সেখানে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী সরাসরি শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ৩৪ দশমিক ৪ শতাংশ অন্যদের নির্যাতিত হতে দেখেছেন।
তবু ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী আশাবাদী যে নির্বাচিত প্রতি নিধিরা ক্যাম্পাসকে নির্যাতন মুক্ত করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, জরিপটি ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যা লয়ের ৬০২ জন শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত হয়।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ নারী ও ৮ দশমিক ৩ শতাংশ অমুসলিম শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ সময় জুনায়েদ আহমেদ সবুজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রত্যা শার জায়গায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে আবাসন সমস্যার সমাধান,খাবারের মান উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস।
ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, সততা ও জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবে চিত হচ্ছে।
বিপরীতে মাদকাসক্তি, চাঁদাবাজি বা ছাত্র নির্যাতনে জড়িত কোনো প্রার্থীকে ভোট না দেয়ার ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন।