Breaking News

যশোরে সাব-রেজিস্টার সংকট: তবুও নির্ধারিত দিনে গ্রাহকরা সেবা পাচ্ছেন

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের আট উপজেলায় সাব-রেজি স্টার সংকট রয়েছে। চার সাব-রেজিস্টারকে দিয়ে চলছে আট উপজেলার জায়গা-জমি রেজিষ্ট্রির কাজ।
সাব-রেজিস্টার সংকট থাকলেও সেবা গ্রহিতাদের তেমন কোন বড় ধরণের অভিযোগ নেই। কাউকে দুর্ভোগে পড় তে হচ্ছে না। নির্ধারিত দিনে সেবা গ্রহিতারা সেবা পাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যশোরের আটটি উপজেলা আটটি সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস রয়েছে।
সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ক্রয় ও বিক্রিত জমির রেজিষ্ট্রির কাজ করা হয়।
রেজিষ্ট্রির কাজ সম্পাদন করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে সাব-রেজিস্টারের পদ রয়েছে। কিন্তু যশো রের আট উপজেলায় সাব-রেজিস্টার সংকট রয়েছে।
জেলায় মাত্র তিনজন সাব-রেজিস্টার রয়েছেন। তিনজন সাব-রেজিস্টার দিয়ে ছয়টি উপজেলায় জমি-জায়গা রেজিষ্ট্রির কাজ চালানো হচ্ছে।
আর পাশর্^বর্তী জেলা ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজে লার সাব-রেজিস্টার দিয়ে চালানো হচ্ছে আরো দুটি উপ জেলা। সাব-রেজিস্টারদের মধ্যে আমেনা বেগম যশোর সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে সাব-রেজিস্টার হিসেবে দায়ি ত্ব পালন করছেন। ঝিকরগাছা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে সাব-রেজিস্টারের দায়িত্বে আছেন এস এম শাহীন আল ম।
ঝিকরগাছার পাশাপাশি  চৌগাছা, শার্শা ও বাঘারপাড়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসেও তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
তবে, ওই চার উপজেলার মানুষের কোন ধরণের দুর্ভোগে পড়ছে না। সবাই নির্ধারিত সময়ে সেবা পাচ্ছেন।
অভয়নগর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি সাব-রেজিস্টারের দায়িত্বে আছেন ইকবাল হোসেন। সাব-রেজিস্টার সংকটে র কারণে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের সাব-রেজিস্টারকে ধার করে এনে মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সেবা গ্রহিতা সোহরাব হোসেন জানান, তার বাড়ি চৌগাছা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। তিনি জমি বিক্রি করার জন্য সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে এসেছেন।
অফিসে আসার পর পরই তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বি ঘেœ তিনি সেবা পেয়েছেন। প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত সময়ে এ উপজেলায় জমি রেজিষ্ট্রির কাজ হয়। সবাই ভালভাবে সেবা পাচ্ছেন। তবে সকালের সময়ে একটু চাপ বেশি থাকে।
জমির মোল্লা। তার বাড়ি ঝিকরগাছা উপজেলার মাঠি কুমড়া গ্রামে। তার ছেলে দেশের বাইরে থাকেন। ছেলে টাকা পাঠালে তিনি মাঝে মাঝে জমি ক্রয় করেন। প্রতি মঙ্গলবারে ঝিকরগাছায় জমি রেজিষ্ট্রি হয়।
জমি রেজিষ্ট্রি করতে এসে কোন ধরণের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় না।
সাব-রেজিস্টার এস এম শাহীন আলম বলেন, তিনি একাই চার উপজেলার সাব-রেজিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সপ্তাহে একদিন প্রতিটি অফিসে জমি রেজিষ্ট্রির কাজ হয়। সব উপজেলায় নির্ধারিত দিন রয়ে ছে।
একদিনে এক সপ্তাহের সব কাজ সম্পন্ন করেন তিনি। কাগজপত্র সঠিক থাকলে কাউকে দুর্ভোগে পড়তে হয় না।
যশোর জেলা রেজিস্টার আবু তালেব বলেন, যশোরের আট উপজেলায় সব সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ভালভাবে কাজ চলছে। কোন উপজেলায় সেবা গ্রহিতাদের অভিযো গ নেই।
অফিসার সংকট থাকার পরও সেবা গ্রহিতারা উপযুক্ত সেবা পাচ্ছেন। সদর ও অভয়নগর উপজেলায় সপ্তাহে প্রতিদিনই কাজ হয়।
বাকিগুলোতে অফিসার সংকটের কারণে সপ্তাহে একদিন করে কাজ হচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করে অফিসাররা সাধারণ মানুষের সেবা দিচ্ছেন।

About admin

Check Also

শার্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত   

(শার্শা) উপজেলা প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরের শা র্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে …