Related Articles
এস এম শফিক, লক্ষ্মীপুর: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগন আর বস্তা পঁচা রাজনীতি চাই না, ব্যাংক ডাকাতি, লুটেরা রাজনীতি চাই না। পরিবর্তনের জন্য শুধু হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকলেই হবে না মানুষকে হ্যাঁ ভোটের সহযোগী করতে হবে।
আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রেখেছি, ভবিষ্যতেও রাখবো ইনশাআল্লাহ। জুলাই বিপ্লবের পর আমরা বলেছিলাম, আমরা কোন প্রতিশোধ নিবো না, চাঁদাবাজি দুর্নীতি ও মামলাবাজি করবো না, আমরা কথা রেখেছি ।
আমরা কথা দিচ্ছি, জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ও পবিত্র ভোট দিয়ে আমাদেরকে জনগণের খেদমত করার সুযোগ দেয় তাহলে আমরা তাদের প্রতিশ্রুতি রাখবো। পুরানো কাসুন্দি নিয়ে টানাটানি করব না।
যুবকদেরকে বেকার ভাতা দিয়ে আমরা অপমান করতে চাই না, আমরা যুবকদের হাতে দক্ষ ও মর্যাদার কাজতুলে দেব, যুবকরা বলবে আমরাই বাংলাদেশ।
যুবকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, তোমরা যেভাবে স্বৈরাচার পালানোর জন্য দাঁড়িয়ে ছিলে, ঠিক একইভাবে অন্যায় দুর্নী তির বিরুদ্ধে ইনসাফের পক্ষে জীবন বাজি রেখে অবিচল থাকবে।
আমাদের ঐক্যে ৬২ শতাংশ সংসদ সদস্য প্রার্থী যুবক, আগামীর বাংলাদেশ যুবকদের।
যুবকদের পাশাপাশি নারীরাও নেতৃত্বে ছিল, আছে এবং থাকবে। ১৫ জুলাই ফ্যাসিস্ট শক্তি যখন মেয়েদের গায়ে হাত দেয়, তখনই জুলাই আন্দোলন শক্তি পেয়েছিল।
কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে এক সময় যারা মজলুম ছিল তারা এখন জালিমের ভূমিকায়! জনগণ যাকে পছন্দ করে তাদের পক্ষেই থাকবে বাধা দেয়ার তোমরা কে?
একদিকে দিচ্ছেন ফ্যামিলি কার্ড, আবার মা-বোনদের গায়ে হাত তুলছেন, মর্নিং সোজ দা ডে অর্থাৎ সকলের সূর্য দেখে বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে।
আমরা অনুরোধ করবো নারীদের গায়ে হাত দিবেন না, আপনাদের ও মা বোন আছে। মা বোনকে সম্মান না দিলে তারাও আপনাদের নেতৃত্ব চাইবে না।
যে মেয়েরা ওসমান হাদী, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ জন্ম দেয় তারা আল্লাহ ছাড়া কাউকে পরোয়া করে না।
গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে যার কাজ তাকে করতে দিন, যে যাকে পছন্দ করে সে তাকে ভোট দিবে।
আচরণবিধি কেউ লংঘন করলে সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান, তারা ব্যবস্থা নিবে; আপনি বাধা দেয়ার কে?
কলিজার টুকরা, বিপ্লবের প্রতীক হাদীকে হত্যা করা হয়ে ছে। শেরপুর উপজেলা জামায়াত ইসলামের উপজে লা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম কে হত্যা করা হয়ে ছে, হত্যা করে ভয় দেখানো যাবে না।
এই লক্ষ্মীপুরে ডাক্তার ফয়েজ আহমেদকে নির্মমভাবে হত্যা করে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। তিনি কি ক্ষতি করেছিলেন? তিনি তো গরিবের বন্ধু ছিলেন, গরি বের ডাক্তার ছিলেন।
চারিদিকে জোয়ার শুরু হয়ে গেছে, আগামী ১২ তারিখ আপনারা ব্যালটের মাধ্যমে সকল ধরনের অন্যায় অবিচা রের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে লক্ষ্মীপুরের ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের ০৪ প্রার্থীকেই বিজয়ী করবেন ইনশাআল্লাহ।
অনেকেই বলে আমরা নাকি ক্ষমতায় গেলে নারীদের কর্মসংস্থান থাকবে না, এটা ভুল। জীবনের বাস্তব প্রয়ো জনে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করবে। নারীদের নিরাপদ কর্মস্থল ও মর্যাদা প্রদান করা হবে।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সাথে নিয়েই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবে।
হুতুম পেঁচা বাগানের ফুলগুলো এলোমেলো করে দিতে চাই, সেটি আর হবে না, বাংলার জনগণ শক্ত হাতে রুখে দিবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার আয়োজনে আজ (৩০ জানুয়ারি) শুক্রবার বেলা ০২ টায় স্থানীয় আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমিরে জামায়াত ড. শফিকুর রহমান তার বক্তব্য শেষে লক্ষ্মীপুরের ০৪ টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী দেরকে দলীয় প্রতীক তাদের হাতে তুলে দেন।
লক্ষ্মীপুর-০১: মাহবুব আলম, এনসিসি (শাপলা কলি), এবং জামায়াতে ইসলামীর (দাড়িপাল্লা)- লক্ষ্মীপুর-০২: মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর -০৩: ড. রেজাউল করিম ও লক্ষ্মীপুর -০৪: এ আর হাফিজ উল্লাহ।
বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী লক্ষীপুর জেলা সভা পতি মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া’র সভাপতিত্বে উক্ত নির্বাচনী জনসভায় জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, চকসু জিএস সহ লক্ষ্মীপুর জেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলার জোট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে