মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ ষড়ঋতুর বাংলাদেশ। ঋতু বৈচিত্র্য মূলত.বাংলাদেশের অলংকার।
বহুকাল ধরে চলে আসছে ঋতুর এই রকমারি বৈচিত্র্য। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। বিশ্বের খুব কম
দেশেই মেলে এ ছয় ঋতুর দেখা।
ঠিক তেমনি নওগাঁ জে লার ১১ টি থানার প্রতিটি মাঠ জুড়ে অপরুপ সৌন্দর্যে ভরা আমন ধানারে ডগায় দুলছে এখন হেমন্তের শিশির বিন্দু। দিগন্ত জুড়ে যে দিকে.তাকায় শুধু সবুজ আর সবু জ। সবুজের সমারোহে যেন চোখ জু ড়িয়ে যায়।
ঋতু শরৎকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। জেলার প্রতিটি মাঠে জুড়ে ধানের শীষে পড়ছে শীতের
শিশির বিন্দু। সকাল হলেই দেখা মিলছে সাদা কুয়াশার ভেলা।
এই কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। মুক্তো বিন্দুর মতো শিশির জমতে শুরু করেছে ঘাসের ডগায়, ধানের শিষের ওপর।
আদিগন্ত মাঠজুড়ে এখন ধানের প্রাচুর্য। হলুদে-সবুজে
একাকার অপরূপ প্রকৃতি। চারিদিকে ধূসর আবহ ঘিরে রাখছে।
শেষ বিকেলে কুয়াশার আবছা চাদর প্রকৃতিকে ঢেকে শিশিরের শব্দের মতো নামছে সন্ধ্যা।
শস্য শ্যামলা, সবুজ বাংলার কৃষি প্রধান দেশের রাজশাহী অঞ্চলের.নওগাঁ জেলার দিগন্ত জুড়ে খোলা মাঠে দুলছে এখন কৃষকের কাঙ্খিত স্বপ্ন।
ধুধু চোখে নজর কাড়ছে আমন ধানের ক্ষেত। ভালো ফল নের আশায় আমন ধান পরিচর্যায় কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পারকরছেন।
মাঠে মাঠে চলছে আমন ধান পরিচর্যার মহোৎসব।
কাক ডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে ধান পরিচর্যার
কার্যক্রম।
ধান ক্ষেতগুলো এখন কৃষকদের পদভারে মুখ রিত হয়ে উঠেছে। কার্তিক মাসের শুরতেই ধানের গাছ এখন শিশির ভেজা বাতাসে দুলছে।
সম্প্রতি মাঠের চারিদিকে এখন সবুজের সমারোহ। গত বছরের চেয়ে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলনের
সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে মাঠ জুড়ে। নওগাঁ জেলা খাদ্য উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে।
এবারে চারা রোপনের সময় প্রাকৃতিক পানি সংকট থাক লেও বর্তমানে ধানের গাছ এখন ভাল রয়েছে।
কৃষকের আশা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশা নুরুপ ফলন ঘরে তোলা সম্ভব।
এ বিষয়ে উপ-সহাকরী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জা নান, কৃষকদের ক্ষেতে কঞ্চি পুতে দেয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে ওই সমস্ত কঞ্চিতে পাখি বসে জমির ক্ষতিকর পোকা নিধন করতে পারে।
সেই সাথে পরিচর্যা করে কম মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করে অধিক ফলনের কলা-কৌশলও কৃষকদের শেখানো হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তরা আরও জানান, চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাঙ্খিত ফসল অর্জনে প্রতিটি ব্লক পর্যায়ে গিয়ে ক্যা ম্পেইনসহ নানা ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
জমির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং আধুনি ক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি।
এছাড়াও মাজড়াপোকা এবং অন্যান্য আবাদ বিনষ্টকারী পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচতে উপ-সহকারি কৃষি কর্মক র্তারা পাচিং সহ আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন।
ফলে জেলার কোথা ও মাজড়া পোকা, কারেন্ট পোকার আক্রমণ নেই। তবে এবারো আমন ধানের বাম্পার ফল নের সম্ভাবনা রয়েছে ।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে