এছাড়াও খাত্তাবকে পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে বহিস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দুই টার দিকে বর্তমান মেয়রের বাড়িতে একটি গোপন বৈঠক হয়, সেখানে মোর্তুজা, সাবেক কাউন্সিলর আমিরুল ইসলাম আল মামুন, খাত্তাব ও মেয়রের ছেলে স্বপন উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাঁকনহাট পৌর মেয়র এ.কে.এম আতাউর রহমান খাঁন বলেন, তিনি গ্রামের বাড়ি পলাশীতে থাকেন এবং কাঁকনহাটের কাঁকনপাড়ায় তাঁর ছেলে স্বপন থাকেন। তিনি বলেন, সেখানে কোন প্রকার গোপন বৈঠক হয়নি এবং তিনি এর সঙ্গে জড়িত নয়।#

 

রোগীদের মাঝে নওগাঁয় চেক বিতরন

0

মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ ক্যান্সার, কিডনি, লিভার, সিরোসিস, স্ট্রোকে, প্যারালাইজড, জন্মগত হদরোগ, থ্যলাসেমিয়া রোগীদের মাঝে নওগাঁয় চেক বিতরন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলা হল রুমে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এর আয়োজন করে।

প্রধান অতিথি হিসাবে এসব চেক বিতরন করেন জেলা প্রশাসক মো: হারুন অর রশিদ। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা ইমাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মাদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার মনিসহ প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি ৬৬ জন বিভিন্ন রোগীর মাঝে ৩৩ লাখ টাকার চেক বিতরন করেন।

নওগাঁয় হিজড়া সস্প্রদায়ের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন

0

মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ হিজড়া সস্প্রদায়ের মাঝে নওগাঁয় ঈদ উপহার বিতরন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসব ঈদ উপহার বিতরন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে ৫০ জন হিজরাদের মাঝে এসব ঈদ উপহার তুলে দেন পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম, পিপিএম।

এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল আকতার ও চিশতী, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েলসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ঈদ উপহার বিতরন শেষে পুলিশ সুপার বলেন-সমাজের অবহেলিত তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া গোষ্ঠী যারা মানুষের কাছে হাত পাতে ও সমাজ তাদের অবহেলার চোখে দেখে। এই করোনার মধ্যে তারা অতি কষ্টে দিনযাপন করছে। তাই ঈদ উপলক্ষে তাদের মাঝে আজকে এই উপহার বিতরন করা হলো।

নওগাঁয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির ঈদ সমগ্রী পাঞ্জাবি বিতরণ

0

মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ নওগাঁয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভী উদ্যোগে নামাজগড় গাউছুল আজম কামিল মাদ্রাসায় ১০১ জন এতিম ছাত্র ও শিশুদের মাঝে ঈদ সমগ্রী পাঞ্জাবি বিতরণ ও ইফতার মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় গাউছুল আজম কামিল মাদ্রাসায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভী আয়োজনে প্রায় ৩শতাধিক মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে ইফতার ও মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ইফতার ও মহাফিলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভী, নামাজগড় গাউসুল আজম কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আব্দুস ছাত্তার, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইমরান খান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সজিব, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান মুন,আইন বিষয়ক সম্পাদক সুমন হোসেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বাহাদুর হোসেন প্রমুখ সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

 

মহেশপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৭৬৫ জনকে ভি’জি’ডির নগত অর্থ প্রদান

0

শহিদুল ইসলাম ঝিনাইদহ মহেশপুর থেকেঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের দেওয়া ভি’জি’ডির ৬৮৫ এবং পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমানের নিজস্ব তহবিল থেকে ৮০ জন মোট ৭৮৫ জন গরীব দুঃখী নারী পুরুষকে মাথা পিছু ৪৫০ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

স্বরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৯মে সকাল ১০ ঘটিকায় মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ-সাইফুল ইসলাম ৬৮৫ জনকে সরকারের দেওয়া ভি’জি’ডির নগত অর্থ প্রদান করেন এবং পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান তাহার নিজস্ব তহবিল থেকে ৮০ জন গরীব দুঃখী নারী পুরুষকে সরকারে সমতুল্য ৪ শত ৫০ টাকা প্রদান করছেন।

এসময় ইউপি সদস্য আব্দুল আলীম, মোমিনুর রহমান মোমিন, জাহাঙ্গীর হোসেন, এনামুল হক, সাবেক ইউপি সদস্য শাহাজান আলী সহ আ’লীগের দলীয় নেতা কর্মী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেত্রী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ শত হোটেল শ্রমিকদের ঈদ উপহার দিলেন এ্যাপোলো

0

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মহীন হয়ে পড়া ৫শ জন দুস্থ ও অসহায় হোটেল শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার দিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো।

রোববার(০৯ এপ্রিল) দুপুরে শহরের স্টেডিয়াম মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নিজ উদ্যোগে এই ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি।

এসময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি আরাফাত জামান অপু, সহ সভাপতি সাইয়েদা উম্মুল খায়ের,ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয় সম্পাদক মুক্তা, গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পদাক জুয়েল ইসলাম শান্ত,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াফু তপু,দপ্তর সম্পাদক আবু হাসনাত মশিউর রহমান রুমন,সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন রানা সহ নেতৃবৃন্দরা।ঈদের উপহার হাতে পেয়ে আনন্দিত হয়ে হোটেল শ্রমিক আনোয়ার হোসেন,ওমর ফারুক,জয়নাল আবেদিন বলেন,করোনার কারনে আমাদের কাজ প্রায় বন্ধের দিকে ছিলো।

এখন কিছু কিছু সময় কোন মতে কাজ হয়। পরিবার চালানো যেন কষ্টের হয়ে গেছে। ঈদের আনন্দ যেন মাটিতে মিশে গেছে। আজকে আমাদের ঈদের উপহার হিসাবে আমাদের ত্রাণ দেয়া হয়েছে বিষয়টি অনেক আনন্দের। আমরা ধন্যবাদ জানাই স্বেচ্ছাসেবকলীগের এই নেতাকে আমাদের পাশে থাকার জন্য।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো বলেন,দীর্ঘদিন ধরেই করোনার থাবায় অসহায় মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছে। যতো দিন যাচ্ছে ততো যেন তাদের উপর ভেঙ্গে পড়ছে আকাশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি প্রতিটি সময় চেষ্টা করে থাকি সমাজের অসহায়দের পাশে থাকার। আজকে নিজের উদ্যোগে হোটেল শ্রমিকের প্রায় ৬শ শ্রমিকদের ঈদের উপহার হিসাবে সামান্ন কিছু দিয়েছি। চেষ্টা করবো সামনে আবারো দেয়ার।

বাগমারায় এমপির মাতা সালেহা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল

0

মোঃ আলতাফ হোসেন,বাগমারা প্রতিনিধি
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের রতœ গর্ভা মাতা বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা সালেহা বেগমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমার সুযোগ্য সন্তান রেজাউল হক ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।

রবিবার সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ চত্বরে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে ইফতার করালেন তিনি। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন, মরহুমার সুযোগ্য সন্তান ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সালেহা ইমারত ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউর রহমান মোল্লা, প্রভাষক আমজাদ হোসেন, সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক সাজ্জাদুর রহমান জুয়েল, কোল্ড স্টোরেজ মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান, ইমাম আবু তাহের, হাফেজ বেলাল উদ্দীন, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে পারিবারিক লোকজন, নিকট আত্মীয় সহ ইউনিয়নবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ঢাকাস্থ এনা টাওয়ার অফিস, আদাবর বায়তুল আমান জামে মসজিদ, বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মরহুমা সালেহা বেগম ২০১২ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন।

নির্দিষ্ট স্থান সমূহে সংক্ষিপ্ত আকারে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ