শহিদুল ইসলাম,মহেশপুর (ঝিনাইদহ):
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এস’বিকে ইউনিয়নের শতবর্ষী খালিশপুর পশুহাটে নেমেছে নজিরবিহীন ধস—মালিকপক্ষের দাবি, একই দিনে কাছাকাছি চৌগাছা ও নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য একটি হাট বসানোয় ক্রেতা–বিক্রে তারা সরে যাওয়াই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হয়ে দাড়ি য়েছে। এতে হাট মালিকদের প্রতিনিয়ত লোকশান গুনতে হচ্ছে।
হাট ইজারাদারেরা জানান একসময় মহেশপুর, কোটচাঁ দপুর, চুয়াডাঙ্গা ও চৌগাছা এলাকার বেপারিদের আস্থার প্রথম ঠিকানা ছিল এই পশুহাটে, যেখানে প্রতিনিয়মিত কোটি টাকার লেনদেন হতো।
এখন সেখানে দৈনিক কালেকশন ভেঙে পড়েছে, সাপ্তা হিক হাটে মাত্র ১২–১৪ হাজার টাকার খাজনা আদায় হয়— যা দিয়ে শ্রমিকদের মজুরি, নিরাপত্তাকর্মী, হাটের রক্ষ ণাবেক্ষণ, ভ্যাটসহ পরিচালনা ব্যয়ই টিকিয়ে রাখা অসম্ভব বলে জানান হাটা মালিক নুর ইসলাম ও ইয়াকুব আলী এবং ইজারাদার আব্দুল মান্নান ও উমর আলী ও কামাল হোসেন।
সরকারি ভ্যাটসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিনি য়োগে পরি চালিত এ ঐতিহ্যবাহী হাটের ভবিষ্যৎ এখন মারাত্মক ঝুঁ কিতে পরিনত হয়েছে।
মালিকপক্ষের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বী হাটের দিনের সামান্য পুনঃ নির্ধারণই হতে পারে টিকে থাকার একমাত্র উপায়। ইতিম ধ্যে তারা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার জানান, হাটের দিন পরিবর্তনের এখতিয়ার উপজেলা প্রশাসনের নয়—বিষয়টি জেলা প্রশাসকের দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এসবিকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফান হাছান (লুথান চৌধুরী) স্বীকার করেন, “খালিশপুর হাটের আগের জৌ লুশ আর নেই—মালিকরা সত্যিই কঠিন সংকটে আছেন।” শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখা এখন মালিকদের জন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে টানা-পোড়েনের লড়াই।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে