Related Articles
কে এম ইদ্রিস আলী যশোর প্রতিনিধি:
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার দেউলী গ্রামে গড়ে ওঠা আলোচিত সেই ভেজাল গুড়-পাটালী ও চানাচুর কারখানায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা: রনী খাতুন আকর্ষিক অভিযান চালি য়েছেন ।
১৮ মার্চ বিকাল ৩ টায় উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার এক টি চানাচুর কারখানার আড়ালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাতকরণ চলছে মর্মে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের দেউলী উত্তরপাড়া গ্রামের মাদ্রা সা সংলগ্ন একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চানাচুর উৎপাদন ও প্যাকেটজাত করণের অভিযোগে ‘মারিয়া চানাচুর’ ফ্যাক্টরির স্বত্বাধি কারী আব্দুস সামাদকে ২০হাজার টাকার অর্থদণ্ড করা হয়।
এদিকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের খবর আঁচ করতে পেরে ওই কারখানার ভেতরে থাকা আখের গুড়, আখের পাটালি ও বিপুল পরিমাণ মিশ্রিসহ ক্ষতিকর রং ও বিভিন্ন কেমিক্যালের কৌটা কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। জানতে চাওয়া হলে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুস সামাদ দাবি করেন, রমজানের শুরুর দিকে কয়েকদিন গুড়-পাটালি তৈরি ও বিক্রি করা হয়েছে।
এখন আর গুড়, পাটালি, মিশ্রি তৈরি হয়না। অথচ ৩১ /৩ /২০২৪ সালে দৈনিক যশোর বার্তায় এ সংক্রান্ত একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনে ভেজাল গুড় পাটালী তৈরির যাবতীয় উপক রণ বিদ্যমান ছিল।
এ দিকে একই দিন বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভোক্তা সাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ও হাটবা জারে নিত্যপণ্য মূল্যবৃদ্ধি ও মজুদ রাখার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসে বে বিকালে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।
উত্তরপাড়া গ্রামের মারিয়া চানাচুর ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদকে একই অভিযোগে ২০হাজার টাকা অ র্থদণ্ড করেন।অভিযান চলাকালে থানার অফিসার ইনচা র্জ মো: শাহ জালাল আলম, ওসি তদন্ত মোহাম্মদ আবু সাঈদ ও প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তার সাথে ছিলেন।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে