আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ প্রায় দেড় বছর যাবত বাংলাদেশ রেলওয়েতে সেচ্ছায় শ্রমদিয়ে আসছেন ৫০ উর্ধ্ব বয়সী এক ব্যাক্তি। কেন সেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন তা কেউই বলতে পারেনা নাম পরিচয় না জানা এই ব্যাক্তির।
মনবতার ফেরিওয়ালা এই ব্যাক্তির পরিচয় বা ঠিকানা বলতে পারেন না কেউ। এই ব্যাক্তি প্রায় দেড় বছর যাবত সান্তাহার জংশন শহর পার্শ্ববর্তী পোঁওতা রেলগেট থেকে প্রায় এক কিলোমিটার সান্তাহার-পারর্বতীপুর রেলপথের রেল লাইনের দুই পশের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পাথর রেল লাইনের ট্যাকে তুলে দিয়ে একদিকে পাথরের অপচয় রক্ষা করছেন অন্য দিকে ঝুঁকি মুক্ত ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করছেন কমকথা বলা এইব্যাক্তি। ঝড় বৃষ্টি,রোদ উপেক্ষা করে সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত খেয়ে না খেয়ে এ কাজ করেন।
সবার খাবারও সে খায়না। দেড় বছর ধরে এমন কাজ করে এলে ও রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী বা রেল সং শ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তার খোঁজখবর নেয়নি।
খেয়ে না খেয়ে দিনরাত একটানা এভাবে কাজ করলে স্বা স্থ্যের অবনতি হয়ে সে মৃত্যুর ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে বলে আশংকা করেছেন অনেকে।
রেলওয়েতে দীর্ঘ সময় এমন সেচ্ছায় শ্রম দেওয়া মানুষ আর কখনো কারোও চোখে পড়েনি এমনটাই জানিয়ে ছেন এলাকার অনেকে।মানবতার ফেরিওয়ালা মানুষটির পাশে এগিয়ে আসে না সমাজের কোন মানুষ ।
এমন মানবতার ফেরিওয়ালার পাশে রেলওয়ের লোক জন এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেছেন এলাকা বাসী।
সান্তাহার পৌর এলাকার উপর পোঁওতা গ্রামের মুদি দোকানি নান্টু মিয়া বলেন দিন-রাত সারাক্ষণ রেল লাইনের দুপাশের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পথর তোলার কজ করে করছে।
রেলের লোকজনের চেয়ে সুন্দর করে কাজ করে। এব্যা পারে রেলের লোকজনের কোন প্রকার তার খোঁজ নেয়না।
এলাকার চায়ের দোকানদার আব্দুল মজিদ বলে যেভাবে খেয়ে না খেয়ে দিনরাত কাজ করতে দেখা যাচ্ছে তাতে তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে মৃত্যু ঝুঁকিতে পরতে পারে।
নাম না জানানোর শর্তে এক রেল লাইন খালাশি বলছেন মাঝে মধ্যে আমরা আসার আগে এসে কাজ করতে দেখা যায়। এব্যাপারে সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার খাতি জা খানম এবিষয়ে আমাকে আগে কেউ বলেনি বিষয়টি জানলাম তার পরিচয় জানা’র চেষ্টা করা হবে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে