Related Articles
স্টাফ রিপোর্টার,রাজশাহী:
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নওগাঁর সাপাহার উপজেলা জোনে অনিয়ম-দুর্নীতি ক্ষমতার অপ ব্যবহার ও ঘুষ-বাণিজ্যর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে ছে।
সরেজমিন তদন্ত করা হলে অভি যোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
স্থানীয়রা জানান, গভীর নলকুপ (গণকূপ) পুনঃখননকে কেন্দ্র করে সরকারি রশিদের বা ইরে অতিরিক্ত টাকা দা বি, প্রভাব খাটিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং অভিযোগে র তদন্তে গড়িমসির ঘটনা ঘটছে।
অভিযোগে নাম এসেছে সাপাহার জোনের পরিদর্শক আ ব্দুর রব, উপ-সহকারী প্রকৌশলী খোশ মোহাম্মদ ও ক ম্পিউটার অপারেটর রাখি রানীর।
একই সঙ্গে ধামইরহাট জোনের সহকারী প্রকৌশলী (চল তি দায়িত্ব) অন্নাদুজ্জামানের বিরুদ্ধেও অনিয়মে সহযো গিতার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে সাপাহার ও পো রশা জোনের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ জুন একটি গণকূপ পুনঃখননের জন্য সরকারি রশিদের মাধ্যমে এক লাখ টা কা জমা নেওয়া হয়। জমাদানকারী অপারেটর উপ জেলা র রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নবী।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি ফি ছাড়াও তার কাছে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন পরিদর্শক আব্দুর রব।নুরুন্নবী বলেন, “ঘুষ দিতে না পারায় আমাদের সঙ্গে ছিনি মিনি শুরু হয়।
গত বছর আমাদের এলাকার অনেকের ফসল নষ্ট হয়ে ছে। এখন আবার আমাদের না জানিয়ে ওই গণকূপ অন্যত্র দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মধ্যরাতে ঠিকাদার দিয়ে পাইপও আনা হয়েছে।”
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) নওগাঁ রিজিয়ন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (চ লতি দায়িত্ব) শাহ মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের পর একটি তদন্তপত্র ইস্যু করা হলেও ঘটনা স্থলে সরেজমিনে তদন্ত না করে সাপাহার জোন অফিসে শুনানি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,এতে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। একই গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম অভি যোগ করেন, আগের সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম মৃত্যুর আগে বলেছিলেন, তাদের চাপে তিনি স্ট্রোক করে ছেন।” যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মেডিকেল প্রতিবেদন বা প্রশাসনিক তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রধা ন প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) ড. মো. আবুল কাসেম এক সভায় সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তাকে সতর্ক করেন এবং দীর্ঘ দিন একই জোনে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত পদ ক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষক মহল।#
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে