আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিক রগাছায় সরকারের কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সারে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটে উঠতে দেখা গেছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে ২০ ২৪-২৫ অর্থ বছরে কৃষি পূনর্বাসন সহায়তা খাত হতে খরিপ-১/ ২০২৪-২৫ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন আবাদের প্রণোদনা কর্মসূচির’র আওতায় ৩শত ১০জন কৃষকের মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।
মাথা প্রতি কৃষক ১কেজি করে নাসিক ঘ-৭৩ জাতের বীজ, ২০কেজি করে ডিএপি, ২০কেজি করে এমওপি এবং বালাইনাশক বাবাদ নগদ ৩৫৫টাকা হারে প্রদান করা হয়। বর্তমানে এই চাষাবাদে কৃষক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আবাদে লাভের মুখ দেখা শুরু করেছেন।
উপজেলার গদখালী ইউনিয়নের বারবাকপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম, ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের মিশ্রি দেয়াড়া গ্রামের তোফাজ্জজেল হোসেন, লাউজানী গ্রামের নাসির উদ্দিন ও নাভারণ ইউনিয়নের আমিনী গ্রামের মনিরুজ্জামান’র তথ্য মতে তাদের বিঘা প্রতি ৩৮হাজার ৫০০ থেকে ৪২হাজার ৫০০ টাকা ব্যায় করে ১৪-১৬ মে.টন/হেক্টর পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। যার আনু মানিক বাজার মূল্য দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার মত।
উপজেলায় আশানুপাতিক হারের অধিক পেয়াজ উৎপা দনে উপজেলা কৃষি অফিসার খুশি হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে একগুচ্ছ পেয়াজের শুভেচ্ছা জানি য়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদি মো. নূরুল ইসলাম বলেন, গত বছরের থেকে অত্র উপজেলায় পেঁয়াজ আ বাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সকল উপসহকারী কৃষি অফিসার’গণ গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষীদের পেঁয়াজ চাষে উদ্বোদ্ধকরণসহ যথোপযুক্ত পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে।
আমরা আশাবাদি যে, বর্তমানে সংকটময় সময়ে পেঁয়া জের মজুদ এবং উৎপাদন সমান্তরাল রাখার ক্ষেত্রে ঝিকরগাছার কৃষি বিভাগ সব সময় মাঠ র্পয়ায়ে কৃষক দের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. রনী খাতুন বলেন, উপ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অফিসসহ অন্যান্য সক ল বিভাগ এভাবেই এগিয়ে যাবে সকলের সহযোগিতায়।
সারাদেশ হয়তো একদিন ঝিকরগাছাবাসীকে অনুকরণ, অনুসরণ করবে সব বিষয়ে। আমি স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি, স্বপ্ন বিলাসী মানুষ আমি।
ঝিকরগাছা উপজেলার উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। দল, মত, পথ, শ্রেণী, বর্ণ সব একপাশে রেখে আমরা আমাদের গতিতে কাজ করে যাবো।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে