Breaking News

বিবিসির বাংলা সংবাদ: ১৯৭১ সালের সান্তাহার জংশন শহরের যুদ্ধের ইতিহাস আমরা ভুলবোনা

আদমদীঘি (বগুড়া) থেকে মোঃ মনসুর আলী ঃ ১৯৭১ সালের সান্তাহার রেলওয়ে প্রাচীনতম জংশন শহরের বাঙালি ্ও অবাঙালিদেও সাথে যুদ্ধেও ইতিহাস আমরা কখনো ভুলবোলা।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সান্তা হার শহরে অবাঙালি।বিহারিরা প্রথমে নিরীহ বাঙালিদের উপর চড়াও হয়ে হামলা চায়।

এরপর ২৭।মার্চ থেকে বিহারি ও বাঙালির মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুর হয় এবং ১৭ এপ্রিল।পর্যন্ত চলা এযুদ্ধে বহু অবাঙালি নারী, পুরুষ, নিহত হয়।এ যুদ্ধের হতাহতের
সংবাদ বিবিসির বাংলা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হলে বিশ্বের সব দেশের মানুষ ঘটনটি জেনে যায়।

এর মধ্যে শহর থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এযুদ্ধে।নিহত ওইসব বাঙালি ও অবাঙালির লাশ।

একপর্যায়ে ২২ এপ্রিল পাকিস্থানি।সেনারা রেলপথে সা ন্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরে প্রবেশ করে সেনা কাম্প তৈরি করে সেখান থেকে বাঙালিদের উপর আক্রমণ শু রুকরে এবং বাড়ি ঘর জ্বালাও

পোড়া সহ ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। যুদ্ধ কালীল সময়ে পাকিস্থানি।সেনারা সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে নাম পরিবর্তন করে শহিদাবাদ নাম।করন করে।

এছাড়াও সান্তাহারের পাকিস্থানি সেনা কাম্পের শক্ত ঘাটি থেকে।উত্তর জনপদের বাঙালিদের উপর আক্রমণ চালাতে থাকে◌়।

ততসময়ে সান্তাহারশহর সহ আশেপাশের গ্রামের যুবক ও ছাত্ররা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ কালীল সময়ে মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর আদম দীঘিতে পাকসেনাদের উপর আক্রমণ চালালে সেখান থেকে তারা পালিয়ে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা আদমদিঘী পাকিস্থানি হানা দার মুক্ত করে বিজয়ের পতাকাওরাই।

এরপর ১৪ ডিসম্বর সান্তাহার শহরের পাকিস্থানি সেনা কাম্পের শক্ত ঘাটি দখল নিতে মুক্তিযোদ্ধারা পুরো শহর ঘিরে ফেলে সম্মুখ এবং গেরিলা আক্রমণ করে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহর পাকিস্থানি হানাদার মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা উড়িয়ে পাকসেনাদের দেওয়া সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের শহিদাবাদ নাম বাদ দিয়ে ফের সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশন নামকরণ করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা।

আমরা বাঙালি জাতি পেয়েছি একটি স্বাধীনদেশ এবং লাল সবুজে পতাকা।

ফলে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির এক গৌরবময় দিন।

এইদিনকে ঘিরে মহান মুক্তিযুদ্ধেঠ সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেরসারাদেশের ন্যায় আদমদিঘী ও সান্তাহারে মহান বিজয় দিবস পালন উপলক্ষে আদমদিঘী উপজেলা প্রশাসন সহ সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা কর্মসুচি পালিত হয়েছে।

সরকারি বেসকারি প্রতিষ্টানে উত্তোলন করা হয়েছে জাতী য় জাতীয় পতাকা।

আদমদীঘির বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক মুক্তিযোদ্ধ কমান্ডার মোঃ হাফিজার রহমান বলেন যুদ্ধ কালনি সময়ে ১২ডিসে ম্বর আমরা আদমদীঘি হানাদার মুক্ত করে বিজয়ের পতা কা উরিয়েছি।

এর দ্্ুই দিন পর আমরা সান্তাহারের পাকিস্থানি সেনা কাম্পের শক্ত ঘাটি দখল নিতে যুদ্ধে অংশ নেয়।

আদমদীঘি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার
মোঃ রশিদুল ইসলাম বলেন সান্তাহার রেলওয়ে জংশন শহরছিল অবাঙালি (বিহারি উদ্দ্যশিত শহর এ শহরে ৫০ হাজার অবাঙালি পরিবার ছিল ।

এখানে পাকিস্থানি সেনা আসার আগে এবং পরে তাদের সাথে আমরা যুদ্ধু করেছি। সান্তাহারের শক্ত ঘাটিতে গোলা বারুদ মজুত করা হতো আর সেখান থেকে পুরো উত্তর ঞ্চলের বাঙালিদের উপর আক্রোমন চালাত।

একারনে সান্তাহারের এই পাকসেনাদের শক্ত ঘাটি দখল নিতে ১৪ ডিসেম্বর আমাদের ব্যাপক সুম্মুখ এবং গেরিলা যুদ্ধ করতে হয়েছে।

এযুদ্ধেও ইতিহাস আমরা কখনো ভুলবোনা। #

 

About admin

Check Also

সাতক্ষীরায় সরবরাহের ঘাটতির অজুহাতে  বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ।। সাতক্ষীরায় গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট। সরবরাহ …